শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বিটিভির ডিজিটাল সম্প্রচার শিখতে তিন দেশে যাচ্ছেন ২১ কর্মকর্তা

বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) ডিজিটাল সম্প্রচার শিখতে ও যন্ত্রপাতি দেখতে ঠিকাদারের অর্থে ইংল্যান্ড, বেলজিয়াম এবং জার্মানি যাচ্ছেন ২১ কর্মকর্তা। ইতোমধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে তাদের নামে জিও (সরকারি আদেশ) জারি করা হয়েছে। ৪ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত ১৩ কর্মকর্তার জার্মানি ও বেলজিয়ামে ‘ফ্যাক্টরি ট্রেনিং’ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে জিওতে। ৩২৯ কোটি টাকা […]

বিটিভির ডিজিটাল সম্প্রচার শিখতে তিন দেশে যাচ্ছেন ২১ কর্মকর্তা

বিটিভির ডিজিটাল সম্প্রচার শিখতে তিন দেশে যাচ্ছেন ২১ কর্মকর্তা

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫২

বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) ডিজিটাল সম্প্রচার শিখতে ও যন্ত্রপাতি দেখতে ঠিকাদারের অর্থে ইংল্যান্ড, বেলজিয়াম এবং জার্মানি যাচ্ছেন ২১ কর্মকর্তা। ইতোমধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে তাদের নামে জিও (সরকারি আদেশ) জারি করা হয়েছে। ৪ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত ১৩ কর্মকর্তার জার্মানি ও বেলজিয়ামে ‘ফ্যাক্টরি ট্রেনিং’ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে জিওতে।

৩২৯ কোটি টাকা ব্যয়ে বিটিভির জন্য ডিজিটাল ট্রান্সমিটারসহ আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি পছন্দ করতে (প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশনে) আট কর্মকর্তা যাবেন ২৫ এপ্রিল। এ বিষয়ে জারি করা হয়েছে পৃথক আরেকটি জিও। ‘বাংলাদেশ টেলিভিশনের দেশব্যাপী ডিজিটাল টেরিস্ট্রিয়াল সম্প্রচার প্রবর্তন (প্রথম পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় তাদের এ ভ্রমণ। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং বিটিভি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এবং অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ইয়াসিন কর্মকর্তাদের ‘ফ্যাক্টরি ট্রেনিং’ অনুষ্ঠান উদ্বোধন ও পর্যবেক্ষণ করতে ৪ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত জার্মানি ও ইংল্যান্ড ভ্রমণ করবেন উল্লেখ করে পৃথক জিও জারি করা হয়। তবে যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় এ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী যাবেন না বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমার প্রোগ্রাম সূচিতে এমন কোনো কর্মসূচি নেই।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিটিভির প্রকৌশলী পর্যায়ের কেউ সফরে অন্তর্ভুক্ত হননি, উপসহকারী প্রকৌশলী পর্যায় থেকে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। পিএসআইতে (প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন) যাওয়া আট কর্মকর্তার মধ্যে পাঁচজনই বিটিভির বাইরের। তারা অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে প্রেষণে সাময়িকভাবে বিটিভিতে কর্মরত। মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার আশীর্বাদে তারা অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। বিটিভি থেকে যে তালিকা প্রস্তাব করা হয়েছিল, তাতে কাটছাঁট করে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারাও ওই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিশেষ ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। অনেকে ঠিকাদারের পক্ষ থেকে ‘প্লেজার ট্রিপ’ হিসেবে দেখছেন এটিকে। এতে স্বার্থের সংঘাত বা কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্টের, সে প্রশ্নও সামনে আসছে।

বিটিভির বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত এ প্রকল্প গ্রহণ করেছিলেন শেখ হাসিনার সরকারের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ২০১৮ সালে গৃহীত ২৬০ কোটি টাকার প্রকল্পটি দুর্নীতিগ্রস্ত প্রকল্পের তকমা পায়। বেলজিয়াম থেকে যন্ত্রপাতি কেনার ক্ষেত্রেও হাছান মাহমুদের সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০২৪ সালে প্রকল্প ব্যয় বাড়িয়ে ৩২৯ কোটিতে উন্নীত করা হয়। অভিযোগ ওঠায় ড. ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ক্রয় প্রক্রিয়া স্থগিত রাখে। পলাতক হাছান মাহমুদ এখন বেলজিয়ামে অবস্থান করছেন এবং সেখানে তার বাড়ি ও ব্যবসা থাকার বিষয়টি ইতোমধ্যে তদন্তে উঠে এসেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দুই পর্বে ২১ জনের সফরের পুরো ব্যয়ভার বহন করবে ‘বাংলাদেশ টেলিভিশনের দেশব্যাপী ডিজিটাল টেরিস্ট্রিয়াল সম্প্রচার প্রবর্তন (প্রথম পর্যায়) প্রকল্পের জন্য যন্ত্রপাতি প্রদানকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। যদিও জিওতে বলা হয়েছে, ‘আমন্ত্রণকারী সংস্থা’ যাওয়া-আসাসহ সব ধরনের ব্যয়ভার বহন করবে।

