সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ওয়াশিংটন থেকে লন্ডন; এতো ভয়াবহ নৈতিক অধঃপতন দিয়ে পশ্চিমারা কী করবে?

ব্রিটেনে জেফরি এপস্টাইন কেলেঙ্কারির বিস্তার আবারও পশ্চিমা রাজনীতি, রাজতন্ত্র ও অভিজাত শ্রেণির নৈতিকতার মুখোশ খুলে দিয়েছে। মানবাধিকার, স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার বুলি আওড়ানো পশ্চিমা শক্তিগুলো আসলে কোন পথে হাঁটছে

নিউজ ডেস্ক

০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:৪৯

ব্রিটেনে জেফরি এপস্টাইন কেলেঙ্কারির বিস্তার আবারও পশ্চিমা রাজনীতি, রাজতন্ত্র ও অভিজাত শ্রেণির নৈতিকতার মুখোশ খুলে দিয়েছে। মানবাধিকার, স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার বুলি আওড়ানো পশ্চিমা শক্তিগুলো আসলে কোন পথে হাঁটছে—এই প্রশ্ন নতুন করে জনমতের কেন্দ্রে উঠে এসেছে। মার্কিন বিচার বিভাগ প্রকাশিত লক্ষ লক্ষ পৃষ্ঠার নথিতে দেখা যাচ্ছে, যৌন অপরাধে দণ্ডিত জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে ব্রিটিশ রাজপরিবার ও প্রভাবশালী অভিজাতদের সম্পর্ক শুধু বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরে চলা এক গভীর নৈতিক স্খলনের প্রতিচ্ছবি।

নথিগুলোতে ইয়র্কের ডিউক হিসেবে পরিচিত প্রিন্স অ্যান্ড্রু এবং তার সাবেক স্ত্রী সারা ফার্গুসনের নাম স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। এসব দলিল বলছে, এপস্টাইনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ও দণ্ডের পরও তাদের সম্পর্ক ছিন্ন হয়নি। শুধু রাজপরিবারই নয়, ব্যবসা ও মিডিয়ার দুনিয়ার প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও এই নেটওয়ার্কের অংশ ছিলেন। ব্রিটিশ ভার্জিন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা রিচার্ড ব্র্যানসনের নাম নথিতে শত শতবার উল্লেখ পাওয়া যায়, যা পশ্চিমা অভিজাতদের নৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন আরও ঘনীভূত করেছে।

২০১৩ সালের এক ইমেইল আদান-প্রদানে ব্র্যানসন এপস্টাইনকে লিখেছিলেন, তার সঙ্গে দেখা করা “সত্যিই ভালো” ছিল এবং তিনি ভবিষ্যতেও দেখা করতে আগ্রহী, এমনকি কটাক্ষপূর্ণ ভাষায় ‘হারেম’ নিয়ে আসার কথাও উল্লেখ করেছিলেন। এই বক্তব্য শুধু ব্যক্তিগত রুচির পরিচয় নয়, বরং ক্ষমতা ও প্রভাবের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক বিকৃত মানসিকতার প্রকাশ। এতে স্পষ্ট হয়, এপস্টাইন কেলেঙ্কারি কোনো বিচ্ছিন্ন অপরাধচক্র নয়, বরং পশ্চিমা অভিজাত সমাজের গভীরে প্রোথিত এক নৈতিক রোগ।

লন্ডন, ওয়াশিংটনসহ পশ্চিমা রাজধানীগুলোতে যা ঘটছে, তা কয়েক দশক ধরে তৈরি করা নৈতিক ভান ও শ্রেষ্ঠত্বের মুখোশ ছিঁড়ে দিয়েছে। পশ্চিমা সভ্যতা নিজেকে বরাবরই দুর্নীতি, বৈষম্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই ধরনের কেলেঙ্কারি সেই সব প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রস্থলেই ঘটছে, যারা একসময় বিশ্বকে নৈতিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার দাবি করত।

ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, ইউরোপের রাজদরবার থেকে শুরু করে গির্জা, রাজনীতি ও বিনোদন জগতে নৈতিক ও যৌন কেলেঙ্কারির অভাব কখনোই ছিল না। প্রশ্নটা তাই এই নয় যে পশ্চিমাদের নৈতিক স্খলনের ইতিহাস আছে কি না, বরং কেন এই মুহূর্তে এত বড় পরিসরে এই সত্যগুলো সামনে আসছে। অনেক বিশ্লেষকের মতে, এপস্টাইন কেলেঙ্কারি অভিজাত শ্রেণির পতনের প্রতীক, যারা সম্পদ, মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ ও রাজনৈতিক ক্ষমতার জোরে দীর্ঘদিন নিজেদের অপ্রতিরোধ্য ভেবেছে।

ইউরোপের বিভিন্ন থিঙ্কট্যাংক ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কেলেঙ্কারি ঘোষিত মূল্যবোধ আর বাস্তব আচরণের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ব্যবধানকে উন্মোচিত করেছে। পশ্চিমারা মুখে স্বাধীনতা, মানবিক মর্যাদা ও ভুক্তভোগীদের সুরক্ষার কথা বললেও, প্রভাবশালীদের ক্ষেত্রে জবাবদিহির প্রক্রিয়া ধীর, অস্পষ্ট ও পক্ষপাতদুষ্ট। লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের সতর্কতা ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘসূত্রতা এই দ্বিচারিতার স্পষ্ট উদাহরণ।

এই কেলেঙ্কারি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পশ্চিমাদের নৈতিক কর্তৃত্বের পতনের ইঙ্গিতও দিচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, এই ঘটনাগুলো কি একটি যুগের সমাপ্তি নির্দেশ করছে—যে যুগে পশ্চিমা বিশ্ব নিজেকে নীতি ও আইনের একমাত্র আদর্শ হিসেবে তুলে ধরেছিল। সমালোচক সংবাদমাধ্যমগুলো সতর্ক করে বলছে, প্রকৃত সংস্কার ছাড়া এসব প্রকাশ অভিজাতদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের দূরত্ব আরও বাড়িয়ে দেবে।

শেষ পর্যন্ত, এপস্টাইন কেলেঙ্কারি দেখিয়ে দেয় পশ্চিমা বিশ্ব নতুন কোনো বাস্তবতার মুখোমুখি হয়নি, বরং তার ইতিহাসের চাপা পড়ে থাকা স্তরগুলো উন্মোচিত হচ্ছে। “পশ্চিমারা কোথায় যাচ্ছে” প্রশ্নটি এখন আর কেবল রাজনৈতিক নয়, এটি গভীর নৈতিক প্রশ্নে রূপ নিয়েছে। এর উত্তর নির্ভর করবে পশ্চিমা প্রতিষ্ঠানগুলো সত্যিকার অর্থে নিজেদের অতীত ও বর্তমানের মুখোমুখি হতে কতটা প্রস্তুত তার ওপর।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৫৩৯

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৫৩৯

আন্তর্জাতিক

‘আমরা কাতার নই, ওদের নরক দেখিয়ে ছাড়ব’: ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল পাকিস্তান

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’ শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৬, ২১:০০

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’

শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তেহরানের আশেপাশের অনেক এলাকা। এতে কেঁপে ওঠে পাকিস্তানের দূতাবাসের পাশাপাশি রাষ্ট্রদূতের বাসভবনও। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইসরায়েলকে এমন হুঁশিয়ারি দিল ইসলামাবাদ ।

জানা গেছে, দূতাবাস বা পাকিস্তানি কূটনীতিকদের কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু বিস্ফোরণে আশপাশের ভবনগুলো কেঁপে ওঠে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ ২৮ দিনে গড়িয়েছে। বিভিন্ন স্থানে হামলা-পাল্টা হামলা চলছে।

এই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদ একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় ভূমিকা রাখতে চাচ্ছে। পাকিস্তান জানিয়েছে, দুই পক্ষ চাইলে তারা আলোচনার আয়োজন করতেও প্রস্তুত।

এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দেশটির বিদ্যুৎ গ্রিডে হামলার পরিকল্পনা আবারও স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নতুন করে নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী, এই হামলার সম্ভাব্য সময়সীমা ১০ দিনের জন্য স্থগিত করে আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৫৩৯

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৫৩৯