বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জুলাই সনদ কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা নয় বরং এটা পুরো বাংলাদেশের মানুষের এজেন্ডা : সারজিস আলম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠনক সারজিস আলম বলেছেন, জুলাই সনদ কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা নয় বরং এটা পুরো বাংলাদেশের মানুষের এজেন্ডা। যে এজেন্ডার ভিত্তিতে একটা গণভোট হয়েছে, দেশের ৭০ ভাগ মানুষ গণভোটে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে ভোট দিয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে ঠাকুরগাঁওলে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সমিরউদ্দীন স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ে হল রুমে […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ মার্চ ২০২৬, ১১:১২

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠনক সারজিস আলম বলেছেন, জুলাই সনদ কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা নয় বরং এটা পুরো বাংলাদেশের মানুষের এজেন্ডা। যে এজেন্ডার ভিত্তিতে একটা গণভোট হয়েছে, দেশের ৭০ ভাগ মানুষ গণভোটে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে ভোট দিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে ঠাকুরগাঁওলে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সমিরউদ্দীন স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ে হল রুমে কর্মী সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

সারজিস আলম বলেন, বিএনপি প্রায় ৫০ শতাংশ ভোট নিয়ে তারা সরকার গঠন করেছে। কিন্তু হ্যাঁ ভোট পেয়েছে ৭০ ভাগ। বিএনপি যদি তাদের জায়গা থেকে ক্ষমতায় আসার সাথে সাথে মানুষের এত বড়ো একটা ম্যান্ডেট ভুলে যায়, গণভোটের চাওয়া ভুলে যায়, তাহলে আমরা মনে করি এটা বিএনপির স্বৈরাচারের পথে হাঁটার প্রথম ধাপ।

তিনি আরও বলেন, সংবিধান বলি আর যাই বলি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে যেটা বলছেন, সংবিধান করা হয় জনগণের জন্য, সরকার পরিচালিত করে বা পরিচালিত হয় জনগণের জন্য, রাষ্ট্র হচ্ছে জনগণের জন্য, জনগণের উদ্যোগে কোনো কিছু না।

এই বাংলাদেশের সংবিধানই বলছে যে জনগণ সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী, তাহলে সেই জনগণ যখন ম্যান্ডেট দেয় যে আপনার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে, আপনি যদি সংবিধানের দোহাই দেন তাহলে আমরা মনে করি যে আপনি আবার নতুন করে পূর্বের মতো ওই ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করতে চান এবং এবারে এই বাংলাদেশের মানুষ, এই মুক্তিকামী মানুষ তারা আর কাউকে ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করতে দেবে না, স্বৈরাচার হতেও দেবে না।

এটার জন্য আমাদের সংসদ থেকে শুরু করে রাজপথ যেখানেই যেইভাবে এটা প্রতিরোধ করা প্রয়োজন হয় বাংলাদেশের মানুষকে সাথে নিয়ে আমরা এটা প্রতিরোধ করব।

সারজিস আলম বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। নারীরা ধর্ষণের শিকার হচ্ছে, খুন হচ্ছে। এগুলোর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না সরকার। এটা যদি হয় তাহলে দেশের যে শৃঙ্খলা শান্তি অগ্রগতি এটা কিন্তু সম্ভব হবে না।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, জেলা পরিষদ, কর্পোরেশনের প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছি সরকার। এখন শোনা যাচ্ছে উপজেলা ও পৌরসভাতেও নাকি প্রশাসক দেবে তারা। এই প্রশাসক দেওয়া হচ্ছে তাদের যেই নেতাকর্মীরা হেরে গিয়েছে কিংবা যারা মন খারাপ করে আছে তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন কেন্দ্র হয়েছে এটা। তারা এটাকে আরেকটা লুটপাটের ক্ষেত্র হিসেবে তৈরি করছে।

তারা নির্বাচিত সরকার হয়ে প্রত্যেকটা জায়গায় প্রশাসক দেওয়া শুরু করেছে। এরপরে এই প্রশাসকদেরকে দিয়ে তারা বিভিন্ন জায়গায় ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করবে, জনগণকে দেওয়া সরকারের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা খালি দলীয় লোকদেরকে দেবে। এরপরে ওই লোকটাকেই তারা ওই পদে আবার নির্বাচিত করার চেষ্টা করবে। তাহলে এটা তো স্বৈরাচারের পথে এগিয়ে যাওয়ার একটা ধাপ।

সারজিস আলম বলেন, এ রকম করে পুরো বাংলাদেশের জনগণের ওপরে ক্ষমতা ছেড়ে না দিয়ে তারা যদি ক্ষমতাকে বিভিন্ন পদে প্রশাসক বসিয়ে কুক্ষিগত করতে চায়, আমরা শুধু একটা কথাই বলতে চাই যে, এই বাংলাদেশে কোনো স্বৈরাচার স্থায়ী হতে পারেনি, আগামীতেও যদি কেউ চেষ্টা করে স্থায়ী হতে পারবে না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫৬

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৩৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৩৪

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫৬