শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

একের পর এক মিথ্যা তথ্যে জনগণকে বিভ্রান্তের চেষ্টা চলছে: প্রধান উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে একের পর এক মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চক্রান্ত চলছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ অভিযোগ করেন। ড. ইউনূস বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজবের মহোৎসব শুরু হয়েছে। দেশকে […]

একের পর এক মিথ্যা তথ্যে জনগণকে বিভ্রান্তের চেষ্টা চলছে: প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ মার্চ ২০২৫, ০০:৩৮

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে একের পর এক মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চক্রান্ত চলছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ অভিযোগ করেন।

ড. ইউনূস বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজবের মহোৎসব শুরু হয়েছে। দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে একের পর এক মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চলছে। এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়ানোর ষড়যন্ত্র করছে কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘এক ছবির সঙ্গে আরেকটি ছবি জুড়ে দেওয়া হচ্ছে, ভিন্ন ঘটনার ছবি ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ফটোকার্ড তৈরি করা হচ্ছে এবং এমনকি অন্য দেশের ঘটনাকে বাংলাদেশের ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে, এই ধরনের গুজব আরও ভয়ংকর আকার ধারণ করছে। কারা এসব অপপ্রচারের পেছনে কাজ করছে, তা কারও অজানা নয়। গুজবের মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা হচ্ছে এবং এটি সরাসরি দেশের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র।’

ড. ইউনূস জানান, ‘আমরা এই গুজব ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছি। জাতিসংঘ মহাসচিব এ বিষয়ে সহায়তা করার আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবহিত করেছি এবং আশা করছি তারা আমাদের সহায়তায় এগিয়ে আসবে।’

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম পর্ব সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং এর মধ্য দিয়ে অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হলো। আমাদের মনে রাখতে হবে, আমরা এক যুদ্ধাবস্থার মধ্যে আছি, যেখানে গুজব হলো পরাজিত শক্তির অন্যতম প্রধান অস্ত্র। যারা এই গুজব ছড়িয়ে দিতে ব্যস্ত, তারা দেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে চায়।’

তিনি জনগণকে গুজবের উৎস সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘গুজব দেখলেই এর উৎস খুঁজতে হবে। এটিকে অবহেলা করা যাবে না। গুজব ছড়ানোর কাজে দক্ষ ব্যক্তি ও বিপুল অর্থ নিয়োজিত রয়েছে, যার মূল লক্ষ্য হলো জুলাই অভ্যুত্থানকে ব্যর্থ করা। আমরা তাদের এই অপচেষ্টা সফল হতে দেব না।’

জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, ‘জনগণের এই ঐক্য পলাতক শক্তিকে বিচলিত করে তুলছে। তারা চায় এই ঐক্য ভেঙে দিতে। তাদের কৌশল এতটাই সূক্ষ্ম যে অনেক সময় বোঝাই যায় না, কখন তাদের খেলায় কেউ পুতুল হয়ে গেছেন। তাই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থেকে গুজব রুখতে হবে এবং ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিতে হবে।’

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ড. ইউনূসের এই ভাষণ দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং জাতীয় ঐক্য সংরক্ষণে একটি সুস্পষ্ট বার্তা প্রদান করেছে। পাশাপাশি, গুজবের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের মাধ্যমে সরকার তার শক্তিশালী অবস্থান তুলে ধরার চেষ্টা করছে। দেশের সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি সঠিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে কাজ করার পরামর্শ দেন।

ড. ইউনূসের এই ভাষণকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারের এই ধরনের সতর্কতা অবলম্বন ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে।

জাতীয়

হাদি হ/ত্যা/য় জড়িত প্রত্যেকের নাম উন্মোচন করে দেবো : ডিএমপি কমিশনার

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শেখ মো. সাজ্জাত আলী। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। ডিএমপি কমিশনার বলেন, এই হত্যাকাণ্ড একটি রহস্যজনক ঘটনা এবং এর পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত […]

হাদি হ/ত্যা/য় জড়িত প্রত্যেকের নাম উন্মোচন করে দেবো : ডিএমপি কমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৩৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শেখ মো. সাজ্জাত আলী।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, এই হত্যাকাণ্ড একটি রহস্যজনক ঘটনা এবং এর পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শনাক্ত করতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে যারা রয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের পরিচয় জনসম্মুখে আনা হবে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, হাদিকে গুলির ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্রগুলো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার জন্য সিআইডি-তে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ডিবি পুলিশ উদ্ধার করেছে।

হত্যাকাণ্ডে বিপুল অর্থ ব্যয়ের বিষয়টি উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার জানান, তদন্তে ২১৮ কোটি টাকার সই করা একটি চেক উদ্ধার করা হয়েছে, যা ঘটনার অর্থনৈতিক যোগসূত্র বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

তিনি বলেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যে, অর্থাৎ ৭ জানুয়ারির মধ্যেই এ মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে।

এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানসহ ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হাদির হত্যার বিচার দাবিতে শনিবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো শাহবাগে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে ইনকিলাব মঞ্চ। এর আগে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর ইনকিলাব মঞ্চ ও জুলাই মঞ্চের নেতাকর্মীসহ সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে এসে অবস্থান নেন। অবস্থান কর্মসূচি শুরু হলে এতে সমাজের নানা স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ দেখা যায়।

জাতীয়

সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না : এডিসি জুয়েল

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।” সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব […]

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮:৫৯

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।”

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন এডিসি জুয়েল। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। কোনো ধরনের সন্ত্রাস, ভোট কারচুপি কিংবা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।

এডিসি জুয়েল আরও বলেন, নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্র থাকবে কড়া নজরদারিতে। পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। যারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কেউ কেউ এটিকে কঠোর বার্তা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ভাষা ব্যবহারের সমালোচনাও করছেন।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে আস্থা তৈরি করা এবং দুষ্কৃতকারীদের সতর্ক করা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হতে দেবে না বলেও তারা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

জাতীয়

থানার ওসি যেন মন্ত্রীকে ফোন না করে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যেকোনো মূল্যে কমান্ড চেইন বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। থানার ওসি যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন—এমন কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি কোনো ধরনের তদবির ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তাদের […]

থানার ওসি যেন মন্ত্রীকে ফোন না করে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০০:৩১

যেকোনো মূল্যে কমান্ড চেইন বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। থানার ওসি যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন—এমন কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি কোনো ধরনের তদবির ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

বৈঠকে উপস্থিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ঢাকার পুলিশ কমিশনার ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজিও অংশ নেন।

উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হন। পরে তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতে হবে। পুলিশের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা যাবে না। থানার ওসির ফোন যেন সরাসরি মন্ত্রীর কাছে না আসে। এসব বিষয়ে তিনি কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

গত ১৭ বছরের পুলিশি কার্যক্রমের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বৈঠকে মন্ত্রী জানান, অতীতে যা ঘটেছে, তা নিয়ে তিনি পেছনে ফিরতে চান না। তিনি নিজেও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। তবে সামনে এগিয়ে গিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হবে প্রধান লক্ষ্য। তিনি কাজের মূল্যায়নে বিশ্বাসী বলেও জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক কর্মকর্তা জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন কোনো ধরনের তদবির গ্রহণযোগ্য হবে না এবং দুর্নীতির ক্ষেত্রে শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করা হবে। বাহিনীর মধ্যে কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

এই কর্মকর্তা আরও জানান, সড়কে জনগণের ভোগান্তির বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, জনগণকে দুর্ভোগে ফেলে কোনো কর্মসূচি নেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে রাস্তার এক লেন চালু রেখে কর্মসূচি পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে বলে পুলিশকে তিনি নির্দেশ দেন।