বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ও বাউফল উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, তারা কোনোভাবেই চাঁদাবাজির সংস্কৃতি মেনে নেবেন না। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “চাঁদা নেব না, চাঁদা দেব না।”
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টায় পটুয়াখালীর বাউফলের ধানদী কামিল মাদ্রাসা ময়দানে অনুষ্ঠিত এক তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে তিনি এই মন্তব্য করেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ও বাউফল উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ দৃঢ় কণ্ঠে বলেছেন, “চাঁদা নিতেও পারব না, চাঁদা দিতেও পারব না।”
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টায় পটুয়াখালীর বাউফলের ধানদী কামিল মাদ্রাসা ময়দানে আয়োজিত এক তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তার বক্তব্যে তিনি দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, দেশের তরুণরা যদি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জীবন দিতে পারে, তবে তারা চাঁদাবাজ, সুদখোর, ঘুষখোর ও দুর্নীতিবাজদের রুখতে জীবন দিতেও প্রস্তুত। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “আমরা চাঁদা নিতেও পারব না, চাঁদা দিতেও পারব না।”
তিনি আরও বলেন, “আগে ইব্রাহিম হতে হবে, পরে ইসমাইল। হযরত ইব্রাহিম (আ.) ও হযরত ইসমাইল (আ.) এর মতো সমন্বিত একটা বাংলাদেশ যখন হবে, সেই বাংলাদেশের নাম হবে সোনার বাংলাদেশ।”
তিনি আল্লাহভীতি ও ন্যায়ের প্রতি প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, “আল্লাহর সামনে যে দাঁড়ানোর প্রাক্টিস করে, তার পৃথিবীর কোনো বন্দুকের সামনে দাঁড়াতে ভয় থাকে না। আল্লাহর সামনে যে মাথা নত করতে দাঁড়ায়, সে চাঁদাবাজের সামনে মাথা নত করে না।”
তার বক্তব্য উপস্থিত জনতার মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার কঠোর অবস্থানকে অনেকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন।
তিনি এ সময় নিজ নির্বাচনী এলাকা পটুয়াখালী-২ (বাউফল) এর প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, আগাছা এবং ফসল নিয়ে একখণ্ড জমি কল্পনা করা হলে সেখানে একজন কৃষকের যেমন ভালো ফসল পাওয়া সম্ভব হয় না, তেমনি বাউফল নামক এই জমিতে যদি আগাছা মোকাবিলা করা না যায় তবে ভালো ফসল পাওয়া সম্ভব হবে না। আমাদের দেশ স্বাধীন হওয়ার ৫৩ বছরে কোনো মেম্বার, চেয়ারম্যান কিংবা অন্য কোনো জনপ্রতিনিধি দেওয়ার চেয়ে খেয়েছে বেশি। ওরা কেবল আমাদের হকই খায়নি, আল্লাহর হকও নষ্ট করেছে। আগামী দিনে আমাদের বাউফলের ইমাম হবেন একজন আল্লাহ ভীরু। যিনি হবেন একদিকে মসজিদের ইমাম, জানাজার নামাজের ইমাম একইসঙ্গে বাউফলেরও ইমাম।
তিনি আরও বলেন, রাসূলে করিম (সা.) এর আবির্ভাবের মধ্য দিয়ে শেষ জামানা শুরু হয়েছে। এই শেষ জামানায় আল্লাহ প্রেরিত মতবাদ ছাড়া আর কোনো মতবাদ দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে না। ইসলামের ভিত্তিতে আমাদের জীবন এবং রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হবে। কীভাবে জীবন, সমাজ এবং বঙ্গভবন চলবে এসব কথা ইসলামের মধ্যে আছে। পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধানের নামই হচ্ছে ইসলাম। একমাত্র জীবন বিধানের নামই হচ্ছে আল কোরআন।