শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

আয়নাঘরের রূপকার সাবেক ডিজিএফআই প্রধান মামুন খালেদের যত অপকর্ম

এক-এগারো পরবর্তী সময় থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমল—দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা সাবেক ডিজিএফআই প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে গুম, নির্যাতন, নজরদারি ও আর্থিক অনিয়মসহ নানা গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। সর্বশেষ গ্রেফতারের পর আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে তার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের দীর্ঘ তালিকা। বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর পল্লবী ডিওএইচএস […]

আয়নাঘরের রূপকার সাবেক ডিজিএফআই প্রধান মামুন খালেদের যত অপকর্ম

আয়নাঘরের রূপকার সাবেক ডিজিএফআই প্রধান মামুন খালেদের যত অপকর্ম

নিউজ ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৬, ১২:১৭

এক-এগারো পরবর্তী সময় থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমল—দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা সাবেক ডিজিএফআই প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে গুম, নির্যাতন, নজরদারি ও আর্থিক অনিয়মসহ নানা গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। সর্বশেষ গ্রেফতারের পর আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে তার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের দীর্ঘ তালিকা।


বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর পল্লবী ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আসামি হিসেবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আয়নাঘরের নেপথ্যের কারিগর

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, শেখ মামুন খালেদকে বহুল সমালোচিত ‘আয়নাঘর’-এর রূপকার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, তার সময়েই গোপন আটককেন্দ্র স্থাপন করে বিরোধী মতের ব্যক্তিদের ধরে এনে নির্যাতন ও গুমের সংস্কৃতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়।

২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ডিজিএফআই-এর মহাপরিচালক থাকাকালে তিনি ব্যাপক ফোনে আড়ি পাতা, ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ এবং সেগুলো ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও ব্যবসায়ীদের জিম্মি করার অভিযোগে অভিযুক্ত।

এক-এগারো থেকে শুরু

২০০৭ সালের এক-এগারোর সময় সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ডিজিএফআইয়ের ফোর্সেস সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (এফএসআইবি) পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ওই সময় বিএনপি নেতাকর্মীদের ধরে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।

বিশেষ করে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে বিভিন্ন সূত্রে।

রাজনৈতিক ও আলোচিত ঘটনাগুলো

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সেনানিবাসের বাসা থেকে উচ্ছেদের ঘটনাতেও তার ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০১০ সালের ওই অভিযানে ডিজিএফআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এছাড়া বিএনপি নেতা চৌধুরী আলম গুমের ঘটনাতেও তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। রাজধানীর ফার্মগেট এলাকা থেকে গুম হওয়া চৌধুরী আলম আজও নিখোঁজ।

ব্যবসায়ী জিম্মি ও নজরদারি

সূত্র বলছে, তার সময় ব্যাপকভাবে ফোনে আড়ি পাতা হতো। রাজনৈতিক নেতা ছাড়াও ব্যবসায়ীদের ব্যক্তিগত কথোপকথন রেকর্ড করে তাদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে ‘জঙ্গি নাটক’ সাজানোর অভিযোগও দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত।

আর্থিক অনিয়ম ও সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সেনা কর্মকর্তাদের জন্য নির্মিত জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের শতকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ তদন্তে তার বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ করা হলেও তা কার্যকর হয়নি বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তিনি বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জন করেন এবং এর একটি অংশ বিদেশে পাচার করেন।

তার ও তার স্ত্রী নিগার সুলতানা খালেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আদালতের নির্দেশে তাদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়েছে।

দুদকের মহাপরিচালক (বিশেষ তদন্ত) মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী জানিয়েছেন, অভিযোগগুলো এখনো অনুসন্ধান পর্যায়ে রয়েছে, এখনো মামলা দায়ের হয়নি।

দুদকের অনুসন্ধান চলমান থাকলেও দীর্ঘ সময় তিনি রাজধানীর পল্লবীর নিজ বাসায় নির্বিঘ্নে অবস্থান করছিলেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অবশেষে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এক-এগারো এবং পরবর্তী সময়ের বহু আলোচিত গুম, নির্যাতন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ঘটনা নতুন করে সামনে আসতে পারে।

