আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অতীতের বিতর্কিত ভূমিকা থেকে বেরিয়ে পুলিশ সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবে এবং একটি ইতিবাচক উদাহরণ সৃষ্টি করবে বলে জানিয়েছেন শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পুলিশের নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত এ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও জবাব দেন তিনি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে প্রবেশের চেষ্টা হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব দর্শক হয়ে থাকতে পারে না। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত শুক্রবার লাঠি হাতে আন্দোলনকারীদের প্রতিহত করার অভিযোগের বিষয়েও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ১০ থেকে ২০ জন লোক যদি রাস্তা অবরোধ করে জনভোগান্তি সৃষ্টি করে, তাহলে তাদের প্রতিহত করতেই হবে। প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন এলাকায় যেকোনো ধরনের আন্দোলন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনের ঠিক আগে এ ধরনের আন্দোলন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই মনে করা হচ্ছে।
নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিস্তারিত তুলে ধরে শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, রাজধানীতে মোট ২ হাজার ১৩১টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ১৪টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে প্রতিটি কেন্দ্রে চারজন করে পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া ৩৭টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, এসব কেন্দ্রে সাতজন করে পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে।
নির্বাচন ঘিরে কোনো ধরনের নিরাপত্তা হুমকি নেই বলেও দাবি করেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, সাধারণ সময়ের তুলনায় এখন পরিস্থিতি আরও ভালো এবং রাজধানীতে একটি চমৎকার ও শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে।