ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পর কোনো ধরনের দাবি–দাওয়া, আন্দোলন বা সমাবেশের নামে রাস্তায় নেমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।
তিনি বলেন, “আমরা এখন নির্বাচনের মোডে আছি। তফসিল ঘোষণা হয়ে গেলে কোনো দাবি–দাওয়া বা আন্দোলনের নামে রাস্তায় নেমে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে দেওয়া হবে না। এসব কার্যক্রম খুব কঠোরভাবে দমন করা হবে।” তিনি জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজন করতে অন্তর্বর্তী সরকার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে।
প্রেস সচিব আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন নিয়ে নিজেদের প্রস্তুতি নেবে—এটি স্বাভাবিক; তবে তফসিলের পরে আন্দোলন বা চাপ প্রয়োগের নামে রাস্তায় নেমে অরাজকতা সৃষ্টির সুযোগ দেওয়া হবে না। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন আয়োজন নিশ্চিত করাই এখন সরকারের প্রধান অঙ্গীকার।
তিনি জানান, তফসিল ঘোষণার পর সম্পূর্ণ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনী দায়িত্বে মনোনিবেশ করবে। এ সময় কোনো রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা হয়েছে।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতোমধ্যে বিশেষ টহল, চেকপোস্ট ও নজরদারি বৃদ্ধি করেছে।
তফসিল পরবর্তী পরিস্থিতি যাতে শান্তিপূর্ণ থাকে এবং নির্বাচনের পরিবেশ যাতে অক্ষুণ্ণ থাকে—সেই লক্ষ্যেই সরকারের এই কঠোর বার্তা বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।