বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা অর্ধশতাধিক পুলিশ কর্মকর্তার

ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার নির্দেশে সংঘটিত জুলাই গণহত্যার অন্যতম মাস্টার মাইন্ড ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ অর্ধশতাধিক পুলিশ কর্মকর্তা। তারা এখন কলকাতায় নিরাপদ আশ্রয়ে। শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদ টিকিয়ে রাখতে গুম, খুন, নির্যাতন, বিরোধী দল দমন-পীড়নসহ নানা ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত এসব পুলিশ কর্মকর্তা জুলাই বিপ্লবের পর ভারতে পালিয়ে গেছেন। হাবিবুর রহমানের পাশাপাশি […]

বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা অর্ধশতাধিক পুলিশ কর্মকর্তার

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬:৫৪

ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার নির্দেশে সংঘটিত জুলাই গণহত্যার অন্যতম মাস্টার মাইন্ড ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ অর্ধশতাধিক পুলিশ কর্মকর্তা। তারা এখন কলকাতায় নিরাপদ আশ্রয়ে।

শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদ টিকিয়ে রাখতে গুম, খুন, নির্যাতন, বিরোধী দল দমন-পীড়নসহ নানা ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত এসব পুলিশ কর্মকর্তা জুলাই বিপ্লবের পর ভারতে পালিয়ে গেছেন।

হাবিবুর রহমানের পাশাপাশি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়, ডিআইজি আনিসুর রহমান, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান, বহুল আলোচিত অতিরিক্ত ডিআইজি ‘র’-এর এজেন্ট প্রলয় কুমার জোয়ার্দারসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তা এখন কলকাতায় ঘাঁটি গেড়ে বসেছেন।

বর্তমানে তারা ভারতের ডিপ এস্টেটের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য নানামুখী পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছেন বলে নিরাপত্তা সূত্রগুলো আমার দেশকে জানিয়েছে। আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি দেশ ছেড়ে পালিয়ে কলকাতায় আশ্রয় নিয়েছেন শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত বেশ ক’জন আমলা ও সরকারি আইনজীবী। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের মতো শীর্ষ আমলারাও দেশ ছেড়ে পালিয়ে কলকাতায় আশ্রয় নিয়েছেন।

বাংলাদেশ থেকে জুলাই বিপ্লবের পর যেসব আওয়ামী লীগ নেতা, আমলা, পুলিশ ও সামরিক কর্মকর্তা এবং অন্যান্য পদস্থ কর্তাব্যক্তি কলকাতায় আশ্রয় নিয়েছেন, তাদের বিস্তারিত তথ্য সংবলিত একটি ডেটাবেস তৈরি করছে ভারতের ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (আইবি)।

গত ১০ আগস্ট পর্যন্ত ডেটাবেসে ৭৩৪ জনের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। ওই তালিকায় ৫০ জনেরও বেশি পুলিশ কর্মকর্তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ডেটাবেসে সংরক্ষিত এসব পুলিশ কর্মকর্তার পাশাপাশি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির যাবতীয় তথ্য এখন আমার দেশ-এর হাতে।

আমার দেশ-এর অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ডামি নির্বাচনের অন্যতম কারিগর সাবেক নির্বাচন কমিশনার আনিসুর রহমান দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি তার স্ত্রী সালমা সুলতানাকে নিয়ে অ্যাপার্টমেন্ট ১০২, গুলমহর, ৬০ মিডল্টন স্ট্রিট, কানকারিয়া এস্টেট, কলকাতাÑএই ঠিকানায় বসবাস করছেন।

তার বর্তমান বাংলাদেশি পাসপোর্ট নম্বর ডি-০০০১১৮৪১। তার ফোন নম্বর +৯১৯১৬৩৭৮৮৯৮০। শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদ টিকিয়ে রাখা এবং ডামি নির্বাচন অনুষ্ঠানের আরেক কারিগর সাবেক মুখ্য সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এখন কলকাতা সদরে অবস্থান করছেন। তিনি মুখ্য সচিবের আগে শেখ হাসিনার পিএস-১ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তার কাছে থাকা বর্তমান বাংলাদেশি পাসপোর্ট নম্বর ডিসি-৪০০৭৫৪১। তার ব্যবহৃত ফোন নম্বর +৯১৮৪১৩৯৯৯২৩৫।

