সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আমাদের সামনে দুটি রাস্তা- হয় বিজয় নয়তো শাহা’দাত : শিবির সেক্রেটারি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামাজিক মাধ্যমের পোস্টকে ঘিরে তুমুল সমালোচনা চলছে। নেটিজেনরা আওয়ামী লীগ ও ভারতের নীতির তীব্র সমালোচনায় মুখর। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন তথা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের আলোকে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম। সোমবার সন্ধ্যায় নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন শিবির সেক্রেটারি। পাঠকদের […]

নিউজ ডেস্ক

২২ জানুয়ারী ২০২৫, ১৫:২২

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামাজিক মাধ্যমের পোস্টকে ঘিরে তুমুল সমালোচনা চলছে। নেটিজেনরা আওয়ামী লীগ ও ভারতের নীতির তীব্র সমালোচনায় মুখর। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন তথা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের আলোকে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম।

সোমবার সন্ধ্যায় নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন শিবির সেক্রেটারি। পাঠকদের জন্য তার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
‘চূড়ান্ত বিজয় অথবা শাহাদাত’

১৭৫৭- স্বদেশীয় মীর্জাফর ও বিশ্বাসঘাতকদের কারণে ১৯০ বছরের জন্য এ ভূখণ্ড থেকে স্বাধীনতা হারিয়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী ইং’রে’জ’রা কলোনির নামে আমাদের ভূমি দখল করে সম্পদ লুটপাট করেছে। তারাই আবার বিশ্বরাজনীতিতে সভ্যতার লেবাসে আমাদেরকে সবক দেয় (সেলুকাস)।

১৯৪৭- হাজী শরিয়াতুল্লাহ, তিতুমীর, আহমেদ বেরলভি ও তাদের উত্তর প্রজন্মের ধারাবাহিক লড়াই সংগ্রাম অ’স’ভ্য ব্রি’টি’শ কলোনি থেকে মুক্তির দেখা মিললো। কিন্তু তারা রেখে গেলেন ইন্টেলেকচুয়াল কলোনি পলিসি। সাথে কিছু হাই কোয়ালিটি সমৃদ্ধ ট্রেনিং প্রাপ্ত দালাল। যার ফলাফল হিন্দু মুসলিম তিক্ততা।

সমাধান নিয়ে হাজির হলেন, তথাকথিত ভারতীয় মুসলিমের ত্রাণকর্তা মি. জিন্নাহ। থিওরি দিলেন “আসো ভাগ হয়ে যাই”। পাকিস্তান ও ইন্ডিয়া ভাগেই নাকি সব সমাধান!!

১৯৪৭-১৯৭১- পূর্ব পাকিস্তান বা বর্তমান বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডের সাথে ইন্ডিয়া ও পশ্চিম পাকিস্তান কেউই ইনসাফ করতে পারলেন না। বৈষম্য চাপিয়ে দিলেন। মাথামোটা কিছু রাজনীতিবীদের অদূরদর্শী ও অপরিপক্ব সিদ্ধান্তের কারণে আবার ভাগের প্রশ্ন। তৈরি হলো প্লট-৭১।

১৯৭১- এ’ন্ডি’য়া দাবি করলো এ’ন্ডি বনাম পা’কি যুদ্ধ হইছে। জিতছে এ’ন্ডি। এখান থেকেই নাকি বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম!! ভালো কথা তাহলে এই রাষ্ট্র কার? রাষ্ট্র পরিচালনা কে করবে? এন্ডি ১৬ ডিসেম্বরের পর নিজেরাই চালাতে চেয়েছিল। কিন্তু পাবলিক সেন্টিমেন্ট মাথায় রেখে তারা এং’রে’জদের পলিসি নিল। ইজারা দিল একটি পরিবার ও একটি দলের কাছে।

১৯৭৫- প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের চেতনাকে গলা টিপে এক দেশ, এক দল, বাকশাল কায়েম করলেন। প্রকৃত সমর যোদ্ধারা এতে নড়েচড়ে বসলেন। এজন্যতো যুদ্ধ করিনি। যার ফলশ্রুতিতে ১৫ আগষ্ট।

