বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ফেরিতে ওঠার সময় যাত্রীবাহী বাস নদীতে: ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উদ্ধার হওয়া ২৩ মরদেহের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন- রেহেনা আক্তার (৬১) স্বামী- মৃত ইসমাঈল হোসেন খান, গ্রাম- ভবানীপুর, লালমিয়া সড়ক, রাজবাড়ী পৌরসভা, রাজবাড়ী। […]

ফেরিতে ওঠার সময় যাত্রীবাহী বাস নদীতে: ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

ফেরিতে ওঠার সময় যাত্রীবাহী বাস নদীতে: ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

নিউজ ডেস্ক

২৬ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৩

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উদ্ধার হওয়া ২৩ মরদেহের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন- রেহেনা আক্তার (৬১) স্বামী- মৃত ইসমাঈল হোসেন খান, গ্রাম- ভবানীপুর, লালমিয়া সড়ক, রাজবাড়ী পৌরসভা, রাজবাড়ী। মর্জিনা খাতুন(৫৬) স্বামী- মো: আবু বক্কর সিদ্দিক, গ্রাম- মজমপুর, ওয়ার্ড নং-১৮, কুষ্টিয়া পৌরসভা, কুষ্টিয়া। রাজীব বিশ্বাস(২৮) পিতা- হিমাংশু বিশ্বাস, গ্রাম-ডাকঘর- খাগড়বাড়ীয়া, থানা- কুষ্টিয়া সদর, কুষ্টিয়া। জহুরা অন্তি(২৭) পিতা- মৃত ডা: আবদুল আলীম, গ্রাম- সজ্জনকান্দা, ৫ নং ওয়ার্ড, রাজবাড়ী পৌরসভা।

কাজী সাইফ(৩০) পিতা- কাজী মুকুল, গ্রাম- সজ্জনকান্দা, ৫ নং ওয়ার্ড, রাজবাড়ী পৌরসভা। মর্জিনা আক্তার(৩২) স্বামী-রেজাউল করিম, গ্রাম- চর বারকিপাড়া, ইউপি- ছোট ভাকলা, উপজেলা- গোয়ালন্দ, রাজবাড়ী।

ইস্রাফিল (৩) পিতা- দেলোয়ার হোসেন, গ্রাম- ধুশুন্দু, ইউপি- সমাজপুর, উপজেলা-খোকসা, কুষ্টিয়া। সাফিয়া আক্তার রিন্থি (১২), পিতা-রেজাউল করিম, গ্রাম- চর বারকিপাড়া, ইউপি- ছোট ভাকলা, উপজেলা- গোয়ালন্দ, রাজবাড়ী। ফাইজ শাহানূর(১১) পিতা- বিল্লাল হোসেন, গ্রাম- ভবানীপুর, ইউপি- বোয়ালিয়া, উপজেলা-কালুখালী, রাজবাড়ী। তাজবিদ(৭) পিতা- কেবিএম মুসাব্বির, ৫ং ওয়ার্ড, সজ্জনকান্দা, রাজবাড়ী পৌরসভা, রাজবাড়ী।

আরমান খান(৩১), পিতা- আরব খান, পশ্চিম খালখোলা, উপজেলা- বালিয়াকান্দি, রাজবাড়ী। নাজমিরা জেসমিন(৩০), স্বামী- আব্দুল আজিজ, গ্রাম- বেলগাছি, ইউপি- মদেন্দ্রপুর, উপজেলা-কালুখালী, রাজবাড়ী।

লিমা আক্তার(২৬), পিতা- সোবাহান মন্ডল, গ্রাম-রামচন্দ্রপুর, ইউপি- মিজানপুর, রাজবাড়ী সদর, রাজবাড়ী।জোস্ন্যা(৩৫) স্বামী- মান্নান মন্ডল, গ্রাম- বড় চর বেনি নগর, ইউপি- মিজানপুর, রাজবাড়ী সদর, রাজবাড়ী।

মুক্তা খানম(৩৮) স্বামী- মৃত জাহাঙ্গীর আলম, পিতা- সিদ্দিকুর রহমান, গ্রাম- নোয়াধা, ইউপি- আমতলী, উপজেলা-কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ। নাছিমা(৪০), স্বামী- মৃত নূর ইসলাম,গ্রাম-মথুয়ারাই, ইউপি-পলাশবাড়ী, উপজেলা-পার্বতীপুর, দিনাজপুর। আয়েশা আক্তার সুমা(৩০), স্বামী- মো: নুরুজ্জামান, গ্রাম- বাগধুনিয়া পালপাড়া, উপজেলা-আশুলিয়া, ঢাকা জেলা। সোহা আক্তার(১১) পিতা- সোহেল মোল্লা, গ্রাম- রাজবাড়ী পৌরসভা, রাজবাড়ী। আয়েশা সিদ্দিকা(১৩) পিতা- গিয়াসউদ্দিন রিপন, গ্রাম+ইউপি-সমসপুর, উপজেলা-খোকসা, কুষ্টিয়া।আরমান(৭ মাস), পিতা- নুরুজ্জামান, গ্রাম- খন্দকবাড়িয়া, ইউপি-কাচেরকোল, উপজেলা-শৈলকুপা, ঝিনাইদহ।

আব্দুর রহমান(৬) পিতা-আব্দুল আজিজ, গ্রাম- মহেন্দ্রপুর, ইউপি-রতনদিয়া, উপজেলা-কালুখালী, রাজবাড়ী।সাবিত হাসান(৮), পিতা- শরিফুল ইসলাম, গ্রাম- আগমারাই, ইউপি-দাদশি, রাজবাড়ী সদর, রাজবাড়ী। আহনাফ তাহমিদ খান(২৫), পিতা-ইসমাইল হোসেন খান, গ্রাম-ভবানীপুর, ৮নং ওয়ার্ড, রাজবাড়ী সদর।

