ঈদুল ফিতরের দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন চকরিয়া-পেকুয়ার নেতারা। এতে নেতৃত্ব দেন সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনের ওই আসনের জামায়াত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুখ। বিভিন্ন দলের নেতাদের একত্রিত হওয়াকে তিনি রাজনীতিতে ‘গুড সাইন’ হিসেবে দেখছেন।
শনিবার (২১ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এ কথা লেখেন।
কক্সবাজার শহর জামায়াত আমির আব্দুল্লাহ আল ফারুখ লেখেন, ২১ মার্চ বিকাল ৫টায় আমরা চকরিয়া-পেকুয়ার জামায়াত নেতৃবৃন্দ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করতে যাই।
এক ঘণ্টার অধিক সময় ধরে তার সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে মতবিনিময় হয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে সব পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক সৌজন্যতার পক্ষে।
তিনি লেখেন, পরিবর্তিত বাংলাদেশে মতবিরোধ ও রাজনৈতিক বিতর্কের পাশাপাশি দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আসা যাওয়া এবং সৌজন্যতা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। নির্বাচনোত্তর সময়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রধানমন্ত্রীসহ বিএনপি, এনসিপি, বিভিন্ন ইসলামী দল ও অন্যান্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে ইফতার মাহফিলে দাওয়াত দেয়। প্রধানমন্ত্রীসহ অসংখ্য রাজনৈতিক নেতা উক্ত প্রোগ্রামে যোগ দেন। এইটা রাজনীতিতে ভেরি গুড সাইন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথনের কথা তুলে ধরে ফারুখ লেখেন, আজকের স্বাক্ষাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আমরা আইনের শাসন নিশ্চিত করার কথা বলেছি। আমি খুটাখালী ইউনিয়ন ও উত্তর হারবাং- এ আমাদের কর্মীদের ওপর হামলার বিষয়ে বলেছি। তিনি বলেছেন, কেউ আইন হাতে তুলে নিলে ছাড় দেওয়া হবে না। সরকার দলীয় কর্মী হলেও না।
চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়ককে সিক্স লেনে উন্নীত করার কথা বলেছি। মন্ত্রী হাসিমুখে বলেন, তোমার দাবি বাস্তবায়ন করা হবে। ফার্স্ট পেজে চট্টগ্রাম থেকে ফাঁসিয়াখালী পর্যন্ত এই সড়ক বাস্তবায়নে জাইকা এগিয়ে এসেছে। রোহিঙ্গা ক্রাইসিস নিয়েও আলোচনা হয়।
এছাড়াও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গুম হওয়ার বেদনাদায়ক স্মৃতি, বিগত নির্বাচন, জামায়াতের উত্থান ইত্যাদি বিষয়ে অনেক কথা হয়।
রাজনীতিতে পারস্পরিক সম্পর্ক, যোগাযোগ, বৈঠক, স্বাক্ষাৎ ও মতবিনিময় যতবেশি হবে দেশ ও জাতি ততো উপকৃত হবে। এটি কখনো বন্ধ হওয়া উচিত নয়।