চব্বিশের ডামি ভোটের ৬ মাস আগে চুক্তিভিত্তিক নিয়োপ্রাপ্ত তোফাজ্জল হোসেন নির্বাচনে ‘বিশেষ ভূমিকা’ পালনের পুরষ্কারসরূপ শেখ হাসিনা তার চুক্তির মেয়াদ আরো এক বছর বৃদ্ধি করে। কোটা সংস্কার ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থীদের ওপর দমন-পীড়ন ও হত্যাকাণ্ডে শেখ হাসিনার অন্যতম সহযোগী হিসেবে তিনি নীতিনির্ধারণী ভূমিকা পালন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

শেখ হাসিনার পতনের পর গত বছরের ৭ আগষ্ট মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করে সরকার।

শেখ হাসিনার সাবেক সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন এখন কলকাতা সদরে অবস্থান করছেন। এর আগে তিনি প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-১ ও ঢাকার ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ৫ আগস্টের পর পাল্টা ক্যু করতে বেশ কয়েকজন আমলাদের নিয়ে তিনি গোপন বৈঠক করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

তবে সুবিধা করতে না পারায় ভারতে পালিনে যান। তার কাছে থাকা বাংলাদেশি পাসপোর্ট নম্বর ডি-০০০১৩৪৭০। তার কলকাতার ফোন নম্বর +৯১৬৯০৯২২৫১০৬।

বহুল আলোচিত দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল এখন কলকাতার অভিজাত এলাকা ১৩৩০/৫ ইই ব্লক, সল্ট লেক, কলকাতাÑএই ঠিকানায় থাকছেন। কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি এবং অর্থপাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত পিলখানা হত্যা মামলার এই সরকারি আইনজীবীর কাছে থাকা বাংলাদেশি পাসপোর্ট নম্বর এ-১৫৭২৮৩৫২। তার ব্যবহৃত ফোন নম্বর ০১৭১১৫২২৭০৮।

শেখ হাসিনার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সাবেক সচিব মো. রাশিদুল আলম ৫ আগস্টের পর সস্ত্রীক দেশ থেকে পালিয়ে কলকাতায় আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফের বড় ভাই। তিনি আওয়ামী লীগকে নির্বাচনী বৈতরনী পার করার ক্ষেত্রে অনুঘটক হিসেবে কাজ করছেন।

তিনি প্রথমে এইচটি ইমামের সেকেন্ডম্যান হিসেবে কাজ করলেও তার মৃত্যুর পর আওয়ামী লীগের নির্বাচন সংক্রান্ত মুল দায়িত্ব পালন করতেন সাবেক এই আমলা। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য রাশিদুল আলম দলের নির্বাচনী বোর্ডেও সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তার কাছে থাকা বাংলাদেশি পাসপোর্ট নম্বর এ-০০১৩১২৮৪। তার বর্তমান ফোন নম্বর +৬০১৮৯৭৬০৪৯৩। সাবেক এই আমলা বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির সভাপতি।

জুলাই গণহত্যার অন্যতম প্রধান হোতা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান তার স্ত্রী সামসুন্নাহার এবং ছেলে আফতান আফিফ আব্দুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন। তিনি এখন কলকাতা সদরে অবস্থান করছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, হাবিবুর রহমান কলকাতায় বসে ভারতের ডিপ স্টেটের সঙ্গে মিলে নানা ধরনের বাংলাদেশবিরোধী তৎপতায় লিপ্ত।

আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের পাশাপাশি নাশকতার মাধ্যমে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন তিনি। জুলাই গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। খুনি এই সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার কাছে থাকা বাংলাদেশি পাসপোর্ট নম্বর ই-০০০০৯৭৯২। কলকাতায় তার ব্যবহৃত ফোন নম্বর +১ (৭১৮) ৭৫৫৪২৫৫।

কোলকাতায় অবস্থানকারী অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন সিএমপির সাবেক কমিশনার (অতিরিক্ত আইজি) কৃষ্ণপদ রায়, পাসপোর্ট নম্বর ই০০১৫৩৭১৯, মোবাইল নম্বর +৯১৮৫৮২৮৪৬৮০৮; ডিআইজি মো: আনিসুর রহমান, পাসপোর্ট নম্বর ই০০১৫৩৯৪৪, মোবাইল নম্বর +৯১৮০১১৪৮৯৩৭০; রংপুর রেঞ্জের সাবেক কমিশনার ডিআইজি মনিরুজ্জামান, পাসপোর্ট নম্বর এ১৮১৭২৩৩২, মোবাইল নম্বর +৬৬৯৩৩২৫১২৪; অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ার্দার, পাসপোর্ট নম্বর ই০০১২৬৯৭, মোবাইল নম্বর +৮৮০১৮১৯২৭৫৫৫; অতিরিক্ত ডিআইজি সুদীপ কুমার চক্রবর্তী পাসপোর্ট নম্বর ই০০১৪০৯২৫, মোবাইল নম্বর +৯১৮৮৭৬৬৮০১৫ এবং অতিরিক্ত ডিআইজি রিফাত রহমান শামীম, পাসপোর্ট নম্বর বিজি০০৩৭৬২৬, মোবাইল নম্বর +৮৮০১৮৭৪৫৫০৫।

এসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের মধ্যে পালিয়ে যারা ভারতে অবস্থান করছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- আসাদুজ্জামান, পাসপোর্ট নম্বর ই০০১৩১০০৮, মোবাইল নম্বর +৮৮০১৭১৬০৬৪৩৩৮; গোলাম মোস্তফা রাসেল তার পাসপোর্ট নম্বর ই০০০৫০২২৭, মোবাইল নম্বর +৬৫৮৪৬৪৭৫৯২; মো: শাহজাহান পাসপোর্ট নম্বর ই০০১৫৭৬৫৬, মোবাইল নম্বর +৪৪৭৯৪৭৩২৬১৮০, আরিফুর রহমান মন্ডল, মুহম্মদ সানোয়ার হোসেন এবং হাসান আরাফাত।

অতিরিক্ত এসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন মো. মাসুদুর রহমান, এস এম শামীম, শাহনূর আলম পাটোয়ারী, হাসানুজ্জামান মোল্লা, শাহ আলম মো. আক্তারুল, রাজন কুমার দাস, মো: রাশেদুল ইসলাম ও এডিসি ইফতেখারুল ইসলাম।

কোলকাতায় রয়েছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ভাই সহকারী পুলিশ সুপার গোলাম রুহানী ও এএসপি মুহম্মদ ইমরুল।

এছাড়া পুলিশের পরিদর্শকদের মধ্যে জাকির হোসেন, মো. ওবায়দুল হক মামুন, কাজী মঈনুল ইসলাম, অপূর্ব হাসান, মোহাম্মদ মহসিন, শামসুল হক, তানভীর আহমেদ, আশীষ কুমার দেব, ও মো. মশিউর রহমান। উপ পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম ভূইঁয়া, মোহাম্মদ সোহেল ও শেখ মো: জাবেদ মিয়া এখন দেশ ছেড়ে পালিয়ে কোলকাতায় অবস্থান করছেন।

পলাতক এসব কর্মকর্তাদের বেশিরভাগকে সরকার সাময়িক বরখাস্ত করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা চলমান রয়েছে। এদিকে কৃষ্ণপদসহ কয়েকজনকে ৫ আগস্টের পরে বাধ্যতামুলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।

জাতীয়

সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না : এডিসি জুয়েল

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।” সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব […]

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮:৫৯

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।”

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন এডিসি জুয়েল। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। কোনো ধরনের সন্ত্রাস, ভোট কারচুপি কিংবা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।

এডিসি জুয়েল আরও বলেন, নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্র থাকবে কড়া নজরদারিতে। পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। যারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কেউ কেউ এটিকে কঠোর বার্তা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ভাষা ব্যবহারের সমালোচনাও করছেন।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে আস্থা তৈরি করা এবং দুষ্কৃতকারীদের সতর্ক করা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হতে দেবে না বলেও তারা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

জাতীয়

আওয়ামী লীগ আমলের নিয়োগ: তদন্তের মুখে পুলিশ বাহিনীর সাড়ে ৯ হাজার নিয়োগ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ পাওয়া সাড়ে নয় হাজারের বেশি সদস্যের নিয়োগপ্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তাঁদের নিয়োগ যাচাই-বাছাই করে তদন্তের জন্য পুলিশ সদর দপ্তরকে ইতিমধ্যে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এই পুলিশ সদস্যদের মধ্যে দেড় হাজারজন উপপরিদর্শক (এসআই) পদে এবং কনস্টেবল পদে আট হাজারের বেশি নিয়োগ পেয়েছিলেন। তাঁরা গোপালগঞ্জসহ বৃহত্তর […]

আওয়ামী লীগ আমলের নিয়োগ: তদন্তের মুখে পুলিশ বাহিনীর সাড়ে ৯ হাজার নিয়োগ

আওয়ামী লীগ আমলের নিয়োগ: তদন্তের মুখে পুলিশ বাহিনীর সাড়ে ৯ হাজার নিয়োগ

নিউজ ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৭

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ পাওয়া সাড়ে নয় হাজারের বেশি সদস্যের নিয়োগপ্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তাঁদের নিয়োগ যাচাই-বাছাই করে তদন্তের জন্য পুলিশ সদর দপ্তরকে ইতিমধ্যে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

