জুলাই গণহত্যার ঘটনায় জড়িত নির্দেশদাতাদের একটি বড় অংশের বিচার এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘জুলাই গণহত্যার বিচার, আলোচনা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শন’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানটি ছিল ‘জুলাই পুনর্জাগরণ’ সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠানমালার অংশ।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “জুলাই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারীরা বিভিন্ন সেক্টরে এখনো সক্রিয়। তাদের ছত্রচ্ছায়ায় খুনিরা পালিয়ে যেতে পেরেছে। যদি এই প্রভাব না থাকত, তাহলে অনেক আগেই বিচারের রায় কার্যকর হতো।”
তিনি আরও জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে আগামী ৩ আগস্ট থেকে। এ মামলাটিও চলমান বিচার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইন ও বিচার বিভাগের সচিব শেখ আবু তাহের। তিনি বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থান ছিল একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। এই ইতিহাস জাতিকে জানতে হবে, বিচার দেখে জাতিকে শিক্ষা নিতে হবে।”
অনুষ্ঠানে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে দোয়া করা হয় এবং মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানানো হয়।
এ সময় “ট্রায়াল অব জুলাই কার্নেজ” শীর্ষক একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়, যেখানে জুলাই হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনা, রাজনীতি এবং বিচার কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।