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের লুটপাটের প্রকল্প হিসেবে চিহ্নিত ‘বাংলাদেশ টেলিভিশনের দেশব্যাপী ডিজিটাল টেরিস্ট্রিয়াল সম্প্রচার প্রবর্তন’ প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছিল ২০১৮ সালের জুলাইয়ে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা ছিল। প্রকল্প প্রস্তাবনায় সারা দেশের বিটিভির রিলে স্টেশনগুলো ডিজিটালাইজ করা ও অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল সম্প্রচারে রূপান্তর এবং ক্রিস্টাল ক্লিয়ার পিকচার ও সাউন্ড সিস্টেম নিশ্চিতের কথা বলা হয়। এ প্রকল্পের অধীন বিভিন্ন পদে ২৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে দুই দফায় সময় ও প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ বাড়িয়েও এটি নিশ্চিত করা যায়নি। হাছান মাহমুদের হাত ধরে নয়ছয় শুরু

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হাছান মাহমুদ এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আসার পর প্রকল্পটিকে পুরোপুরি নিজের পকেটে পুরে নেন। এ প্রকল্পের অর্থ ব্যয় করে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কেনা ও পরিদর্শনের নামে তিনি কয়েক দফা বেলজিয়াম সফর করেন। তার নামে ২০২১ সালের ৮ জুলাই জারি করা জিওতে দেখা গেছে, তিনি এ প্রকল্পের আওতায় বেলজিয়ামে আটদিন সফর করেন। ২০২৩ সালের ৮ মে জারি করা অপর জিওতে দেখা যায়, তিনি তিনদিন বেলজিয়াম সফর করেন একই প্রকল্পের আওতায়। তার এ সফরের সমুদয় ব্যয়ভারও ‘আমন্ত্রিত সংস্থা’ বহন করবে বলে জারি করা জিওগুলোয় উল্লেখ করা হয়।

সূত্র জানিয়েছে, ‘আমন্ত্রিত সংস্থা বা ইনভাইটিং অরগানাইজেশন’ বলতে মূলত বিটিভির জন্য যন্ত্রপাতি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে বোঝানো হয়েছে। সম্প্রতি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা দুটি জিওতে যন্ত্রপাতি ‘প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন’ করতে আট কর্মকর্তার বেলজিয়াম সফরের কথা বলা হয়েছে। অপর জিওতেও ‘ফ্যাক্টরি ট্রেনিং’-এ ১২ কর্মকর্তার ১৪ দিনের সফরের কথা বলা হয়েছে। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও যন্ত্রপাতি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের নাম জিওতে উল্লেখ করা হয়নি।

তিন জিওতে যে তথ্য দিয়েছে মন্ত্রণালয়

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া একটি প্রকল্পের যন্ত্রপাতি কেনায় ‘ফ্যাক্টরি ভিজিট’ করতে দুই সপ্তাহের জন্য জার্মানি ও ইংল্যান্ড যাচ্ছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীসহ সরকারের ২২ কর্মকর্তা।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তাসলিমা নুর হোসেনের স্বাক্ষরে ২৫ মার্চ জারি করা জিওতে বলা হয়েছে, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মাদ ইয়াসিন ৪ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত জার্মানির মিউনিখ ও ইংল্যান্ডে ফ্যাক্টরি ট্রেনিং’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পর্যবেক্ষণ করবেন। তাদের এ ভ্রমণের সব ধরনের ব্যয়ভার সংস্থাটি বহন করবে।

