আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোটের তফসিল ঘোষণার ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। তিনি বলেন, এই ঘটনাটি তার কাছে অত্যন্ত দুঃখজনক এবং অপ্রত্যাশিত মনে হয়েছে।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে এক বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সিইসি। বৈঠকের শুরুতেই তিনি বলেন, “এই ঘটনাটা আমার কাছে মনে হয়েছে—আমার মাথার ওপর বাজ পড়েছে। আগের দিন তফসিল ঘোষণা করলাম, আর পরের দিনই এমন একটি ঘটনা ঘটল।”
নির্বাচন কমিশনের সভাকক্ষে বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে তফসিল ঘোষণার পর উদ্ভূত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং প্রয়োজনীয় করণীয় নির্ধারণ করা হয়। এর আগে ইসি সচিবালয়ের উপ-সচিব (নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখা) মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়, ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণার পর দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্যই এই বৈঠক ডাকা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে জুমার নামাজ শেষে রিকশাযোগে ফেরার পথে রাজধানীর বিজয়নগরের কালভার্ট এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরিফ ওসমান হাদি। মোটরসাইকেল আরোহীরা খুব কাছ থেকে তার মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলি মাথার ডান পাশ দিয়ে ঢুকে বাম পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। এরপর হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পরিবারের সিদ্ধান্তে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন ঘোষণা করেন, আগামী ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর এমন সহিংস ঘটনা কমিশনের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয় বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্টরা।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোটের তফসিল ঘোষণার ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। তিনি বলেন, এই ঘটনাটি তার কাছে অত্যন্ত দুঃখজনক এবং অপ্রত্যাশিত মনে হয়েছে।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে এক বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সিইসি। বৈঠকের শুরুতেই তিনি বলেন, “এই ঘটনাটা আমার কাছে মনে হয়েছে—আমার মাথার ওপর বাজ পড়েছে। আগের দিন তফসিল ঘোষণা করলাম, আর পরের দিনই এমন একটি ঘটনা ঘটল।”
নির্বাচন কমিশনের সভাকক্ষে বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে তফসিল ঘোষণার পর উদ্ভূত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং প্রয়োজনীয় করণীয় নির্ধারণ করা হয়। এর আগে ইসি সচিবালয়ের উপ-সচিব (নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখা) মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়, ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণার পর দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্যই এই বৈঠক ডাকা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে জুমার নামাজ শেষে রিকশাযোগে ফেরার পথে রাজধানীর বিজয়নগরের কালভার্ট এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরিফ ওসমান হাদি। মোটরসাইকেল আরোহীরা খুব কাছ থেকে তার মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলি মাথার ডান পাশ দিয়ে ঢুকে বাম পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। এরপর হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পরিবারের সিদ্ধান্তে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন ঘোষণা করেন, আগামী ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর এমন সহিংস ঘটনা কমিশনের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয় বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্টরা।