এমন অদূরদর্শীপনায় যেন মত্ত না হই, যা আমাদের এগিয়ে চলার পথকে রুদ্ধ করে দেয়। কোথায় থামতে হবে এটা বোঝাও অনেকটা পথ পাড়ি দেওয়ার সহায়ক। দেশকে এগিয়ে নিতে চাইলে, অভ্যুত্থানের ফসল ঘরে তুলতে চাইলে— প্লিজ, এবার শান্ত হোন!
মবোক্রেসি বা ‘Mobocracy’ একটি সামাজিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, যেখানে জনগণ বা তাদের বৃহত্তর অংশ নিজেদের ইচ্ছার ভিত্তিতে আইন, নীতি এবং সমাজের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
এটি একধরনের গোষ্ঠীশক্তি, যেখানে মনের মিল বা অনুভূতির মাধ্যমে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতা তৈরি হয়। তবে এই ধরণের প্রক্রিয়া কোনও বিশেষ নেতৃত্ব বা সরকারি নির্দেশনার অধীনে না চলে, বরং এটি জনগণের আবেগ ও চাপের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
এটি একধরনের গোষ্ঠীশক্তি, যেখানে মনের মিল বা অনুভূতির মাধ্যমে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতা তৈরি হয়। তবে এই ধরণের প্রক্রিয়া কোনও বিশেষ নেতৃত্ব বা সরকারি নির্দেশনার অধীনে না চলে, বরং এটি জনগণের আবেগ ও চাপের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
ভারতে পালিয়ে থাকা শেখ হাসিনার অনলাইন ভাষণের ঘোষণায় ক্ষুব্ধ হয়ে বুধবার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ‘বুলডোজার মিছিল’ নামে ভাঙচুরের কর্মসূচি দেওয়া হয়েছিল। এরপর ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ভেঙে বড় একটা অংশ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। আগুন দেওয়া হয় সুধাসদনেও।
এরপর এই ভাঙচুরের কর্মসূচি দেশের বিভিন্ন স্থানেও ছড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবারও ভাঙচুর-আগুনের এসব ঘটনা চলমান থাকে। দেশজুড়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা হয়েছে গত দুদিন।
এ অবস্থায় শুক্রবার সকালে ফেসবুকে একটি পোস্টে জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী লিখেছেন— মবোক্রেসি দেশকে অস্থিতিশীল অবস্থায় নিয়ে যেতে পারে। এখানেই থেমে যাওয়া উচিত।