এর আগের দিন ২৪ মার্চ তথ্য মন্ত্রণালয়ের একই কর্মকর্তার স্বাক্ষরে জারি করা অপর জিওতে বলা হয়, বেলজিয়ামের ব্রাসেলস এবং জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠেয় ৪ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ১৪ দিন ফ্যাক্টরি ট্রেনিংয়ে অংশ নেবেন। এ আদেশে উল্লিখিত ১২ কর্মকর্তা হলেন—তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মাহফুজা আক্তার, যুগ্ম সচিব (বিটিভি) মোহাম্মদ রোকন উদ্দিন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সোলেমান আলী, বিটিভির প্রকল্প পরিচালক মাহমুদুর রহমান, বিটিভির আট উপসহকারী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবীর, বিষু চন্দ্র দাস, মোস্তাফিজুর রহমান, মাজেদুল হক, শরিফুল আলম, শান্তনু বড়ুয়া, অনিমেষ দেবনাথ এবং মোহাম্মদ আতাউর রহমান।

গত ৩০ মার্চ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তাসলিমা নুর হোসেনের স্বাক্ষরে জারি করা জিওতে বলা হয়েছে, বেলজিয়ামের ব্রাসেলস ও জার্মানির মিউনিখ থেকে বিটিভির স্টুডিও যন্ত্রপাতি আমদানির বিষয়ে ‘ফ্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন’-এর আওতায় ২৫ এপ্রিল থেকে ১ মে পর্যন্ত বেলজিয়াম ও জার্মানি ভ্রমণ করবেন আট কর্মকর্তা। তারা হলেন—তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রিয়াসত আলী ওয়াসিফ, উপসচিব তাসলিমা নুর হোসাইন, বিটিভির পরিচালক সোনিয়া বিনতে তাবিব, প্রকল্প পরিচালক মাহমুদুর রহমান, বিটিভির রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী নুসরাত জাবিন ও মোরশেদা আক্তার, প্রকৌশলী (গ্রেড-১) সৈয়দ জোবায়েদ বিন লতিফ এবং উপসহকারী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম। সবার যাওয়া-আসাসহ ভ্রমণকালীন সব ব্যয় প্রজেক্টের অধীনে সংস্থাটি বহন করবে।

যা বলছে সরকার

বিটিভি ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের জার্মানি, ইংল্যান্ড ও বেলজিয়াম সফরের বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমাকে বলা হয়েছে এ সফরের বিষয়ে সরকারের কোনো আর্থিক সংশ্লিষ্টতা নেই। এ সফরে কিছু কর্মকর্তা অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন।’ এটি বিবেচনায় নিয়েই ভ্রমণের অনুমতিসংক্রান্ত ফাইল অনুমোদন করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

প্রকল্প পরিচালক হামিদুর রহমানও প্রশিক্ষণ নিতে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বেলজিয়াম ও জার্মানি যাচ্ছেন। এ বিষয়ে তার সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হয়। প্রসঙ্গটি তুলতেই তিনি ফোনের লাইন কেটে দেন। এরপর ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

জাতীয়

সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না : এডিসি জুয়েল

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।” সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব […]

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮:৫৯

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।”

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন এডিসি জুয়েল। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। কোনো ধরনের সন্ত্রাস, ভোট কারচুপি কিংবা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।

এডিসি জুয়েল আরও বলেন, নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্র থাকবে কড়া নজরদারিতে। পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। যারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কেউ কেউ এটিকে কঠোর বার্তা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ভাষা ব্যবহারের সমালোচনাও করছেন।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে আস্থা তৈরি করা এবং দুষ্কৃতকারীদের সতর্ক করা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হতে দেবে না বলেও তারা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

জাতীয়

আওয়ামী লীগ আমলের নিয়োগ: তদন্তের মুখে পুলিশ বাহিনীর সাড়ে ৯ হাজার নিয়োগ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ পাওয়া সাড়ে নয় হাজারের বেশি সদস্যের নিয়োগপ্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তাঁদের নিয়োগ যাচাই-বাছাই করে তদন্তের জন্য পুলিশ সদর দপ্তরকে ইতিমধ্যে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এই পুলিশ সদস্যদের মধ্যে দেড় হাজারজন উপপরিদর্শক (এসআই) পদে এবং কনস্টেবল পদে আট হাজারের বেশি নিয়োগ পেয়েছিলেন। তাঁরা গোপালগঞ্জসহ বৃহত্তর […]

আওয়ামী লীগ আমলের নিয়োগ: তদন্তের মুখে পুলিশ বাহিনীর সাড়ে ৯ হাজার নিয়োগ

আওয়ামী লীগ আমলের নিয়োগ: তদন্তের মুখে পুলিশ বাহিনীর সাড়ে ৯ হাজার নিয়োগ

নিউজ ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৭

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ পাওয়া সাড়ে নয় হাজারের বেশি সদস্যের নিয়োগপ্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তাঁদের নিয়োগ যাচাই-বাছাই করে তদন্তের জন্য পুলিশ সদর দপ্তরকে ইতিমধ্যে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

