শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

খতমে নবুওয়ত সম্মেলনে বিএনপি-জামায়াতসহ রাজনৈতিক দলের নেতারা

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শনিবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলন, যেখানে বিএনপি ও জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত হয়েছেন। সকাল ৯টায় আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই ধর্মীয় সমাবেশ চলবে বেলা ২টা পর্যন্ত। এতে সৌদি আরব, ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের শীর্ষ আলেমরা অংশ নিচ্ছেন। এবারই প্রথম বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পরিসরে খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত […]

খতমে নবুওয়ত সম্মেলনে বিএনপি-জামায়াতসহ রাজনৈতিক দলের নেতারা

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৫ নভেম্বর ২০২৫, ১৩:০৭

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শনিবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলন, যেখানে বিএনপি ও জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত হয়েছেন। সকাল ৯টায় আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই ধর্মীয় সমাবেশ চলবে বেলা ২টা পর্যন্ত। এতে সৌদি আরব, ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের শীর্ষ আলেমরা অংশ নিচ্ছেন।

এবারই প্রথম বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পরিসরে খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা আয়োজন করেছে সম্মিলিত খতমে নবুওয়ত পরিষদ। সম্মেলন ঘিরে শনিবার ভোর থেকেই উপচে পড়া ভিড় দেখা যায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ পায়ে হেঁটে, বাসে, ট্রেনে এবং ব্যক্তিগত যানবাহনে সম্মেলনস্থলে পৌঁছান।

দুপুর ১২টার দিকে সম্মেলনে যোগ দিতে মঞ্চে উপস্থিত হন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। এর আগে মঞ্চে অবস্থান নেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মাওলানা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মালেকসহ দেশের শীর্ষ আলেম-ওলামা ও রাজনৈতিক নেতারা।

সম্মেলনে বিশ্বনন্দিত আলেমদের উপস্থিতিও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। পাকিস্তানের জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা ফজলুর রহমান, জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি মাওলানা মাহমুদ মাদানি, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া পাকিস্তানের মহাসচিব মাওলানা হানিফ জালন্দরি, ইন্টারন্যাশনাল খতমে নবুওয়ত মুভমেন্টের বিশ্ব নায়েবে আমির শায়খ আবদুর রউফ মাক্কি, পাকিস্তানের ইউসুফ বিন্নুরী টাউন মাদ্রাসার নায়েবে মুহতামিম ড. আহমাদ ইউসুফ বিন্নুরী, মাওলানা ইলিয়াস গুম্মান এবং মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শায়খ মুসআব নাবিল ইবরাহিমসহ অনেকে যোগ দিয়েছেন।

কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে আয়োজিত এই মহাসম্মেলনে সভাপতিত্ব করছেন সম্মিলিত খতমে নবুওয়ত পরিষদের আহ্বায়ক ও খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশের আমির, মধুপুরের পীর মাওলানা আবদুল হামিদ। আয়োজকদের মতে, লাখো মানুষের অংশগ্রহণে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান আজ এক ঐতিহাসিক ধর্মীয় মিলনমেলায় রূপ নিয়েছে।

জাতীয়

সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না : এডিসি জুয়েল

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।” সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব […]

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮:৫৯

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।”

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন এডিসি জুয়েল। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। কোনো ধরনের সন্ত্রাস, ভোট কারচুপি কিংবা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।

এডিসি জুয়েল আরও বলেন, নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্র থাকবে কড়া নজরদারিতে। পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। যারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কেউ কেউ এটিকে কঠোর বার্তা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ভাষা ব্যবহারের সমালোচনাও করছেন।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে আস্থা তৈরি করা এবং দুষ্কৃতকারীদের সতর্ক করা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হতে দেবে না বলেও তারা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

জাতীয়

থানার ওসি যেন মন্ত্রীকে ফোন না করে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যেকোনো মূল্যে কমান্ড চেইন বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। থানার ওসি যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন—এমন কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি কোনো ধরনের তদবির ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তাদের […]

থানার ওসি যেন মন্ত্রীকে ফোন না করে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০০:৩১

যেকোনো মূল্যে কমান্ড চেইন বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। থানার ওসি যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন—এমন কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি কোনো ধরনের তদবির ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

বৈঠকে উপস্থিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ঢাকার পুলিশ কমিশনার ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজিও অংশ নেন।

উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হন। পরে তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতে হবে। পুলিশের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা যাবে না। থানার ওসির ফোন যেন সরাসরি মন্ত্রীর কাছে না আসে। এসব বিষয়ে তিনি কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

গত ১৭ বছরের পুলিশি কার্যক্রমের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বৈঠকে মন্ত্রী জানান, অতীতে যা ঘটেছে, তা নিয়ে তিনি পেছনে ফিরতে চান না। তিনি নিজেও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। তবে সামনে এগিয়ে গিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হবে প্রধান লক্ষ্য। তিনি কাজের মূল্যায়নে বিশ্বাসী বলেও জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক কর্মকর্তা জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন কোনো ধরনের তদবির গ্রহণযোগ্য হবে না এবং দুর্নীতির ক্ষেত্রে শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করা হবে। বাহিনীর মধ্যে কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

এই কর্মকর্তা আরও জানান, সড়কে জনগণের ভোগান্তির বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, জনগণকে দুর্ভোগে ফেলে কোনো কর্মসূচি নেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে রাস্তার এক লেন চালু রেখে কর্মসূচি পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে বলে পুলিশকে তিনি নির্দেশ দেন।

জাতীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম এক পোশাক ব্যবসায়ী বসলেন কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নর পদে

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংক–এর গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন গভর্নর হিসেবে চার বছর মেয়াদে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মোস্তাকুর রহমান। বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছরের জন্য তাকে গভর্নর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং অন্য সব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০:৩৬

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংক–এর গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন গভর্নর হিসেবে চার বছর মেয়াদে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মোস্তাকুর রহমান। বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছরের জন্য তাকে গভর্নর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং অন্য সব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুর গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পান; দেড় বছর পর তার অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়।

১৯৬৬ সালে জন্ম নেওয়া মোস্তাকুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং আইসিএমএবি থেকে সিএমএ ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি বিজিএমইএ, রিহ্যাব ও ডিসিসিআইসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান হেরা সোয়েটারস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

বিশ্লেষকদের মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কার অব্যাহত রাখা তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।