ফ্যাসিস্টের দোসররা দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে গুজব সৃষ্টির চেষ্টা করছে। প্রতিবেশী দেশ ও ফ্যাসিস্টের দোসররা ইউটিউব-ফেসবুকে মিথ্যা সংবাদ দিচ্ছে। সাংবাদিকদেরকে এসবের প্রতিবাদ করে প্রকৃত তথ্য সবার সামনে তুলে ধরতে হবে। গতকাল সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী একথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এবার দুর্গাপূজায় কোনো শঙ্কা নেই। অনেক ভালোভাবে উদযাপন হবে। কিছু ফ্যাসিস্টের দোসর তারা সব জায়গায় আছে, তারা পূজা কেন্দ্র করে গুজব সৃষ্টি করছে। আপনাদের সঠিক সংবাদ পরিবেশনে এরই মধ্যে দেশবাসী উপকৃত হয়েছে। না হলে পার্শ্ববর্তী দেশ ও ফ্যাসিস্টদের কিছু দোসর সব সময় একটা মিথ্যা সংবাদ ইউটিউব, ফেসবুকে দিয়ে দেয়।
পার্শ্ববর্তী দেশ ও ফ্যাসিস্টদের অপপ্রচার কেন্দ্র করে কোনো চ্যালেঞ্জ মনে করছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা সবচেয়ে বেশি আপনারা (সাংবাদিক) করতে পারেন। আমাদের থেকে এ ক্ষেত্রে আপনাদের শক্তি আরো বেশি। আমি অনুরোধ করবো এটা আপনারা মোকাবেলা করবেন।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভায় দুর্গাপূজায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিরোধ করে জনসম্মুখে সঠিক ও স্পষ্ট বার্তা দেয়ার জন্য সবাইকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এ বছর সারাদেশে পূজাম-পের সংখ্যা ৩৩ হাজার ৩৫৫টি। এটা গতবারের চেয়ে প্রায় এক হাজার বেশি। পূজার নিরাপত্তার স্বার্থে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। তারা দুই অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৯ দিন এ দায়িত্ব পালন করবেন।
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সারাদেশে ২৪টি বেসক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সারাদেশে বিজিবির ৪৩০ প্লাটুন কাজ করছে। এছাড়া প্রতিটি পূজাম-পে কমিটির সাতজন সদস্য পালাক্রমে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া নিরাপত্তায় স্বেচ্ছাসেবীদের এনটিএমসির অ্যাপের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়েছে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রায় ৮০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। পূজায় সারাদেশে ৭০ হাজারের মতো পুলিশ সদস্য কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।