এই পুলিশ সদস্যদের মধ্যে দেড় হাজারজন উপপরিদর্শক (এসআই) পদে এবং কনস্টেবল পদে আট হাজারের বেশি নিয়োগ পেয়েছিলেন। তাঁরা গোপালগঞ্জসহ বৃহত্তর ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুরের বাসিন্দা। অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের অনেকে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী অথবা দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্য।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জেলা কোটা লঙ্ঘন এবং স্থায়ী ঠিকানার তথ্য গোপন করে রাজনৈতিক প্রভাবে অনিয়মের মাধ্যমে এসব উপপরিদর্শক ও কনস্টেবলকে নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পুলিশ সদর দপ্তর এসব নিয়োগ যাচাই-বাছাই করবে। অসংগতি পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিগত সরকারের (আওয়ামী লীগ সরকার) আমলে পুলিশের নিয়োগে বিভিন্ন পর্যায়ে জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। অনেকে স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করে ও অনিয়মের মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন। বিষয়গুলো তদন্তের জন্য পুলিশ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তদন্তে যেন কারও প্রতি অন্যায় বা জুলুম করা না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের অনিয়ম করার সাহস কেউ না পায়, সে লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখার একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর দ্বিতীয় বৈঠকেই পুলিশের এসব নিয়োগপ্রক্রিয়া যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছেন। এই তদন্ত করবে মূলত পুলিশ সদর দপ্তর এবং এ বিষয়ে যেকোনো সহায়তা দেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ঠিকানা পরিবর্তন, কোটা জালিয়াতি এবং ‘ছাত্রলীগ কোটা’ থেকে সরাসরি নিয়োগ পাওয়া এক হাজার ২১৭ জনসহ নানা অনিয়মের মাধ্যমে অন্তত দেড় হাজার উপপরিদর্শক ও আট হাজারের বেশি কনস্টেবলের নিয়োগপ্রক্রিয়া পুনরায় যাচাই-বাছাই করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

সূত্র বলেছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে সারা দেশে পুলিশ বাহিনীতে প্রায় ৪৫ হাজার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে উপপরিদর্শক অন্তত ১০ হাজার ও কনস্টেবল পর্যায়ে ৩৫ হাজার।

বিএনপি ও সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার দলীয় লোকজনকে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ দিয়েছে। পুলিশকে দলীয়করণের মাধ্যমে রাজনৈতিক কাজে অর্থাৎ বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের ধরপাকড়, গুম, হত্যা, নির্যাতন ও দমন-পীড়নে ব্যবহার করেছে।

পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, কনস্টেবল নিয়োগের ক্ষেত্রে জেলাভিত্তিক কোটা থাকলেও তা লঙ্ঘন করে গোপালগঞ্জসহ বৃহত্তর ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ ও মাদারীপুরের বিপুলসংখ্যক লোক নিয়োগ করা হয়। এসব অঞ্চলে কোটার ৩ গুণেরও বেশি লোক নিয়োগ দেওয়া হয়। বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চল থেকে ১০ হাজার এবং কিশোরগঞ্জ থেকে ৭ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়। শুধু গোপালগঞ্জ জেলা থেকেই নিয়োগ পান ৮ হাজার জন। মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলা থেকেও বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়।

এর বাইরে ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা সাজিয়ে এক হাজার লোককে কনস্টেবল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই নিয়োগ হয় ২০১১ সাল থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে। ভুয়া জমির দলিল ও জাল নাগরিক সনদের ভিত্তিতে অন্য জেলার লোকদের ধামরাই উপজেলার বাসিন্দা দেখিয়ে কনস্টেবল পদে নিয়োগের ব্যবস্থা করে পুলিশের ভেতরের আওয়ামী লীগপন্থী একটি চক্র।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কনস্টেবলদের মতো উপপরিদর্শক পদে আট ব্যাচের নিয়োগেও জেলা কোটা মানা হয়নি। গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও মাদারীপুরের প্রার্থীদের বেশি নিয়োগ দেওয়া হয়। অন্য জেলার নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছিল আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং দলীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত পরিবারের সদস্যদের।