এর আগে বিকাল সোয়া ৫টার দিকে ঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী একটি বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। পরে বুধবার (২৫ মার্চ) রাত সাড়ে ১২টার পর উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার মাধ্যমে ডুবে যাওয়া বাসটি টেনে তোলা হয়।

রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সূত্রে জানা যায়, তলিয়ে যাওয়া বাসটি নদীর ৮০-৯০ ফিট গভীরে ছিল। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার মাধ্যমে বাসটি ধীরে ধীরে উপরে তোলা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় নদীতে পড়ে যায়। বাসটিতে প্রায় ৪০ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। তবে দুর্ঘটনার সময় তাৎক্ষণিকভাবে বেশ কয়েকজন সেই বাস থেকে বেরিয়ে যেতে সক্ষম হন। ঘটনার পরপরই উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কাজী আরিফ বিল্লাহ জানান, উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ এবং বিআইডব্লিউটিএর ডুবুরি দলের সহযোগিতায় বাসটি উদ্ধার করা হয়। এ কাজে ফায়ার সার্ভিস, বিআইডব্লিউটিসি, নৌপুলিশ, সেনাবাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংস্থা যুক্ত রয়েছে। স্থানীয় ডুবুরিরাও উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেন।

জাতীয়

হাদি হ/ত্যা/য় জড়িত প্রত্যেকের নাম উন্মোচন করে দেবো : ডিএমপি কমিশনার

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শেখ মো. সাজ্জাত আলী। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। ডিএমপি কমিশনার বলেন, এই হত্যাকাণ্ড একটি রহস্যজনক ঘটনা এবং এর পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত […]

হাদি হ/ত্যা/য় জড়িত প্রত্যেকের নাম উন্মোচন করে দেবো : ডিএমপি কমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৩৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শেখ মো. সাজ্জাত আলী।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, এই হত্যাকাণ্ড একটি রহস্যজনক ঘটনা এবং এর পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শনাক্ত করতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে যারা রয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের পরিচয় জনসম্মুখে আনা হবে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, হাদিকে গুলির ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্রগুলো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার জন্য সিআইডি-তে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ডিবি পুলিশ উদ্ধার করেছে।

হত্যাকাণ্ডে বিপুল অর্থ ব্যয়ের বিষয়টি উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার জানান, তদন্তে ২১৮ কোটি টাকার সই করা একটি চেক উদ্ধার করা হয়েছে, যা ঘটনার অর্থনৈতিক যোগসূত্র বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

তিনি বলেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যে, অর্থাৎ ৭ জানুয়ারির মধ্যেই এ মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে।

এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানসহ ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হাদির হত্যার বিচার দাবিতে শনিবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো শাহবাগে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে ইনকিলাব মঞ্চ। এর আগে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর ইনকিলাব মঞ্চ ও জুলাই মঞ্চের নেতাকর্মীসহ সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে এসে অবস্থান নেন। অবস্থান কর্মসূচি শুরু হলে এতে সমাজের নানা স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ দেখা যায়।

জাতীয়

সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না : এডিসি জুয়েল

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।” সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব […]

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮:৫৯

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।”

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন এডিসি জুয়েল। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। কোনো ধরনের সন্ত্রাস, ভোট কারচুপি কিংবা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।

এডিসি জুয়েল আরও বলেন, নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্র থাকবে কড়া নজরদারিতে। পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। যারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কেউ কেউ এটিকে কঠোর বার্তা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ভাষা ব্যবহারের সমালোচনাও করছেন।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে আস্থা তৈরি করা এবং দুষ্কৃতকারীদের সতর্ক করা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হতে দেবে না বলেও তারা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

জাতীয়

থানার ওসি যেন মন্ত্রীকে ফোন না করে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যেকোনো মূল্যে কমান্ড চেইন বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। থানার ওসি যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন—এমন কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি কোনো ধরনের তদবির ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তাদের […]

থানার ওসি যেন মন্ত্রীকে ফোন না করে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০০:৩১

যেকোনো মূল্যে কমান্ড চেইন বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। থানার ওসি যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন—এমন কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি কোনো ধরনের তদবির ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

বৈঠকে উপস্থিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ঢাকার পুলিশ কমিশনার ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজিও অংশ নেন।

উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হন। পরে তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতে হবে। পুলিশের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা যাবে না। থানার ওসির ফোন যেন সরাসরি মন্ত্রীর কাছে না আসে। এসব বিষয়ে তিনি কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

গত ১৭ বছরের পুলিশি কার্যক্রমের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বৈঠকে মন্ত্রী জানান, অতীতে যা ঘটেছে, তা নিয়ে তিনি পেছনে ফিরতে চান না। তিনি নিজেও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। তবে সামনে এগিয়ে গিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হবে প্রধান লক্ষ্য। তিনি কাজের মূল্যায়নে বিশ্বাসী বলেও জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক কর্মকর্তা জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন কোনো ধরনের তদবির গ্রহণযোগ্য হবে না এবং দুর্নীতির ক্ষেত্রে শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করা হবে। বাহিনীর মধ্যে কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

এই কর্মকর্তা আরও জানান, সড়কে জনগণের ভোগান্তির বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, জনগণকে দুর্ভোগে ফেলে কোনো কর্মসূচি নেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে রাস্তার এক লেন চালু রেখে কর্মসূচি পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে বলে পুলিশকে তিনি নির্দেশ দেন।