গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি থেকে লুট হওয়া প্রায় দেড় হাজার আগ্নেয়াস্ত্র এখনও উদ্ধার হয়নি বলে জানিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আশঙ্কা করছে, আগামী নির্বাচনের আগে এসব অস্ত্র উদ্ধার করতে না পারলে নির্বাচনী পরিস্থিতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
সোমবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-২ এর উপ-অধিনায়ক নাজমুল্লাহেল ওয়াদুদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, লুট হওয়া অস্ত্রগুলো ইতোমধ্যে কয়েক হাত বদল হয়ে অপরাধীদের কাছে চলে গেছে। এ কারণে উদ্ধার অভিযান জটিল হয়ে পড়েছে।
নির্বাচন ঘিরে কেউ কেউ পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
র্যাব কর্মকর্তার ভাষ্য, “লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চলছে। যদিও কাজটি কঠিন, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেভাবে তৎপর রয়েছে, আশা করছি অস্ত্রগুলো উদ্ধার সম্ভব হবে।”
তিনি আরও জানান, মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী বুনিয়া সোহেল ও চুয়া সেলিমকে একাধিকবার গ্রেপ্তার করা হলেও তারা জামিনে বেরিয়ে আবারও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে। এতে স্থানীয়ভাবে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত বছর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অনেক থানার পুলিশ সদস্য পালিয়ে যায়। তখনই কয়েকটি থানার অস্ত্রাগার থেকে আগ্নেয়াস্ত্র লুট হয়। এ পর্যন্ত কিছু অস্ত্র উদ্ধার হলেও প্রায় দেড় হাজার অস্ত্র এখনও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ফেরেনি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মতে, এসব অস্ত্র যত দ্রুত সম্ভব উদ্ধার না হলে নির্বাচনের সময় তা বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।