১৯৭৫ পরবর্তীতে এদেশ একটি গোলকধাঁধার মধ্য দিয়েই গিয়েছে। কখনো ত্রাণকর্তা, কখনো সেই ত্রাণকর্তাই আবার লুটেরা কিংবা স্বৈরাচার চরিত্রে পরিণত হওয়া। এই ধারার মধ্যে সৎ ও দেশপ্রেমিক ছিল খুবই নগণ্য কিছু সংখ্যা। তারা আবার দালালগোষ্ঠীর কাছে ছিল মাইনোরিটি বা ইনিফেরিয়র।

১৯৯৬- স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে হাজির হলেন খু’নি হাসিনা। পরিবার হারানোর বেদনা নাকি উনি ছাড়া আর কেউ বুঝে না। তাই তিনি আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় সাক্ষাৎকারে বলেই দিলেন, “আমার রাজনীতি করার খুব একটা ইচ্ছা ছিল না। আমি আসছি আমার পিতার হত্যার প্রতিশোধ নিতে”।

হত্যার রাজনীতি আবারও চাঙ্গা করলেন তিনি। বাকশালের নয়া রুপ ফ্যাসিবাদ জীবন্ত করলেন। কিন্তু ২০০১ সালে এসে ফ্যাসিবাদের ষোলকলা পূর্ণ করতে পারলেন না। এ জন্য ৫ বছর অপেক্ষা করতে হলো।

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর- লগী বৈঠার তাণ্ডবের মাধ্যমে অপেক্ষায় প্রহর শেষ হতে লাগলো। ভিনদেশী স্ক্রিপটেড নাটক পালটা নাটকের মাধ্যমে তিনি আবারও ক্ষমতায় আসলেন। এসেই উনার ফ্যাসিবাদের বাধা হিসেবে সকল শক্তির তালিকা করলেন। প্রথমেই দেশপ্রেমিক সেনা অফিসার দিয়ে হত্যার উৎসব শুরু করলেন।

এরপর বিরোধী নেতৃবৃন্দ, আলেম-উলামা, যারাই ফ্যাসিবাদের পথের কাটা তাদেরকে হত্যা ও গুম অব্যাহত রাখলেন। ৭১ লেগেচি বহন করে একটি অঘোষিত কলোনি ও ফ্যাসিবাদের কায়েমে তিনি সফলতার শীর্ষে অবস্থান করলেন।

চেতনার কার্ডই এখানে প্রধানতম হাতিয়ার। হয়ে উঠলেন মাদার অফ ফ্যাসিস্ট। ৭১-এর মিথ্যা বয়ানের চেতনাই ফ্যাসিবাদ কায়েমে প্রধানতম ভূমিকা পালন করেছিল।

২০২৪- ফেরাউন, নমরুদরা পতনের আগ পর্যন্ত ভাবতেই পারেনি, সব কিছুর একটা শেষ আছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনাও তার ব্যাতিক্রম নয়। নির্মম গণহত্যা চালিয়েও তার শেষ রক্ষা হয়নি।

হলফ করে বলছি, ২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যূত্থান একটি অর্গানিক ও ন্যাচারাল মুভমেন্ট ছিল। কোনো সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের প্ল্যানে হয়নি। দালাল সম্প্রদায়ের কোনো ভূমিকাই এখানে ছিল না। পরিস্থিতিই ধাপেধাপে আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিতে বাধ্য করেছিল। এখানেই মূলত ৫৭, ৪৭, ৫২, ৭১ আর ২৪-এর পার্থক্য।

শহীদ ও গাজীদের ন্যাচারাল চেতনাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ে দিবে। এখানে কোনো শক্তির সাথেই আপোষ করার সূযোগ নেই। প্রজন্ম ২৪ এখন সংকীর্ণ চিন্তার উর্ধ্বে উঠে বিশ্বায়নের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতে চায়। তারা যেকোনো আধিপত্যবাদ মোড়লদের চোখে চোখ রেখে কথা বলার প্রতিযোগিতা করতে চায়। শহিদি প্রজন্ম বাংলাদেশকে আর পথ হারাতে দিবে না ইনশাআল্লাহ।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২১৩

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৫

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২১৩

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৫