বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ইসলাম ও জীবন

এ মাস শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর মাস শায়খ আহমাদুল্লাহ

ফেব্রুয়ারি মাসকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে উজ্জীবিত হওয়ার মাস উল্লেখ করে জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘এ মাস শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর মাস। এ মাসে আত্মত্যাগকারী আবদুস সালাম, আবদুল জব্বার, শফিউর রহমানরা আমাদের সেই শিক্ষাই দেয়।’ সোমবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি। শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘অথচ খুব ধীরে ধীরে, […]

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ২০:০৫

ফেব্রুয়ারি মাসকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে উজ্জীবিত হওয়ার মাস উল্লেখ করে জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘এ মাস শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর মাস। এ মাসে আত্মত্যাগকারী আবদুস সালাম, আবদুল জব্বার, শফিউর রহমানরা আমাদের সেই শিক্ষাই দেয়।’

সোমবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘অথচ খুব ধীরে ধীরে, সুকৌশলে, এক শ্রেণির মিডিয়া ও মুনাফালোভীরা নিজেদের স্বার্থে আমাদের প্রেরণার মাসকে নোংরামির মাসে পরিণত করেছে।

আমাদের শৈশব-কৈশোরের ফেব্রুয়ারি ছিল সাহস ও ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তিতে প্রত্যুজ্জ্বল। বর্তমান প্রজন্মের কাছে ফেব্রুয়ারি মানেই অবৈধ সম্পর্কের ছড়াছড়ি।’

তরুণ-তরুণীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘যেসব তরুণ-তরুণী এই নষ্ট স্রোতে গা ভাসাচ্ছে, তারা বুঝতেও পারছে না তারা এক নাচের পুতুল। তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে সুগভীর এক বাণিজ্যিক প্রকল্প ও শালীনতা ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে।

ফেব্রুয়ারির প্রকৃত চেতনা ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘তরুণ্য-বিধ্বংসী সব নোংরা আয়োজনের বিরুদ্ধে এখনই যদি আমরা সজাগ না হই, তবে পশ্চিমাদের মতো আমাদের পরিবারব্যবস্থাও ভেঙে খানখান হয়ে যাবে। তখন শত আফসোস করেও কোনো লাভ হবে না।’

ইসলাম ও জীবন

মিসরে কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয়ী চ্যাম্পিয়ন হাফেজ আনাসকে বিমানবন্দরে সংবর্ধনা

মিসরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত ৩২তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশে ফিরেছেন হাফেজ আনাস বিন আতিক। এ উপলক্ষে তাকে দেওয়া হয়েছে নাগরিক সংবর্ধনা। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পবিত্র কোরআনের তিলাওয়াতে প্রথম স্থান অর্জনের মাধ্যমে আবারও বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন এই কিশোর হাফেজ। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রথমে তাকে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেওয়া […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৪:৫২

মিসরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত ৩২তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশে ফিরেছেন হাফেজ আনাস বিন আতিক। এ উপলক্ষে তাকে দেওয়া হয়েছে নাগরিক সংবর্ধনা। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পবিত্র কোরআনের তিলাওয়াতে প্রথম স্থান অর্জনের মাধ্যমে আবারও বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন এই কিশোর হাফেজ।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রথমে তাকে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পরে ছাদখোলা বাসে ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে তাকে সংবর্ধিত করা হয়। এ সময় ধর্মপ্রাণ মানুষের পাশাপাশি সাধারণ জনগণও বিশ্বজয়ী এই হাফেজকে এক নজর দেখার জন্য রাজপথে ভিড় করেন।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে হাফেজ আনাস বলেন, আমরা যে দেশের ক্বারীদের তিলাওয়াত শুনে কেরাত শিখি, সেই দেশের প্রতিযোগিতায় বিজয় অর্জন করা আমার জন্য পরম সৌভাগ্যের। কেরাতের রাজধানী হিসেবে পরিচিত মিসরে গিয়ে প্রথম হওয়া সহজ ছিল না। তবে আমার ওস্তাদ, মা–বাবা এবং দেশবাসীর দোয়ায় এটি সম্ভব হয়েছে।

হাফেজ আনাসের ওস্তাদ শায়খ নেছার আহমদ আন নাছিরী বলেন, তৃতীয়বারের মতো আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয় করেছে আমার ছাত্র। কায়রোতে অনুষ্ঠিত ৩২তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় ৭০টি দেশের প্রতিযোগীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রথম স্থান অর্জন করে সে সবাইকে চমকে দিয়েছে।

তিনি জানান, গত ৭ ডিসেম্বর কায়রোতে চার দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়। বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত জাতীয় বাছাইপর্বে প্রথম স্থান অর্জনের মাধ্যমে হাফেজ আনাস আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।

প্রসঙ্গত, হাফেজ আনাস রাজধানীর মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার ছাত্র। তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের লোপাড়া গ্রামে। এর আগেও তিনি সৌদি আরব ও লিবিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন।