বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় মুখপাত্র উমামা ফাতেমা বলেছেন, নতুন সরকারের যাত্রা শুরু করতে হবে নতুন রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে। বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে বহাল রাখার কোনো যৌক্তিকতা নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, “২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যখন ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে বিতাড়িত করা হয়, ওই সময় রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুরও বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা ছিল। গ্রেফতার হওয়ার কথা ছিল। তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত হওয়ার কথা ছিল। অভ্যুত্থানের পর দয়া করে রাষ্ট্রপতিকে বহাল রাখা হয়েছে।”
উমামা ফাতেমা আরও বলেন, “দেশে এখন নির্বাচিত সরকার এসেছে। তাই পুরোনো রাষ্ট্রপতিকে পুনর্বহাল রাখার কোনো মানে নেই। নতুন সরকার তাদের যাত্রাটা শুরু করতে হবে নতুন রাষ্ট্রপতি দিয়ে। আমরা শুনেছি বর্তমান সরকার রাষ্ট্রপতি পরিবর্তনের কথা ভাবছে। আমরা আশা করি না আওয়ামী লীগ সরকারের ‘লেঞ্জা’ নিয়ে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হোক। নতুন সংসদে অধিবেশন হলে নতুন স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার এবং নতুন রাষ্ট্রপতির মধ্য দিয়ে হোক।”
এ মন্তব্যগুলো তিনি সম্প্রতি ‘গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে করেছেন।
প্রেক্ষাপটে উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে বহাল রাখা হয়েছিল। কিন্তু নতুন নির্বাচিত সরকার (বিএনপি জোট নেতৃত্বাধীন) গঠিত হওয়ার পর রাষ্ট্রপতি পরিবর্তনের দাবি উঠেছে ছাত্র-জনতা ও রাজনৈতিক মহলে।
উমামা ফাতেমা জোর দিয়ে বলেন, পুরোনো ব্যবস্থা ও পুরোনো সরকারের কোনো অংশ নিয়ে নতুন বাংলাদেশ দেখতে চান না তারা।