শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র জাতির সামনে তুলে ধরা হবে: তদন্ত কমিশন প্রধান

পিলখানায় হত্যার ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিশন প্রধান ও বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) সাবেক মহাপরিচালক এ এল এম ফজলুর রহমান বলেছেন, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার সঙ্গে জড়িত দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকে জাতির সামনে তুলে ধরা হবে। কোনো রকম বা কারো দ্বারা প্রভাবিত হব না, যেহেতু এটা জাতীয় সমস্যা। হাজার বছরে এমন ঘটনা ঘটেনি যে অল্পসময়ে এত অবিচার ও এত মানুষ […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ১০:৪৮

পিলখানায় হত্যার ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিশন প্রধান ও বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) সাবেক মহাপরিচালক এ এল এম ফজলুর রহমান বলেছেন, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার সঙ্গে জড়িত দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকে জাতির সামনে তুলে ধরা হবে। কোনো রকম বা কারো দ্বারা প্রভাবিত হব না, যেহেতু এটা জাতীয় সমস্যা। হাজার বছরে এমন ঘটনা ঘটেনি যে অল্পসময়ে এত অবিচার ও এত মানুষ নিহত হয়েছেন।

আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে পিলখানার ভেতরে কমিশনের প্রথম মিটিং শেষে এসব কথা জানান তিনি।বিডিআরের সাবেক এ মহাপরিচালক বলেন, “আমি দেশবাসীকে জানাতে চাই, এই বিডিআর বিদ্রোহের পর যারা নির্যাতিত হয়েছেন, নিহত হয়েছেন, বঞ্চিত হয়েছেন সবকিছু আমরা নজরে নেব। পাশাপাশি অতি সহমর্মিতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে আমরা তাদের ক্ষত-নিরাময় করার চেষ্টা করব। আমাদের কাজ শেষে প্রশ্ন যেন না উঠতে পারে সেদিকে আমরা সজাগ থাকব।

তিনি আরও বলেন, “গণমাধ্যমের প্রতি আমি একটি অনুরোধ করতে চাই, আপনারা আমাদের বক্তব্য ইতিবাচকভাবে প্রচার করবেন। না হলে জাতীয় উদ্দেশ্য ব্যাহত হতে পারে। আজকে আমরা প্রথম মিটিং করলাম। আমরা পরিচিত হলাম। কীভাবে আমরা কাজ করব সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের কিছু চিঠি লিখতে হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি আমাদের সাচিবিক সুবিধা দিতে হবে। অফিস দিতে হবে। আজ আমরা বিজিবি মহাপরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তিনি আমাদের সাদরে গ্রহণ করেছেন। ৫-রাইফেল ব্যাটালিয়নের একটা অফিস আমাদের কাজ চালানোর জন্য দিয়েছেন।

বিডিআরের সাবেক ডিজি আরও বলেন, “আমরা কতগুলো বিষয় চিহ্নিত করেছি। এটা কিন্তু অন্য কমিশনের মতো নয়। এটা অন্যরকমের কমিশন। যেখানে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকে চিহ্নিত করতে আমাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমরা কিছু বাড়তি বিষয় চেয়েছি, যার মধ্যে আমরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক নিরাপত্তা, পরিবহন সুবিধা, সাচিবিক সুবিধা ও অফিস চেয়েছি। এই কমিশনের সভাপতির পদমর্যাদা হতে হবে একজন উপদেষ্টার সমান। কারণ তাকে দেশি-বিদেশি মানুষের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে।

তাই সমমর্যাদা থেকে যেন কাজ করতে পারি। পাশাপাশি কমিশনের অন্য সদস্যদের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকের মর্যাদা চেয়েছি। এই সবগুলো হলেই আমরা পরবর্তী মিটিং ও সাক্ষাৎকার নেওয়া শুরু করব। প্রতিটি মিটিং শেষে যে বিষয়গুলো জানানো উচিত সেগুলো আমরা দেশবাসীকে জানাব। আমরা কাউকে অন্ধকারে রেখে কাজ করতে চাই না।”

বিচার প্রক্রিয়া কী হবে জানতে চাইলে কমিশন প্রধান বলেন, “আমরা চারজন দেশি-বিদেশি আইন বিশেষজ্ঞকে সম্পৃক্ত করতে বলেছি। বাংলাদেশের একজন সিভিল আইন বিশেষজ্ঞ, সামরিক ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ একজন পেলে ভালো হয়। দুজনকে আমরা বাংলাদেশ থেকে যুক্ত করতে বলব। আর যেহেতু বিদেশি শক্তিকে শনাক্ত করতে হবে তাই বিষয়টা আন্তর্জাতিক হয়ে গেছে। তাই আমরা অপরাধ ও আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ দুজনকে যুক্ত করতে আবেদন দেব।

