শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ইসলাম ও জীবন

৭১ সালের আগে জন্মালে আ.লীগ আমাকেও রাজাকার উপাধি দিতো : আজহারী

আওয়ামী মতের বিরুদ্ধে গেলেই যে কাউকে রাজাকার উপাধি দেওয়া হতো। ৭১-এ যদি থাকতাম, এতদিনে রাজাকার হয়ে যেতাম। আল্লাহ আমাদের বাঁচিয়ে দিয়েছেন। এটা আল্লাহর রহমত। শনিবার (২৫ জানুয়ারি) পটুয়াখালীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার মাঠে আয়োজিত এক মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারি। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারকে ইঙ্গিত করে ড. মিজানুর […]

নিউজ ডেস্ক

২৬ জানুয়ারী ২০২৫, ১২:৫৮

আওয়ামী মতের বিরুদ্ধে গেলেই যে কাউকে রাজাকার উপাধি দেওয়া হতো। ৭১-এ যদি থাকতাম, এতদিনে রাজাকার হয়ে যেতাম। আল্লাহ আমাদের বাঁচিয়ে দিয়েছেন। এটা আল্লাহর রহমত।

শনিবার (২৫ জানুয়ারি) পটুয়াখালীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার মাঠে আয়োজিত এক মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারি।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারকে ইঙ্গিত করে ড. মিজানুর রহমান আজহারি বলেন, “পূর্বে আওয়ামী মতের বিরুদ্ধে গেলেই যে কাউকে রাজাকার উপাধি দেওয়া হতো। যদি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় থাকতাম, তাহলে আমাকেও রাজাকার উপাধি দেওয়া হতো।”

তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের মনমতো হলে মুক্তিযোদ্ধা, আর না হলে রাজাকার। কত কিছু দেখলাম এই শাহবাগের বুকে। ৭১-এ আমরা দেখিনি, তবে শুনেছি মুসলিম না অমুসলিম যাচাইয়ের জন্য কালিমা পড়ার কথা বলা হতো।”

তিনি বলেন, “আমি যেখানেই যাই, নতুন প্রজন্ম আমাকে ছেড়ে দেয় না। এরা আগামীর বাংলাদেশ। এদের হাতেই আমার লাল-সবুজের পতাকা এবং দেশের প্রতি ইঞ্চি মাটি নিরাপদ। তবে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাদের সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।”

ইসলাম ও জীবন

মিসরে কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয়ী চ্যাম্পিয়ন হাফেজ আনাসকে বিমানবন্দরে সংবর্ধনা

মিসরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত ৩২তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশে ফিরেছেন হাফেজ আনাস বিন আতিক। এ উপলক্ষে তাকে দেওয়া হয়েছে নাগরিক সংবর্ধনা। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পবিত্র কোরআনের তিলাওয়াতে প্রথম স্থান অর্জনের মাধ্যমে আবারও বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন এই কিশোর হাফেজ। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রথমে তাকে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেওয়া […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৪:৫২

মিসরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত ৩২তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশে ফিরেছেন হাফেজ আনাস বিন আতিক। এ উপলক্ষে তাকে দেওয়া হয়েছে নাগরিক সংবর্ধনা। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পবিত্র কোরআনের তিলাওয়াতে প্রথম স্থান অর্জনের মাধ্যমে আবারও বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন এই কিশোর হাফেজ।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রথমে তাকে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পরে ছাদখোলা বাসে ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে তাকে সংবর্ধিত করা হয়। এ সময় ধর্মপ্রাণ মানুষের পাশাপাশি সাধারণ জনগণও বিশ্বজয়ী এই হাফেজকে এক নজর দেখার জন্য রাজপথে ভিড় করেন।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে হাফেজ আনাস বলেন, আমরা যে দেশের ক্বারীদের তিলাওয়াত শুনে কেরাত শিখি, সেই দেশের প্রতিযোগিতায় বিজয় অর্জন করা আমার জন্য পরম সৌভাগ্যের। কেরাতের রাজধানী হিসেবে পরিচিত মিসরে গিয়ে প্রথম হওয়া সহজ ছিল না। তবে আমার ওস্তাদ, মা–বাবা এবং দেশবাসীর দোয়ায় এটি সম্ভব হয়েছে।

হাফেজ আনাসের ওস্তাদ শায়খ নেছার আহমদ আন নাছিরী বলেন, তৃতীয়বারের মতো আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয় করেছে আমার ছাত্র। কায়রোতে অনুষ্ঠিত ৩২তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় ৭০টি দেশের প্রতিযোগীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রথম স্থান অর্জন করে সে সবাইকে চমকে দিয়েছে।

তিনি জানান, গত ৭ ডিসেম্বর কায়রোতে চার দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়। বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত জাতীয় বাছাইপর্বে প্রথম স্থান অর্জনের মাধ্যমে হাফেজ আনাস আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।

প্রসঙ্গত, হাফেজ আনাস রাজধানীর মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার ছাত্র। তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের লোপাড়া গ্রামে। এর আগেও তিনি সৌদি আরব ও লিবিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন।