বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

সবাই প্রধানমন্ত্রীকে ভুল বোঝায়, আমরা যেন ওই ট্র্যাপে আর না পড়ি : রুমিন ফারহানা

ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারাহানা বলেছেন, ‘বাংলাদেশ কিন্তু দীর্ঘ সময় প্রধানমন্ত্রীকে ঈশ্বর বানানোর প্রকল্প দেখেছে। প্রধানমন্ত্রী কোনো ভুল করতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী ঈশ্বর। বাকিরা সবাই খুব দুষ্ট। সবাই প্রধানমন্ত্রীকে ভুল বোঝায়, সবাই প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে ভুল কাজ করায়, সবাই প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে ভুল কথা বলায়। আমরা যেন ওই ট্র্যাপে আর না পড়ি।’ বুধবার (১১ […]

নিউজ ডেস্ক

১২ মার্চ ২০২৬, ১১:৫২

ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারাহানা বলেছেন, ‘বাংলাদেশ কিন্তু দীর্ঘ সময় প্রধানমন্ত্রীকে ঈশ্বর বানানোর প্রকল্প দেখেছে। প্রধানমন্ত্রী কোনো ভুল করতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী ঈশ্বর। বাকিরা সবাই খুব দুষ্ট। সবাই প্রধানমন্ত্রীকে ভুল বোঝায়, সবাই প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে ভুল কাজ করায়, সবাই প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে ভুল কথা বলায়। আমরা যেন ওই ট্র্যাপে আর না পড়ি।’

বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ আয়োজিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫: নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

এতে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ও সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক রেহমান সোবহান, সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান, মানবাধিকার কর্মী খুশী কবির, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ব্যারিস্টার সারা হোসেন, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান প্রমুখ।

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, মানবাধিকারটা তখন লঙ্ঘিত হয় যখন আমরা কাউকে আকাশ থেকে হঠাৎ করে নিচে ফেলে দেই। আমাদের আসলে মাত্রাজ্ঞানের বড় সমস্যা আছে সব পক্ষেই। আমরা মানুষকে হয় ঈশ্বর বানাই না হলে শয়তান বানাই।

মানুষ কিন্তু ঈশ্বরও না শয়তানও না, মানুষ দোষে-গুণে মানুষ। আর প্রধানমন্ত্রীর ইটস অ্যান অফিস, লেটস ডিল ইট প্রফেশনালি তাই না? আমার মনে হয় তাহলেই দেশে ভারসাম্য থাকবে এবং সকলেরই তাতে মঙ্গল হবে।

তিনি বলেন, আমি একজন নাগরিক হিসেবে, আইন প্রণেতা হিসেবে এবং একজন ক্ষুদ্র আইনজীবী হিসেবে মনে করি, ১৩৩টি অধ্যাদেশকে সত্যি সত্যি আইন করার দরকার নেই। তবে এই যে অধ্যাদেশ নিয়ে আমরা এখন কথা বলছি, মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, এটিকে আইন করার প্রয়োজন আছে, শতভাগ প্রয়োজন আছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা এমন একটা সমাজে, এমন একটা রাষ্ট্রে, এমন একটা সময়ে বাস করছি যেই সময়ে বাংলাদেশে নারী, ধর্মীয়ভাবে সংখ্যালঘু, আহমদিয়া সম্প্রদায়, আদিবাসী জনগোষ্ঠী, শ্রমজীবী মানুষ, তাদের প্রত্যেকের নাগরিক অধিকার অত্যন্ত সংকুচিত এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেটা হুমকির মুখে।

আপনারা জানেন বম সম্প্রদায়ের কিছু মানুষকে ৭০০ দিনের ওপরে কারাগারে রাখা হয়েছে, কোনো বিচার হয়নি, তাদের জামিন হচ্ছে না। আমরা আসলে তাদের ভবিষ্যতের ব্যাপারে জানি না।

রুমিন ফারাহানা বলেন, গত দুই দিন আগে আমি গণমাধ্যমে দেখলাম মধুপুরে আদিবাসী সম্প্রদায়কে উচ্ছেদ করার জন্য তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। একটা ব্যবসায়িক ব্যাপার আছে সেখানে, জমির ব্যাপার আছে।

আপনারা সবাই জানেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ কিন্তু দলিলের ওপর থাকেন না। উনাদের জমির অধিকার কিন্তু বংশপরম্পরায়, শত শত বছর ধরে তারা ওখানে থাকেন, তারা ওখানেই জন্মায়, ওখানেই বেড়ে ওঠে, ওখানেই তাদের জীবন পার করে দেয়। তাদের কাছে দলিল থাকবার কোনো কারণ নেই। কিন্তু তারপরও আমরা দেখেছি রাষ্ট্রের নির্মমতা।

রাজনৈতিক দলে নারীর কম উপস্থিতি নিয়ে কটাক্ষ করে রুমিন ফারাহানা বলেন, ‘আমরা দেখেছি নারীদের ওপর সহিংসতা, এটাতো আর বলার অপেক্ষা রাখে না, তাই না? আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো এতো নারীবান্ধব যে একটি দল শূন্য শতাংশ, আর আরেকটি দল ৩ শতাংশ। চমৎকার নারীবান্ধব বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো।’

তিনি বলেন, ‘এতো চমৎকার পরিবেশে আমরা কাজ করি। আমি একজন শ্রমজীবী মানুষ, আমি একজন নারী এবং নানাভাবেই আমি নিজেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত মনে করি। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে আমার মতো, আমাদের মতো, আপনাদের মতো সাধারণ মানুষের কষ্টের, সমস্যার, বিপদের জায়গাগুলো যদি রাষ্ট্র সুরক্ষা দিতে না পারে, তাহলে সরকার আসবে সরকার যাবে কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবনের কোনো পরিবর্তন হবে না।’

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫০

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২২১

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২২১

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২২১