কমিশন গঠন করার পরপরই বিজিবির একজন সাবেক মহাপরিচালক দেশত্যাগের চেষ্টা করেছিলেন। এরকম আরও যারা আছেন, যারা বিডিআর বিদ্রোহের আগে ও পরে তদন্তসহ নানা কিছুতে জড়িত ছিলেন তাদের দেশত্যাগের বিষয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা দেবেন কি না- সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে ফজলুর রহমান বলেন, “আমরা কমিশনের সদস্যদের সঙ্গে আলাপ করব। যদি আমরা মনে করি, এই তদন্তের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে তাকে দেশে থাকতে হবে তাহলে আমরা সেই সিদ্ধান্ত নেব।

যেহেতু পিলখানা হত্যাকাণ্ডে দেশি-বিদেশি চক্রান্তের কথা বলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো দেশের সম্পৃক্ততা পেয়েছেন কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমরা আগে থেকে কোনো দেশকে শনাক্ত করতে চাই না। আমরা নিরপেক্ষ ও নির্মোহভাবে আগাতে চাই। সেটা করতে গিয়ে দালিলিক ও পারিপার্শ্বিক প্রমাণে যারা দায়ী হবেন তখন আমরা তাদের বিরুদ্ধে মতামত দেব।

যেহেতু দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের কথা বলা হয়েছে তার একটা অংশ আমাদের দেশের পার্টে যারা আছেন তারা এই কমিশনের জিজ্ঞাসার সম্মুখীন হবেন। পাশাপাশি আপনারা জানেন, ৫ই আগস্ট বিপ্লবের পর অনেকে দেশ থেকে পালিয়েছেন। তারা যেসব দেশে গেছেন সেসব দেশের সঙ্গে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যোগাযোগ করব। এরপর যদি না হয় তাহলে ওই দেশে টিম পাঠিয়ে বক্তব্য নিতে চেষ্টা করব।

সূত্রঃ পার্সটুডে

জাতীয়

সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না : এডিসি জুয়েল

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।” সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব […]

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮:৫৯

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।”

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন এডিসি জুয়েল। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। কোনো ধরনের সন্ত্রাস, ভোট কারচুপি কিংবা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।

এডিসি জুয়েল আরও বলেন, নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্র থাকবে কড়া নজরদারিতে। পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। যারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কেউ কেউ এটিকে কঠোর বার্তা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ভাষা ব্যবহারের সমালোচনাও করছেন।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে আস্থা তৈরি করা এবং দুষ্কৃতকারীদের সতর্ক করা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হতে দেবে না বলেও তারা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

জাতীয়

থানার ওসি যেন মন্ত্রীকে ফোন না করে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যেকোনো মূল্যে কমান্ড চেইন বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। থানার ওসি যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন—এমন কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি কোনো ধরনের তদবির ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তাদের […]

থানার ওসি যেন মন্ত্রীকে ফোন না করে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০০:৩১

যেকোনো মূল্যে কমান্ড চেইন বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। থানার ওসি যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন—এমন কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি কোনো ধরনের তদবির ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

বৈঠকে উপস্থিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ঢাকার পুলিশ কমিশনার ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজিও অংশ নেন।

উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হন। পরে তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতে হবে। পুলিশের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা যাবে না। থানার ওসির ফোন যেন সরাসরি মন্ত্রীর কাছে না আসে। এসব বিষয়ে তিনি কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

গত ১৭ বছরের পুলিশি কার্যক্রমের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বৈঠকে মন্ত্রী জানান, অতীতে যা ঘটেছে, তা নিয়ে তিনি পেছনে ফিরতে চান না। তিনি নিজেও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। তবে সামনে এগিয়ে গিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হবে প্রধান লক্ষ্য। তিনি কাজের মূল্যায়নে বিশ্বাসী বলেও জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক কর্মকর্তা জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন কোনো ধরনের তদবির গ্রহণযোগ্য হবে না এবং দুর্নীতির ক্ষেত্রে শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করা হবে। বাহিনীর মধ্যে কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

এই কর্মকর্তা আরও জানান, সড়কে জনগণের ভোগান্তির বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, জনগণকে দুর্ভোগে ফেলে কোনো কর্মসূচি নেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে রাস্তার এক লেন চালু রেখে কর্মসূচি পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে বলে পুলিশকে তিনি নির্দেশ দেন।

জাতীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম এক পোশাক ব্যবসায়ী বসলেন কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নর পদে

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংক–এর গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন গভর্নর হিসেবে চার বছর মেয়াদে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মোস্তাকুর রহমান। বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছরের জন্য তাকে গভর্নর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং অন্য সব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০:৩৬

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংক–এর গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন গভর্নর হিসেবে চার বছর মেয়াদে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মোস্তাকুর রহমান। বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছরের জন্য তাকে গভর্নর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং অন্য সব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুর গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পান; দেড় বছর পর তার অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়।

১৯৬৬ সালে জন্ম নেওয়া মোস্তাকুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং আইসিএমএবি থেকে সিএমএ ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি বিজিএমইএ, রিহ্যাব ও ডিসিসিআইসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান হেরা সোয়েটারস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

বিশ্লেষকদের মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কার অব্যাহত রাখা তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।