ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের চরহাজারী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রাম রহমতপুর। চব্বিশের ভয়াবহ বন্যায় ছোট ফেনী নদীর তীরবর্তী এই এলাকা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়।
পানিবন্দি হয়ে পড়ে কয়েক হাজার মানুষ।
আরও ভয়াবহ ব্যাপার হলো, বন্যায় ছোট ফেনী নদীর জোয়ারের পানি প্রতিদিন ফুলেফেঁপে উঠতে থাকে।
ফলে প্রতিদিনের শক্তিশালী জোয়ার-ভাটায় রহমতপুরের বসতির মাঝে তৈরি হয় এক অনাকাঙ্ক্ষিত খাল।
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা লেখেন।
শায়খ লেখেন, নতুন তৈরি হওয়া এই খালের প্রশস্ততা জোয়ার-ভাটার কারণে এখনো প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
এলাকাবাসী আমাদেরকে জানিয়েছেন—খালের মুখে এখনই বাঁধ না দিলে নতুন করে আরো অনেক কৃষিজমি ও বসতভিটা ভাঙনের শিকার হতে পারে। আগামীতে বন্যা হলে প্লাবিত হতে পারে আরো বহু এলাকা।
আহমাদুল্লাহ লেখেন, এই দুর্দিনে সমস্যার স্থায়ী সমাধানে রহমতপুরবাসীর পাশে দাঁড়াচ্ছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের একটি বিশেষজ্ঞ টিম দুর্গত অঞ্চল পরিদর্শন করেছেন।
তারা পুরো অঞ্চলের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে ৫০০ ফুট দীর্ঘ একটি বাঁধ নির্মাণের উপযোগিতার বিষয়টি আমাদেরকে নিশ্চিত করেছেন।
শেষে তিনি লেখেন, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শক্রমে আমরা রহমতপুরে বাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বাঁধটি নির্মিত হলে দুই শতাধিক বসতবাড়ি, ব্যাপক কৃষিজমি, মসজিদ, মাদরাসা ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে ইনশাআল্লাহ ।