এই পুলিশ সদস্যদের মধ্যে দেড় হাজারজন উপপরিদর্শক (এসআই) পদে এবং কনস্টেবল পদে আট হাজারের বেশি নিয়োগ পেয়েছিলেন। তাঁরা গোপালগঞ্জসহ বৃহত্তর ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুরের বাসিন্দা। অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের অনেকে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী অথবা দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্য।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জেলা কোটা লঙ্ঘন এবং স্থায়ী ঠিকানার তথ্য গোপন করে রাজনৈতিক প্রভাবে অনিয়মের মাধ্যমে এসব উপপরিদর্শক ও কনস্টেবলকে নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পুলিশ সদর দপ্তর এসব নিয়োগ যাচাই-বাছাই করবে। অসংগতি পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিগত সরকারের (আওয়ামী লীগ সরকার) আমলে পুলিশের নিয়োগে বিভিন্ন পর্যায়ে জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। অনেকে স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করে ও অনিয়মের মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন। বিষয়গুলো তদন্তের জন্য পুলিশ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তদন্তে যেন কারও প্রতি অন্যায় বা জুলুম করা না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের অনিয়ম করার সাহস কেউ না পায়, সে লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখার একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর দ্বিতীয় বৈঠকেই পুলিশের এসব নিয়োগপ্রক্রিয়া যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছেন। এই তদন্ত করবে মূলত পুলিশ সদর দপ্তর এবং এ বিষয়ে যেকোনো সহায়তা দেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ঠিকানা পরিবর্তন, কোটা জালিয়াতি এবং ‘ছাত্রলীগ কোটা’ থেকে সরাসরি নিয়োগ পাওয়া এক হাজার ২১৭ জনসহ নানা অনিয়মের মাধ্যমে অন্তত দেড় হাজার উপপরিদর্শক ও আট হাজারের বেশি কনস্টেবলের নিয়োগপ্রক্রিয়া পুনরায় যাচাই-বাছাই করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

সূত্র বলেছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে সারা দেশে পুলিশ বাহিনীতে প্রায় ৪৫ হাজার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে উপপরিদর্শক অন্তত ১০ হাজার ও কনস্টেবল পর্যায়ে ৩৫ হাজার।

বিএনপি ও সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার দলীয় লোকজনকে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ দিয়েছে। পুলিশকে দলীয়করণের মাধ্যমে রাজনৈতিক কাজে অর্থাৎ বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের ধরপাকড়, গুম, হত্যা, নির্যাতন ও দমন-পীড়নে ব্যবহার করেছে।

পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, কনস্টেবল নিয়োগের ক্ষেত্রে জেলাভিত্তিক কোটা থাকলেও তা লঙ্ঘন করে গোপালগঞ্জসহ বৃহত্তর ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ ও মাদারীপুরের বিপুলসংখ্যক লোক নিয়োগ করা হয়। এসব অঞ্চলে কোটার ৩ গুণেরও বেশি লোক নিয়োগ দেওয়া হয়। বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চল থেকে ১০ হাজার এবং কিশোরগঞ্জ থেকে ৭ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়। শুধু গোপালগঞ্জ জেলা থেকেই নিয়োগ পান ৮ হাজার জন। মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলা থেকেও বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়।

এর বাইরে ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা সাজিয়ে এক হাজার লোককে কনস্টেবল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই নিয়োগ হয় ২০১১ সাল থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে। ভুয়া জমির দলিল ও জাল নাগরিক সনদের ভিত্তিতে অন্য জেলার লোকদের ধামরাই উপজেলার বাসিন্দা দেখিয়ে কনস্টেবল পদে নিয়োগের ব্যবস্থা করে পুলিশের ভেতরের আওয়ামী লীগপন্থী একটি চক্র।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কনস্টেবলদের মতো উপপরিদর্শক পদে আট ব্যাচের নিয়োগেও জেলা কোটা মানা হয়নি। গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও মাদারীপুরের প্রার্থীদের বেশি নিয়োগ দেওয়া হয়। অন্য জেলার নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছিল আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং দলীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত পরিবারের সদস্যদের।

