সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ইসলাম ও জীবন

দুনিয়া ও আখিরাতের সুস্থতা চেয়ে রসুল সা. যে দোয়া পড়তেন

ইসলামে দোয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। মুসলমানরা বিভিন্ন সমস্যা ও চাহিদার সম্মুখীন হলে আল্লাহর কাছে দোয়া করে থাকেন। হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে যে, রসুলুল্লাহ সা. নিজেও নিয়মিত আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন এবং তাঁর উম্মতকেও দোয়া করতে উৎসাহিত করতেন। রসুলুল্লাহ সা. এর একটি বিশেষ দোয়া ছিল যা তিনি প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় পড়তেন। এই দোয়ায় তিনি নিজের […]

নিউজ ডেস্ক

১০ ডিসেম্বর ২০২৪, ২২:০৭

ইসলামে দোয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। মুসলমানরা বিভিন্ন সমস্যা ও চাহিদার সম্মুখীন হলে আল্লাহর কাছে দোয়া করে থাকেন। হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে যে, রসুলুল্লাহ সা. নিজেও নিয়মিত আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন এবং তাঁর উম্মতকেও দোয়া করতে উৎসাহিত করতেন।

রসুলুল্লাহ সা. এর একটি বিশেষ দোয়া ছিল যা তিনি প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় পড়তেন। এই দোয়ায় তিনি নিজের ও পরিবারের সবার জন্য সুস্থতা, ক্ষমা এবং শত্রুর ভীতি থেকে নিরাপত্তা চেয়েছেন।

এই দোয়ার মাধ্যমে তিনি আমাদেরকে শিখিয়েছেন যে, আমাদের জীবনের সকল ক্ষেত্রে আল্লাহর উপর নির্ভর করা উচিত এবং তাঁর কাছে সাহায্য চাওয়া উচিত।

দোয়াটি হলো: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফিয়াতা ফিদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ। আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফওয়া ওয়াল আফিয়াতা ফি দ্বিনি ওয়া দুনিয়ায়া ওয়া আহলি ওয়া মালি। আল্লাহুম্মাস তুর আওরাতি ওয়া আমিন রওআতি।

দোয়াটি অর্থ হলো: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতে সুস্থতা চাই। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আমার জন্য ক্ষমা ও সুস্থতা চাই। দ্বিন, দুনিয়া, পরিবার ও সম্পদের জন্য কল্যাণ চাই।

হে আল্লাহ, আমি আপনি আমার দোষ গোপন রাখুন এবং আমাকে ভয়-ভীতি থেকে নিরাপদ রাখুন। হে আল্লাহ, আমার ডান দিক থেকে, বাম দিক থেকে, সামনে থেকে, পেছন থেকে, ওপর ও নিচের ক্ষতি থেকে আমাকে হেফাজত করুন।

ইবনে ওমর রা. বর্ণনা করেছেন, রসুল সা. সকাল ও সন্ধ্যায় কখনো উল্লিখিত দোয়াটি না পড়ে থাকতেন না।আবু দাউদ, হাদিস. ৫০৭৪)

আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে এই দোয়াটির আমল নসিব করুন আমিন ।

ইসলাম ও জীবন

মিসরে কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয়ী চ্যাম্পিয়ন হাফেজ আনাসকে বিমানবন্দরে সংবর্ধনা

মিসরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত ৩২তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশে ফিরেছেন হাফেজ আনাস বিন আতিক। এ উপলক্ষে তাকে দেওয়া হয়েছে নাগরিক সংবর্ধনা। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পবিত্র কোরআনের তিলাওয়াতে প্রথম স্থান অর্জনের মাধ্যমে আবারও বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন এই কিশোর হাফেজ। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রথমে তাকে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেওয়া […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৪:৫২

মিসরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত ৩২তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশে ফিরেছেন হাফেজ আনাস বিন আতিক। এ উপলক্ষে তাকে দেওয়া হয়েছে নাগরিক সংবর্ধনা। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পবিত্র কোরআনের তিলাওয়াতে প্রথম স্থান অর্জনের মাধ্যমে আবারও বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন এই কিশোর হাফেজ।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রথমে তাকে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পরে ছাদখোলা বাসে ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে তাকে সংবর্ধিত করা হয়। এ সময় ধর্মপ্রাণ মানুষের পাশাপাশি সাধারণ জনগণও বিশ্বজয়ী এই হাফেজকে এক নজর দেখার জন্য রাজপথে ভিড় করেন।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে হাফেজ আনাস বলেন, আমরা যে দেশের ক্বারীদের তিলাওয়াত শুনে কেরাত শিখি, সেই দেশের প্রতিযোগিতায় বিজয় অর্জন করা আমার জন্য পরম সৌভাগ্যের। কেরাতের রাজধানী হিসেবে পরিচিত মিসরে গিয়ে প্রথম হওয়া সহজ ছিল না। তবে আমার ওস্তাদ, মা–বাবা এবং দেশবাসীর দোয়ায় এটি সম্ভব হয়েছে।

হাফেজ আনাসের ওস্তাদ শায়খ নেছার আহমদ আন নাছিরী বলেন, তৃতীয়বারের মতো আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয় করেছে আমার ছাত্র। কায়রোতে অনুষ্ঠিত ৩২তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় ৭০টি দেশের প্রতিযোগীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রথম স্থান অর্জন করে সে সবাইকে চমকে দিয়েছে।

তিনি জানান, গত ৭ ডিসেম্বর কায়রোতে চার দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়। বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত জাতীয় বাছাইপর্বে প্রথম স্থান অর্জনের মাধ্যমে হাফেজ আনাস আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।

প্রসঙ্গত, হাফেজ আনাস রাজধানীর মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার ছাত্র। তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের লোপাড়া গ্রামে। এর আগেও তিনি সৌদি আরব ও লিবিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন।