শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

চীনের উপহারকে যৌথ উদ্যোগ বলে বিতরণ, জামায়াতের বক্তব্যে চীনা দূতাবাসের উদ্বেগ

বাংলাদেশের চীনা দূতাবাস গত মঙ্গলবার ঢাকা-১৫ আসন এলাকায় এক হাজারের বেশি মানুষকে ঈদসামগ্রী দিয়েছে। এ অনুদানকে যৌথ বলে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। অনুদান নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে জামায়াতের কিছু পোস্টের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে দূতাবাস। ঈদসামগ্রী বিতরণের সময় ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ও বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং চীনের রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত […]

নিউজ ডেস্ক

১৯ মার্চ ২০২৬, ১৪:৩৩

বাংলাদেশের চীনা দূতাবাস গত মঙ্গলবার ঢাকা-১৫ আসন এলাকায় এক হাজারের বেশি মানুষকে ঈদসামগ্রী দিয়েছে। এ অনুদানকে যৌথ বলে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। অনুদান নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে জামায়াতের কিছু পোস্টের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে দূতাবাস।

ঈদসামগ্রী বিতরণের সময় ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ও বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং চীনের রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তবে বিতর্ক শুরু হয় জামায়াতের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে।

বিষয়টি সবার নজরে আসে মঙ্গলবার রাতে চীনা দূতাবাস সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত কনটেন্ট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করার পর। রাত ১১টা ৫ মিনিটে দূতাবাস তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বলেছে, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত সকালে একটি দাতব্য অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। দূতাবাস উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করেছে যে, এ বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত কিছু কনটেন্ট বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।

তারা বাংলাদেশের প্রতি চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ নীতির বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করছে। তারা জোর দিয়ে বলছে, নির্বাচিত সরকারের নির্বিঘ্নে দেশ পরিচালনায় চীন সমর্থন জানায়। দুই দেশের জনগণের অধিকতর কল্যাণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে একত্রে কাজ করে বন্ধুত্ব আরও জোরদার করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।

মঙ্গলবার দেওয়া জামায়াতে ইসলামীর এক পোস্ট থেকে বিতর্কের সূত্রপাত হয়। দলটি ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিকেল ৪টা ৪ মিনিটে জানায়, মিরপুর-১০ এ অবস্থিত আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও চীনের যৌথ উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে ফুডপ্যাক বিতরণ করা হয়।

এতে উপস্থিত থেকে ফুডপ্যাক বিতরণ করেন আমিরে জামায়াত ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ও ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

এরপর রাত ১০টা ১৬ মিনিটে দলটি জানায়, ‘মিরপুর-১০ এ অবস্থিত আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১৭ মার্চ দুস্থদের মাঝে ফুডপ্যাক বিতরণ করা হয়। এতে উপস্থিত থেকে ফুডপ্যাক বিতরণ করেন আমিরে জামায়াত ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ও ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।’

আবার রাত ১০টা ৩৪ মিনিটে ফেসবুক পেজে জামায়াত জানায়, ‘১৭ মার্চ, মঙ্গলবার বেলা ১১টায়, ঢাকাস্থ চায়না এমবাসির পক্ষ থেকে ঢাকা-১৫ আসনের জনসাধারণের জন্য ফুড প্যাকেট উপহার প্রদান করা হয়। আমিরে জামায়াত, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুর রহমানের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই ফুড প্যাকেট বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ চায়না এমবাসির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।’

সর্বশেষ রাত ১১টা ২৩ মিনিটে দলটি জানায়, ‘১৭ মার্চ, মঙ্গলবার বেলা ১১টায়, ঢাকাস্থ চায়না এমবাসির পক্ষ থেকে ঢাকা-১৫ আসনের জনসাধারণের জন্য ফুড প্যাকেট উপহার প্রদান করা হয়। এ সময় জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুর রহমানের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই ফুড প্যাকেট বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ চায়না এমবাসির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি চিফ অব মিশন (ডিসিএম) এবং চায়না এমবাসির পলিটিক্যাল ডিরেক্টর।’

একই দিন বিকেল সাড়ে ৪টায় নিজস্ব ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে চীনা দূতাবাস জানায়, ‘১৭ই মার্চ, বাংলাদেশে অবস্থিত চীনা দূতাবাস ঢাকার বাসিন্দাদের জন্য ঈদুল ফিতরের খাদ্য সামগ্রী দান করেছে। রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে হাজারেরও বেশি স্থানীয় বাসিন্দা অংশগ্রহণ করেছেন।’

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন ও বাংলাদেশ সমন্বিত কৌশলগত সহযোগী অংশীদার। ঈদুল ফিতর হলো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং আশীর্বাদ বিনিময়ের সময়। এই দানের মাধ্যমে চীন একটি শান্তিপূর্ণ উৎসব উদযাপনে বাসিন্দাদের প্রতি উষ্ণতা ও সমর্থন জানাতে চায়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, চীন ও বাংলাদেশ অভিন্ন ভবিষ্যতের একটি সম্প্রদায়। চীন এমন আরও প্রকল্প বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখবে যা জনগণের উপকারে আসবে এবং উভয় দেশের কল্যাণ বৃদ্ধি করবে।

জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান এই উদার দানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এসব খাদ্যসামগ্রী বাংলাদেশের জনগণের প্রতি চীনের আন্তরিক বন্ধুত্বের প্রতিফলন।

তিনি চীনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামীর গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি দুই দেশের আন্তঃদলীয় বিনিময় গভীরতর করা ও জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এর আগে গত বছর গাজীপুরে কম্বল বিতরণের এক অনুষ্ঠানে জামায়াতের আমির ও চীনা রাষ্ট্রদূত উপস্থিত ছিলেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৩৪

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৩৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৩৪

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৩৪