বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আগে সংস্কার হবে, তারপর নির্বাচন : জাতীয় নাগরিক কমিটি

সংস্কার ছাড়া নির্বাচনের পক্ষে নয় জাতীয় নাগরিক কমিটি। তারা বলেছে, রাজনৈতিক দলগুলোর হুমকিধমকিতে সংস্কারপ্রক্রিয়া থেকে পিছিয়ে আসা যাবে না। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এখন যারা তাড়াহুড়া করছে, নির্বাচনের পর তারা সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেবে, এটা বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই। সুতরাং আগে সংস্কার হবে, তারপর নির্বাচন হবে। সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে নিজেদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘শহীদ আসাদ […]

নিউজ ডেস্ক

২১ জানুয়ারী ২০২৫, ১১:৫০

সংস্কার ছাড়া নির্বাচনের পক্ষে নয় জাতীয় নাগরিক কমিটি। তারা বলেছে, রাজনৈতিক দলগুলোর হুমকিধমকিতে সংস্কারপ্রক্রিয়া থেকে পিছিয়ে আসা যাবে না। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এখন যারা তাড়াহুড়া করছে, নির্বাচনের পর তারা সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেবে, এটা বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই। সুতরাং আগে সংস্কার হবে, তারপর নির্বাচন হবে।

সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে নিজেদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘শহীদ আসাদ থেকে শহীদ আবু সাঈদ: গণ-অভ্যুত্থান থেকে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপের রাজনীতির রোডম্যাপ’ শীর্ষক আলোচনা সভা করেছে জাতীয় নাগরিক কমিটি। শহীদ আসাদ দিবস উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সংস্কার ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না উল্লেখ করে এই সভায় জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘সরকারকে আমরা বলব শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলগুলোর হুমকিধমকিতে সংস্কারের পরিবেশ তৈরি না করে, সংস্কারের সূচনা না করে, সংস্কারের বাস্তব রূপ না করে চলে যাবেন না।

এমন যদি হয় বাংলাদেশের জনগণ, ছাত্ররা নতুন কাউকে নিয়ে আসবে, সংস্কারের পরিবেশ তৈরি করবে এবং বাস্তবে রূপ দেবে। সুতরাং সংস্কারের বাস্তব রূপায়ণ এই সরকারকে করে যেতে হবে।’

বাংলাদেশে আর ফ্যাসিবাদী শাসন ফিরে আসতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে আখতার হোসেন বলেন, পতিত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর কোনোভাবেই প্রাসঙ্গিক হতে দেওয়া যাবে না। প্রথমে যাদের বিলোপ হতে হবে, তারা হলো ফ্যাসিবাদী পতিত আওয়ামী লীগ।

এই ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার রক্ষাকবচ হিসেবে আইনি ভিত্তি হিসেবে, ফ্যাসিবাদকে টিকিয়ে রাখার ‘মেকানিজম’ (কৌশল) হিসেবে সব থেকে বড় ভূমিকা পালন করেছে ’৭২–এর সংবিধান। এই সংবিধান দিয়ে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ করা সম্ভব নয়। এ কারণে বাংলাদেশে একটি নতুন সংবিধান প্রয়োজন।

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেবে, এটা বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই বলে সভায় উল্লেখ করেন জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। তিনি বলেন, ‘বিএনপিকে এখন রাজনীতি করতে হলে বলতে হবে, ক্ষমতায় গেলে তারা কী করবে?আজকে আমরা কেন বিশ্বাস করব যে ক্ষমতায় এলে (তারা) সংস্কার করবে। সুতরাং সংস্কার হবে, তারপর নির্বাচন হবে।’

সারোয়ার তুষার বলেন, সংবিধান প্রণয়নের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ‘ম্যান্ডেট’ আছে কি না, এমন প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। সংবিধান প্রণয়ন বা সংশোধন অন্তর্বর্তী সরকার করবে না। এই সরকার সংবিধান সংশোধন করবে, এটা একবারের জন্যও বলা হচ্ছে না।

সংবিধান সংস্কারের যে পরিবেশ প্রয়োজন, সেটা এই সরকার করে দেবে। সংবিধান প্রণয়ন কিংবা সংস্কার হবে গণপরিষদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে।

কেন গণপরিষদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সংবিধান সংস্কার করতে হবে—এর ব্যাখ্যা হিসেবে জাতীয় নাগরিক কমিটির এই যুগ্ম আহ্বায়ক বলেন, ‘নির্বাচিত সংসদের সংবিধান প্রণয়ন করা বা সংস্কার করার ম্যান্ডেট থাকে না।

যাঁরা ম্যান্ডেটের প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের আমরা পাল্টা বলতে চাই, আপনার ভুল করছেন। সংসদে গিয়ে আপনার কাজ হচ্ছে আইন প্রণয়ন করা। সেটি করবেন বিদ্যমান সংবিধানের অধীনে। কিন্তু যখন পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় নতুন একটি সংবিধান বানাতে হবে, তখন আসলে আপনাকে যেতে হবে গণপরিষদে। আমরা সেই গণপরিষদের কথা বলছি।’

সারোয়ার তুষার বলেন, গণপরিষদ সংবিধান প্রণয়ন করার পরে তা আইনসভায় রূপ নেবে। অর্থাৎ সংসদে রূপ নেবে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে দুটি নির্বাচনের রোডম্যাপ (পথনকশা) থাকে। তিনি বলেন, ‘আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর বড় তাড়াহুড়া, সে জন্য আমরা দুটি নির্বাচনের রোডম্যাপ বলিনি।

একটাই নির্বাচন হবে, সেটা গণপরিষদ নির্বাচন হবে। এই নির্বাচনের পরে ওই গণপরিষদই সংসদে, আইনসভায় রূপ নেবে। এটা পৃথিবীর বহু দেশে চর্চিত বিষয়। আমাদের দেশেও এটা করতে চাই। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে একমত হওয়া উচিত।’

আলোচনা সভার সঞ্চালক ছিলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য আলাউদ্দীন মোহাম্মদ। বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আতিক মুজাহিদ, সংগঠক মশিউর রহমান, ফয়সাল মাহমুদ ও প্রীতম দাশ, নির্বাহী সদস্য ইমন সৈয়দ, হাসান আলী, জয়নাল আবেদীন ও সহমুখপাত্র সালেহ উদ্দিন।

সভার অন্য বক্তাদের মধ্যে জাতীয় নাগরিক কমিটির নির্বাহী সদস্য হাসান আলী বলেন, সংস্কার ও বিচার ছাড়া এই মুহূর্তে অন্য কোনো আলাপেই যাওয়া উচিত নয়। এ বিষয়ে সব রাজনৈতিক দলের একমত হওয়া উচিত।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২০০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২০০

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৮১

রাজনীতি

১১ দলীয় জোটেই যাচ্ছে জামায়াত, শিগগিরই ঘোষণা

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান। মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পিছিয়ে […]

নিউজ ডেস্ক

২২ জানুয়ারী ২০২৬, ২১:০৬

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।

মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পিছিয়ে পড়া জেলাগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। জামায়াতের আমিরের এই জনসভা আরও বেশি ত্বরান্বিত করবে।

একটি দল শিরক করছে তারেক রহমানের এমন বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবার কথা বলার সুযোগ রয়েছে। তিনি নির্দিষ্ট করে কোনো দলের নাম বলেননি৷ আর জামায়াতে ইসলাম কিভাবে পরিচালনা হয়, দেশের মানুষ তা জানেন।

এসময় জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দীন প্রধান, জামায়াত মনোনীত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী-দেলাওয়ার হোসেনসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২০০