উপপরিদর্শক নিয়োগ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০১২ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত আটটি (৩৩তম থেকে ৪০তম) ব্যাচে অন্তত ১০ হাজার উপপরিদর্শক নিয়োগ করা হয়। ২০১৮ সালে সরকারি চাকরিতে নিয়োগে কোটা বাতিলের পরিপত্র জারির আগপর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা, জেলা, নারী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধী—এই পাঁচ ক্যাটাগরিতে মোট ৫৬ শতাংশ কোটা ছিল।

৩৬তম থেকে ৪০তম ব্যাচের নিয়োগ পর্যালোচনায় দেখা যায়, জেলা কোটা অনুযায়ী গোপালগঞ্জের শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ প্রার্থী নিয়োগের সুযোগ থাকলেও নিয়োগ পায় ৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ, যা সংখ্যায় ২৩২ জন। ফরিদপুরের ক্ষেত্রে ১ দশমিক ৩৩ শতাংশের সুযোগ থাকলেও নিয়োগ দেওয়া হয় ১৮৭ জনকে। শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ কোটার সুযোগ থাকা মাদারীপুর থেকে নিয়োগ পান ১৩৩ জন। এভাবে কোটা লঙ্ঘন করে ৫৫২ জন উপপরিদর্শক নিয়োগ করা হয়। এই ব্যাচগুলোতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া ৬৬৫ জন রয়েছেন। জনশ্রুতি রয়েছে, তাঁরা সরাসরি ছাত্রলীগ-সম্পৃক্ত কোটায় নিয়োগ পেয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই উপপরিদর্শকদের নিয়োগ দিয়ে মাঠে নামাতে নানা অনিয়ম করা হয়। দুই বছরের প্রশিক্ষণ কমিয়ে এক বছর করা হয়। লিখিত পরীক্ষা শেষে মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) নেওয়ার আগেই পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা হয়।

সার্বিক বিষয়ে সদ্য বিদায়ী পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) বাহারুল আলম বলেন, সচিবালয়ে এক বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিগত সময়ে অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া পুলিশ সদস্যদের নিয়োগপ্রক্রিয়া যাচাই-বাছাই করে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। কোনো ধরনের অসংগতি পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে মন্ত্রীর বার্তা পুলিশ সদর দপ্তরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠন করে নিয়োগ যাচাই-বাছাই করবে পুলিশ সদর দপ্তর।

পুলিশ সদর দপ্তরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৫ মার্চ এক অফিস আদেশে জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবলদের (টিআরসি) শনাক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টিও এতে জানানো হয়েছে। অতিরিক্ত ডিআইজি (রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড ক্যারিয়ার প্ল্যানিং-১) মো. আবু হাসানের সই করা ওই অফিস আদেশ দেশের সব জেলার পুলিশ সুপারদের পাঠানো হয়েছে।

জাতীয়

থানার ওসি যেন মন্ত্রীকে ফোন না করে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যেকোনো মূল্যে কমান্ড চেইন বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। থানার ওসি যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন—এমন কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি কোনো ধরনের তদবির ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তাদের […]

থানার ওসি যেন মন্ত্রীকে ফোন না করে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০০:৩১

যেকোনো মূল্যে কমান্ড চেইন বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। থানার ওসি যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন—এমন কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি কোনো ধরনের তদবির ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

বৈঠকে উপস্থিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ঢাকার পুলিশ কমিশনার ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজিও অংশ নেন।

উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হন। পরে তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতে হবে। পুলিশের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা যাবে না। থানার ওসির ফোন যেন সরাসরি মন্ত্রীর কাছে না আসে। এসব বিষয়ে তিনি কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

গত ১৭ বছরের পুলিশি কার্যক্রমের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বৈঠকে মন্ত্রী জানান, অতীতে যা ঘটেছে, তা নিয়ে তিনি পেছনে ফিরতে চান না। তিনি নিজেও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। তবে সামনে এগিয়ে গিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হবে প্রধান লক্ষ্য। তিনি কাজের মূল্যায়নে বিশ্বাসী বলেও জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক কর্মকর্তা জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন কোনো ধরনের তদবির গ্রহণযোগ্য হবে না এবং দুর্নীতির ক্ষেত্রে শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করা হবে। বাহিনীর মধ্যে কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

এই কর্মকর্তা আরও জানান, সড়কে জনগণের ভোগান্তির বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, জনগণকে দুর্ভোগে ফেলে কোনো কর্মসূচি নেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে রাস্তার এক লেন চালু রেখে কর্মসূচি পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে বলে পুলিশকে তিনি নির্দেশ দেন।