রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জুলাইয়ের হারিয়ে যাওয়া নারী কণ্ঠস্বর খুঁজে বের করবো : নাহিদ ইসলাম

ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সারাদেশের জুলাইয়ের যে সব নারী কণ্ঠস্বর হারিয়ে গিয়েছে আমরা তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করবো। তিনি বলেন, আমাদের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বড় একটি স্টেকহোল্ডার হচ্ছে নারীরা। ফলে সেই জায়গায় আমাদের ওপরে এটা দায়িত্ব আসে। সারা দেশের জুলাইয়ের যে সব কণ্ঠস্বর, নারী কণ্ঠস্বর হারিয়ে গিয়েছে। আমরা তাদের […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ মার্চ ২০২৬, ১৪:২৭

ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সারাদেশের জুলাইয়ের যে সব নারী কণ্ঠস্বর হারিয়ে গিয়েছে আমরা তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করবো।

তিনি বলেন, আমাদের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বড় একটি স্টেকহোল্ডার হচ্ছে নারীরা। ফলে সেই জায়গায় আমাদের ওপরে এটা দায়িত্ব আসে। সারা দেশের জুলাইয়ের যে সব কণ্ঠস্বর, নারী কণ্ঠস্বর হারিয়ে গিয়েছে। আমরা তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করবো।

জাতীয় নারী শক্তি সেটা চেষ্টা করবে। তারা রাজনীতি করুক বা না করুক, দেশ পরিবর্তনের মর্যাদা এবং বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় সেই জায়গাটা তাদের কণ্ঠগুলো আমরা তাদের কথাগুলো যাতে শুনি এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করি।

রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় নারী শক্তির আত্মপ্রকাশ প্রকাশ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আমাদের সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে তা হলো-জুলাই আন্দোলনের সেই নারীরা এখন কোথায়? যারা রাজপথে সক্রিয়ভাবে আন্দোলনে ছিলেন, পরবর্তীতে রাজনীতির মাঠে তাদের সেই হারে দেখা যাচ্ছে না কেন? আন্দোলনের নেতৃত্ব হিসেবে এর দায় আমাদের ওপর কতটুকু বর্তায়, সেটিও একটি বড় প্রশ্ন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। এটি বাস্তবতা যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যেসব নারী রাজপথে নেমে এসেছিলেন, তাদের সবাই পরবর্তীতে সক্রিয় রাজনীতিতে অংশ নেননি।

বড় একটি অংশকে আমরা রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে হারিয়ে ফেলেছি। তবে আমরা যখন জুলাই পদযাত্রায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়েছি, তখন আন্দোলনকারী সেই সব নারী ও বোনদের সঙ্গে আমাদের দেখা হয়েছে। তাদের মাঝে পরিবর্তনের গভীর আকাঙ্ক্ষা এবং নিজেদের মতামত প্রকাশের প্রবল ইচ্ছা থাকলেও নানা পারিপার্শ্বিক বাস্তবতার কারণে তারা তা পেরে ওঠেননি।

নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে নারীদের লক্ষ্য করে অনলাইন বা সাইবার বুলিংয়ের প্রবণতা অনেক বেড়ে গেছে। বিশেষ করে যে সব নারী রাজনৈতিকভাবে নিজেদের কণ্ঠস্বর জোরালো করার চেষ্টা করছেন, তাদের এমনভাবে টার্গেট করা হচ্ছে যে তারা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন। এই পরিস্থিতির কারণে ছাত্র আন্দোলনের অনেক নারীই রাজনীতি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

এছাড়া সাংগঠনিকভাবে হয়ত আমরাও নারীদের জন্য সেই কাঙ্ক্ষিত স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারিনি। সাইবার জগতের এই বিষাক্ত প্রভাব এতটাই তীব্র ছিল যে, আমাদের একজন নারী কর্মী নির্বাচনের আগে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছিলেন। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁকে ভয়াবহভাবে সাইবার বুলিং করা হয়।

হয়ত তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে আরও অনেক কারণ থাকতে পারে, কিন্তু ওই ঘটনাটি তাঁকে এতটাই মানসিকভাবে আঘাত করেছিল যে তিনি আত্মহননের পথ বেছে নেন। ঢাকা শহরেই যদি নারীদের এমন চাপ সহ্য করতে হয়, তবে ঢাকার বাইরের পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ তা সহজেই অনুমেয়।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, যে কোনো নির্বাচনের পরেই হঠাৎ করেই যেন নারীদের প্রতি সহিংসতা বেড়ে যায়। আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাবো দৃঢ়ভাবে কঠোরভাবে এটা বন্ধ করার জন্য এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। কারণ বিচারহীনতা সংস্কৃতি থেকেই সমাজে এই জিনিসগুলো বাড়তে থাকে।

তিনি বলেন, আমরা হাতিয়ার ঘটনা দেখেছি। আরও বিভিন্ন জায়গায় দেখেছি এবং যে কোনো পাওয়ার শিফটিংয়ের সঙ্গে সঙ্গেই নারীদের প্রতি সহিংসতা হঠাৎ করেই সমাজে বেড়ে যায়। এটা নিজের দলকেও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং দল মত যেই হোক না কেন অপরাধী যেই হোক না কেন তাকে বিচার আওতায় আনতে হবে। সরকারের প্রতি সেই আহ্বান আমাদের থাকবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেত্রী নুসরাত, ঝুমা, জায়মা, মনিরা শারমিন প্রমুখ।

অনুষ্ঠান শেষে জাতীয় নারীশক্তি আত্মপ্রকাশ ঘোষণা করেন নাহিদ ইসলাম। এ সময় জাতীয় নারীশক্তির মুখ্য সংগঠক হিসেবে নুসরাত তাবাসসুম, সদস্য সচিব হিসেবে ডা. মাহমুদ আলম মিতু ও আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের নাম নাম ঘোষণা করা হয়।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৪

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৪

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৪