ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান যুদ্ধ ও মানবিক সংকটের প্রেক্ষাপটে আবারও যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক ত্রাণবহর গ্লোবাল সুমুদ এইড ফ্লোটিলা। আয়োজকদের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২৯ মার্চ স্পেনের বার্সেলোনা বন্দর থেকে গাজার উদ্দেশে যাত্রা করবে এই ত্রাণবহর। এবারের অভিযানে আগের তুলনায় আরও বিস্তৃত আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ-এ অনুষ্ঠিত এক লাইভস্ট্রিম সংবাদ সম্মেলনে গ্লোবাল সুমুদের কর্মী সুমেইরা আকদেনিজ ওর্দু এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, ঐতিহাসিকভাবে বার্সেলোনা থেকেই ফ্লোটিলার যাত্রা শুরু হবে। পরে তিউনিসিয়া, ইতালি ও ভূমধ্যসাগরের অন্যান্য বন্দর থেকে আরও জাহাজ এই বহরে যুক্ত হবে।
সুমেইরা আকদেনিজ ওর্দু জানান, এবারের অভিযানে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেবেন, যার মধ্যে এক হাজারের বেশি চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী থাকবেন। তার মতে, অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ও পেশাগত বৈচিত্র্য এবারের মিশনকে আগের যেকোনো উদ্যোগের তুলনায় আলাদা মাত্রা দিচ্ছে।
তিনি আরও জানান, এই ত্রাণবহরে চিকিৎসা পেশাজীবীদের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণে দক্ষ ইকো-বিল্ডার এবং যুদ্ধাপরাধ তদন্তে অভিজ্ঞ ব্যক্তিরাও থাকবেন। গাজায় সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘন ও সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের তথ্য নথিভুক্ত করতে তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
আয়োজকদের মতে, এই ফ্লোটিলার লক্ষ্য কেবল মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া নয়; বরং গাজার ওপর দীর্ঘদিন ধরে আরোপিত অবরোধের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সচেতনতা ও প্রতিবাদ জোরদার করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য। ইসরাইলি আগ্রাসন ও অবরোধের কারণে গাজায় খাদ্য, চিকিৎসাসেবা ও বিশুদ্ধ পানির সংকট চরম আকার ধারণ করেছে বলে তারা উল্লেখ করেন।
গ্লোবাল সুমুদ কর্তৃপক্ষ জানায়, বিভিন্ন দেশের নাগরিক, মানবাধিকার কর্মী ও পেশাজীবীদের এই উদ্যোগ গাজার জনগণের প্রতি আন্তর্জাতিক সংহতির একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করবে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?