উপপরিদর্শক নিয়োগ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০১২ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত আটটি (৩৩তম থেকে ৪০তম) ব্যাচে অন্তত ১০ হাজার উপপরিদর্শক নিয়োগ করা হয়। ২০১৮ সালে সরকারি চাকরিতে নিয়োগে কোটা বাতিলের পরিপত্র জারির আগপর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা, জেলা, নারী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধী—এই পাঁচ ক্যাটাগরিতে মোট ৫৬ শতাংশ কোটা ছিল।

৩৬তম থেকে ৪০তম ব্যাচের নিয়োগ পর্যালোচনায় দেখা যায়, জেলা কোটা অনুযায়ী গোপালগঞ্জের শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ প্রার্থী নিয়োগের সুযোগ থাকলেও নিয়োগ পায় ৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ, যা সংখ্যায় ২৩২ জন। ফরিদপুরের ক্ষেত্রে ১ দশমিক ৩৩ শতাংশের সুযোগ থাকলেও নিয়োগ দেওয়া হয় ১৮৭ জনকে। শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ কোটার সুযোগ থাকা মাদারীপুর থেকে নিয়োগ পান ১৩৩ জন। এভাবে কোটা লঙ্ঘন করে ৫৫২ জন উপপরিদর্শক নিয়োগ করা হয়। এই ব্যাচগুলোতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া ৬৬৫ জন রয়েছেন। জনশ্রুতি রয়েছে, তাঁরা সরাসরি ছাত্রলীগ-সম্পৃক্ত কোটায় নিয়োগ পেয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই উপপরিদর্শকদের নিয়োগ দিয়ে মাঠে নামাতে নানা অনিয়ম করা হয়। দুই বছরের প্রশিক্ষণ কমিয়ে এক বছর করা হয়। লিখিত পরীক্ষা শেষে মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) নেওয়ার আগেই পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা হয়।

সার্বিক বিষয়ে সদ্য বিদায়ী পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) বাহারুল আলম বলেন, সচিবালয়ে এক বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিগত সময়ে অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া পুলিশ সদস্যদের নিয়োগপ্রক্রিয়া যাচাই-বাছাই করে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। কোনো ধরনের অসংগতি পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে মন্ত্রীর বার্তা পুলিশ সদর দপ্তরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠন করে নিয়োগ যাচাই-বাছাই করবে পুলিশ সদর দপ্তর।

পুলিশ সদর দপ্তরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৫ মার্চ এক অফিস আদেশে জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবলদের (টিআরসি) শনাক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টিও এতে জানানো হয়েছে। অতিরিক্ত ডিআইজি (রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড ক্যারিয়ার প্ল্যানিং-১) মো. আবু হাসানের সই করা ওই অফিস আদেশ দেশের সব জেলার পুলিশ সুপারদের পাঠানো হয়েছে।

জাতীয়

থানার ওসি যেন মন্ত্রীকে ফোন না করে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যেকোনো মূল্যে কমান্ড চেইন বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। থানার ওসি যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন—এমন কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি কোনো ধরনের তদবির ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তাদের […]

থানার ওসি যেন মন্ত্রীকে ফোন না করে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০০:৩১

যেকোনো মূল্যে কমান্ড চেইন বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। থানার ওসি যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন—এমন কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি কোনো ধরনের তদবির ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

বৈঠকে উপস্থিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ঢাকার পুলিশ কমিশনার ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজিও অংশ নেন।

উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হন। পরে তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতে হবে। পুলিশের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা যাবে না। থানার ওসির ফোন যেন সরাসরি মন্ত্রীর কাছে না আসে। এসব বিষয়ে তিনি কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

গত ১৭ বছরের পুলিশি কার্যক্রমের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বৈঠকে মন্ত্রী জানান, অতীতে যা ঘটেছে, তা নিয়ে তিনি পেছনে ফিরতে চান না। তিনি নিজেও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। তবে সামনে এগিয়ে গিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হবে প্রধান লক্ষ্য। তিনি কাজের মূল্যায়নে বিশ্বাসী বলেও জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক কর্মকর্তা জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন কোনো ধরনের তদবির গ্রহণযোগ্য হবে না এবং দুর্নীতির ক্ষেত্রে শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করা হবে। বাহিনীর মধ্যে কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

এই কর্মকর্তা আরও জানান, সড়কে জনগণের ভোগান্তির বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, জনগণকে দুর্ভোগে ফেলে কোনো কর্মসূচি নেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে রাস্তার এক লেন চালু রেখে কর্মসূচি পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে বলে পুলিশকে তিনি নির্দেশ দেন।