শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন ড. ইউনূস। এরপর তিনি থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।
পরে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান থাই প্রধানমন্ত্রী। এসময় দুই নেতা নিজেদের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এসময় তারা আঞ্চলিক উন্নয়নে পারস্পরিক সহায়তার কথা বলেন।
মুহাম্মদ ইউনূস শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও একই দিন হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠকে মিলিত হন। এসময় নিজেদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে একে অপরকে সহায়তার কথা বলেন দুই নেতা।
বিকেলে ড. ইউনূস মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে সাংগ্রিলার লবিতে হাটতে হাটতে বিভিন্ন ইস্যুতে কথা বলেছেন বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশের পুলিশ, র্যাব ও আনসারের ড্রেস নিয়ে আপনার মতামত কী?