সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেছেন, “এক মুজিব লোকান্তরে, লক্ষ মুজিব ঘরে ঘরে। যার প্রমাণ আজিজুর রহমান।” বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে মারধরের শিকার রিকশাচালক আজিজুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে বুধবার এ কথা বলেন তিনি।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে সাবেক মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ, আতিকুল ইসলাম এবং জুনায়েদ আহমেদ পলককে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে তাদের সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।
জুলাই আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুরে হোসেন নামে এক ট্রাকচালক নিহতের মামলায় পলককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সকাল ১০টা ২০ মিনিটে তিনজনকে হাতকড়া, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হেলমেট পরিয়ে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় এজলাসে তোলা হয়। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নে পলক আজিজুর রহমানকে উদ্দেশ করে তার মন্তব্য করেন।
আদালতে ওঠার কিছুক্ষণ পর প্রথমে ব্যবসায়ী ইশতিয়াক মাহমুদ হত্যাচেষ্টা মামলার শুনানি শুরু হয়। তদন্ত কর্মকর্তা উপস্থিত না থাকায় পরে পলকের মামলার শুনানি শুরু হয়। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে পলক বিচারকের উদ্দেশে জানতে চান— “ঘটনা কত তারিখের, আমি কত নম্বর আসামি এবং কেন এ মামলায় আমাকে গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে?”
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, তদন্তে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক আকতারুজ্জামান আদালতে বলেন, গত বছরের ১৯ জুলাই ট্রাকচালক হোসেন নিহত হন এবং এতে পলকের জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। এজন্য তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন এ আবেদনের পক্ষে শুনানি করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, নিহত হোসেনের মা রিনা বেগম গত বছরের ৩১ আগস্ট মামলা দায়ের করেছিলেন।