বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

‘কান্ডজ্ঞানহীন মন্তব্য’, ফেসবুকে তোপের মুখে জয়

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল গাজী টিভির এক নারী সংবাদকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। বুধবার সকাল ১০টার দিকে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে জয় লিখেছেন, ‘গাজী টিভির নিউজরুম এডিটর রাহানুমা সারাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ঢাকার হাতিরঝিল লেক থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। বাংলাদেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর এটি আরেকটি […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ আগস্ট ২০২৪, ১৬:৫৫

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল গাজী টিভির এক নারী সংবাদকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে জয় লিখেছেন, ‘গাজী টিভির নিউজরুম এডিটর রাহানুমা সারাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ঢাকার হাতিরঝিল লেক থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। বাংলাদেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর এটি আরেকটি নৃশংস আঘাত। গাজী টিভি ধর্মনিরপেক্ষ সংবাদ চ্যানেল, যার মালিক গোলাম দস্তগীর গাজী। যিনি সম্প্রতি গ্রেফতার হয়েছেন’।

পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধান বলছে, এটি পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যা। আর গাজী টিভির হেড অব নিউজ ইকবাল করিম নিশান ফেসবুকে লিখেছেন, রাহানুমার স্বামী সায়েদ শুভ্রর ভাষ্য মতে এটি আত্মহত্যা। একইসঙ্গে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে না পাওয়ার আগে রাহনুমার মৃত্যু নিয়ে ভুল তথ্য না ছড়ানোর অনুরোধও করেন তিনি।

কিন্তু সজীব ওয়াজেদ জয় দাবি করেছেন, দেশে বিদ্যমান শাসনব্যবস্থায় মতপ্রকাশের স্বাধীনতার উপর হামলার কারণেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে।

এমন মন্তব্যে জয়কে একহাত নিয়েছেন নেটিজেনরা। অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী ওই পোস্টের মন্তব্যে প্রশ্ন তুলেছেন জয়ের কান্ডজ্ঞান নিয়ে। কেউ কেউ করছেন হাসি-ঠাট্টা-মজা।

সিনিয়র সাংবাদিক আনিস আলমগীর জয়ের পোস্ট শেয়ার করে লিখেছেন, ‘গাজী টেলিভিশনের একজন নারী সাংবাদিক এবং এক্টিভিস্ট গতরাতে আত্মহত্যা করেছেন বলে অনুমান করছেন তার বন্ধুবান্ধব, তাকে যারা চেনে সবাই। হাতিরঝিল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এদিকে বঙ্গবন্ধুর নাতি সজীব ওয়াজেদ জয় আবিষ্কার করেছেন ‘‘এটা মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর আরেকটা আঘাত’’। ’

জয়ের পোস্টে নির্মাতা আশফাক নিপুন লিখেছেন, ‘আপনার দলের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের জন্য মৃত ব্যক্তির বা তার মৃত্যুকে হাতিয়ার না করে দয়া করে তাকে সম্মান করুন। এটি এমন কিছু যা আপনি ডিজিটালভাবে শিখতে পারবেন না, এটি পরিবারের লালন-পালন থেকে আসে। কিছুটা সম্মান দেখাতে শিখুন’।

ফখরুল ইসলাম নামে আরেক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘গুজরের ডিজিটাল প্রচার সম্পাদক আপনি’।

মো. রেজভী নামে একজন লিখেছেন, ‘আপনার লজ্জা থাকা উচিৎ। এতকিছুর পরও আপনারা মিথ্যাচার ছাড়েননি’।

সরকার পতনের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর বিচ্ছিন্ন হামলাকে কেন্দ্র করে অন্তবর্তীকালীন সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চেষ্টা চালান সজীব ওয়াজেদ জয়। সেখানে আরো বিতর্ক উসকে দেয় ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের গুজব। তবে দেশের সাধারণ মানুষের সামাজিক দৃঢ় বন্ধনে সেটা আর হালে পানি পায়নি। এখন নারী সংবাদকর্মীর মৃত্যুকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন তারই চেষ্টা মনে করছেন অনেকে।

ছাত্র-জনতার প্রাণঘাতি গণআন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করে ভারতে পালিয়েছেন শেখ হাসিনা। এরপরই দল এবং পরিবারের মুখপাত্র হিসেবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে শুরু করেন হাসিনাপুত্র জয়। যার বেশিরভাগই ভারতীয়।

এই সংবাদমাধ্যমগুলো একপাক্ষিক এবং পক্ষপাতমূলকভাবে আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনাকে অনুকম্পা দেখায়। যেখানে গত জুলাই এবং আগস্টের প্রথম সপ্তাহ জুড়ে পুলিশের নির্বিচার গুলিবর্ষণ, কঠিন বলপ্রয়োগ, সরকারের একনায়ক মনোভাব নিয়ে কোনো প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়নি তাকে।

জয় এসব সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক গণআন্দোলনকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন। আন্দোলনকারীদের ‘জঙ্গি’ তকমাও দিয়েছেন তিনি। এমনকি এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশে দ্রুত নির্বাচনে দাবিতে ভারতের হস্তক্ষেপও কামনা করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর এই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২