জাতীয়

হাদি হ/ত্যা/য় জড়িত প্রত্যেকের নাম উন্মোচন করে দেবো : ডিএমপি কমিশনার

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শেখ মো. সাজ্জাত আলী। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। ডিএমপি কমিশনার বলেন, এই হত্যাকাণ্ড একটি রহস্যজনক ঘটনা এবং এর পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত […]

হাদি হ/ত্যা/য় জড়িত প্রত্যেকের নাম উন্মোচন করে দেবো : ডিএমপি কমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৩৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শেখ মো. সাজ্জাত আলী।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, এই হত্যাকাণ্ড একটি রহস্যজনক ঘটনা এবং এর পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শনাক্ত করতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে যারা রয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের পরিচয় জনসম্মুখে আনা হবে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, হাদিকে গুলির ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্রগুলো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার জন্য সিআইডি-তে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ডিবি পুলিশ উদ্ধার করেছে।

হত্যাকাণ্ডে বিপুল অর্থ ব্যয়ের বিষয়টি উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার জানান, তদন্তে ২১৮ কোটি টাকার সই করা একটি চেক উদ্ধার করা হয়েছে, যা ঘটনার অর্থনৈতিক যোগসূত্র বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

তিনি বলেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যে, অর্থাৎ ৭ জানুয়ারির মধ্যেই এ মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে।

এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানসহ ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হাদির হত্যার বিচার দাবিতে শনিবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো শাহবাগে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে ইনকিলাব মঞ্চ। এর আগে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর ইনকিলাব মঞ্চ ও জুলাই মঞ্চের নেতাকর্মীসহ সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে এসে অবস্থান নেন। অবস্থান কর্মসূচি শুরু হলে এতে সমাজের নানা স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ দেখা যায়।

জাতীয়

সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না : এডিসি জুয়েল

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।” সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব […]

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮:৫৯

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।”

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন এডিসি জুয়েল। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। কোনো ধরনের সন্ত্রাস, ভোট কারচুপি কিংবা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।

এডিসি জুয়েল আরও বলেন, নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্র থাকবে কড়া নজরদারিতে। পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। যারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কেউ কেউ এটিকে কঠোর বার্তা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ভাষা ব্যবহারের সমালোচনাও করছেন।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে আস্থা তৈরি করা এবং দুষ্কৃতকারীদের সতর্ক করা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হতে দেবে না বলেও তারা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

জাতীয়

থানার ওসি যেন মন্ত্রীকে ফোন না করে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যেকোনো মূল্যে কমান্ড চেইন বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। থানার ওসি যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন—এমন কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি কোনো ধরনের তদবির ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তাদের […]

থানার ওসি যেন মন্ত্রীকে ফোন না করে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০০:৩১

যেকোনো মূল্যে কমান্ড চেইন বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। থানার ওসি যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন—এমন কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি কোনো ধরনের তদবির ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

বৈঠকে উপস্থিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ঢাকার পুলিশ কমিশনার ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজিও অংশ নেন।

উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হন। পরে তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতে হবে। পুলিশের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা যাবে না। থানার ওসির ফোন যেন সরাসরি মন্ত্রীর কাছে না আসে। এসব বিষয়ে তিনি কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

গত ১৭ বছরের পুলিশি কার্যক্রমের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বৈঠকে মন্ত্রী জানান, অতীতে যা ঘটেছে, তা নিয়ে তিনি পেছনে ফিরতে চান না। তিনি নিজেও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। তবে সামনে এগিয়ে গিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হবে প্রধান লক্ষ্য। তিনি কাজের মূল্যায়নে বিশ্বাসী বলেও জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক কর্মকর্তা জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন কোনো ধরনের তদবির গ্রহণযোগ্য হবে না এবং দুর্নীতির ক্ষেত্রে শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করা হবে। বাহিনীর মধ্যে কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

এই কর্মকর্তা আরও জানান, সড়কে জনগণের ভোগান্তির বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, জনগণকে দুর্ভোগে ফেলে কোনো কর্মসূচি নেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে রাস্তার এক লেন চালু রেখে কর্মসূচি পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে বলে পুলিশকে তিনি নির্দেশ দেন।