বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ওয়াশিংটন থেকে লন্ডন; এতো ভয়াবহ নৈতিক অধঃপতন দিয়ে পশ্চিমারা কী করবে?

ব্রিটেনে জেফরি এপস্টাইন কেলেঙ্কারির বিস্তার আবারও পশ্চিমা রাজনীতি, রাজতন্ত্র ও অভিজাত শ্রেণির নৈতিকতার মুখোশ খুলে দিয়েছে। মানবাধিকার, স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার বুলি আওড়ানো পশ্চিমা শক্তিগুলো আসলে কোন পথে হাঁটছে

নিউজ ডেস্ক

০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:৪৯

ব্রিটেনে জেফরি এপস্টাইন কেলেঙ্কারির বিস্তার আবারও পশ্চিমা রাজনীতি, রাজতন্ত্র ও অভিজাত শ্রেণির নৈতিকতার মুখোশ খুলে দিয়েছে। মানবাধিকার, স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার বুলি আওড়ানো পশ্চিমা শক্তিগুলো আসলে কোন পথে হাঁটছে—এই প্রশ্ন নতুন করে জনমতের কেন্দ্রে উঠে এসেছে। মার্কিন বিচার বিভাগ প্রকাশিত লক্ষ লক্ষ পৃষ্ঠার নথিতে দেখা যাচ্ছে, যৌন অপরাধে দণ্ডিত জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে ব্রিটিশ রাজপরিবার ও প্রভাবশালী অভিজাতদের সম্পর্ক শুধু বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরে চলা এক গভীর নৈতিক স্খলনের প্রতিচ্ছবি।

নথিগুলোতে ইয়র্কের ডিউক হিসেবে পরিচিত প্রিন্স অ্যান্ড্রু এবং তার সাবেক স্ত্রী সারা ফার্গুসনের নাম স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। এসব দলিল বলছে, এপস্টাইনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ও দণ্ডের পরও তাদের সম্পর্ক ছিন্ন হয়নি। শুধু রাজপরিবারই নয়, ব্যবসা ও মিডিয়ার দুনিয়ার প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও এই নেটওয়ার্কের অংশ ছিলেন। ব্রিটিশ ভার্জিন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা রিচার্ড ব্র্যানসনের নাম নথিতে শত শতবার উল্লেখ পাওয়া যায়, যা পশ্চিমা অভিজাতদের নৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন আরও ঘনীভূত করেছে।

২০১৩ সালের এক ইমেইল আদান-প্রদানে ব্র্যানসন এপস্টাইনকে লিখেছিলেন, তার সঙ্গে দেখা করা “সত্যিই ভালো” ছিল এবং তিনি ভবিষ্যতেও দেখা করতে আগ্রহী, এমনকি কটাক্ষপূর্ণ ভাষায় ‘হারেম’ নিয়ে আসার কথাও উল্লেখ করেছিলেন। এই বক্তব্য শুধু ব্যক্তিগত রুচির পরিচয় নয়, বরং ক্ষমতা ও প্রভাবের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক বিকৃত মানসিকতার প্রকাশ। এতে স্পষ্ট হয়, এপস্টাইন কেলেঙ্কারি কোনো বিচ্ছিন্ন অপরাধচক্র নয়, বরং পশ্চিমা অভিজাত সমাজের গভীরে প্রোথিত এক নৈতিক রোগ।

লন্ডন, ওয়াশিংটনসহ পশ্চিমা রাজধানীগুলোতে যা ঘটছে, তা কয়েক দশক ধরে তৈরি করা নৈতিক ভান ও শ্রেষ্ঠত্বের মুখোশ ছিঁড়ে দিয়েছে। পশ্চিমা সভ্যতা নিজেকে বরাবরই দুর্নীতি, বৈষম্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই ধরনের কেলেঙ্কারি সেই সব প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রস্থলেই ঘটছে, যারা একসময় বিশ্বকে নৈতিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার দাবি করত।

ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, ইউরোপের রাজদরবার থেকে শুরু করে গির্জা, রাজনীতি ও বিনোদন জগতে নৈতিক ও যৌন কেলেঙ্কারির অভাব কখনোই ছিল না। প্রশ্নটা তাই এই নয় যে পশ্চিমাদের নৈতিক স্খলনের ইতিহাস আছে কি না, বরং কেন এই মুহূর্তে এত বড় পরিসরে এই সত্যগুলো সামনে আসছে। অনেক বিশ্লেষকের মতে, এপস্টাইন কেলেঙ্কারি অভিজাত শ্রেণির পতনের প্রতীক, যারা সম্পদ, মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ ও রাজনৈতিক ক্ষমতার জোরে দীর্ঘদিন নিজেদের অপ্রতিরোধ্য ভেবেছে।

ইউরোপের বিভিন্ন থিঙ্কট্যাংক ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কেলেঙ্কারি ঘোষিত মূল্যবোধ আর বাস্তব আচরণের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ব্যবধানকে উন্মোচিত করেছে। পশ্চিমারা মুখে স্বাধীনতা, মানবিক মর্যাদা ও ভুক্তভোগীদের সুরক্ষার কথা বললেও, প্রভাবশালীদের ক্ষেত্রে জবাবদিহির প্রক্রিয়া ধীর, অস্পষ্ট ও পক্ষপাতদুষ্ট। লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের সতর্কতা ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘসূত্রতা এই দ্বিচারিতার স্পষ্ট উদাহরণ।

এই কেলেঙ্কারি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পশ্চিমাদের নৈতিক কর্তৃত্বের পতনের ইঙ্গিতও দিচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, এই ঘটনাগুলো কি একটি যুগের সমাপ্তি নির্দেশ করছে—যে যুগে পশ্চিমা বিশ্ব নিজেকে নীতি ও আইনের একমাত্র আদর্শ হিসেবে তুলে ধরেছিল। সমালোচক সংবাদমাধ্যমগুলো সতর্ক করে বলছে, প্রকৃত সংস্কার ছাড়া এসব প্রকাশ অভিজাতদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের দূরত্ব আরও বাড়িয়ে দেবে।

শেষ পর্যন্ত, এপস্টাইন কেলেঙ্কারি দেখিয়ে দেয় পশ্চিমা বিশ্ব নতুন কোনো বাস্তবতার মুখোমুখি হয়নি, বরং তার ইতিহাসের চাপা পড়ে থাকা স্তরগুলো উন্মোচিত হচ্ছে। “পশ্চিমারা কোথায় যাচ্ছে” প্রশ্নটি এখন আর কেবল রাজনৈতিক নয়, এটি গভীর নৈতিক প্রশ্নে রূপ নিয়েছে। এর উত্তর নির্ভর করবে পশ্চিমা প্রতিষ্ঠানগুলো সত্যিকার অর্থে নিজেদের অতীত ও বর্তমানের মুখোমুখি হতে কতটা প্রস্তুত তার ওপর।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৪

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৪

আন্তর্জাতিক

‘ভারত যদি বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে মিসাইল ছুঁড়ে জবাব দেবে পাকিস্তান’ : পাকিস্তানি নেতা

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি। ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮:৩৬

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি।

ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে পাকিস্তানের জনগণ, সশস্ত্র বাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে ‘অখণ্ড ভারত’ ধারণা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে পাকিস্তান তা মেনে নেবে না। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্তে বিএসএফ বাংলাদেশকে উসকানি দিচ্ছে এবং দেশটিকে হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা চলছে।

এ সময় কামরান উসমানি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সামরিক জোট গঠনের প্রস্তাব দেন। তাঁর ভাষায়, বাংলাদেশে পাকিস্তানের এবং পাকিস্তানে বাংলাদেশের সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা উচিত।

তবে উসমানির এসব বক্তব্য ব্যক্তিগত ও দলীয় পর্যায়ের বলে মনে করা হচ্ছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাকিস্তান বা বাংলাদেশের সরকারিভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ভারতও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্য দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক পরিবেশকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করতে পারে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৪

আন্তর্জাতিক

“হাসিনার রায় পাকিস্তানের নির্দেশে দেওয়া হয়েছে, এটি কার্যকর হবে না” : শুভেন্দু

মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত পলাতক ও সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার (১৭ নভেম্বর) রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের তিনি দাবি করেন, “এই রায় পাকিস্তানের নির্দেশে দেওয়া হয়েছে। এটি কার্যকর হবে না।” হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির জন্য পরিচিত শুভেন্দু আরও বলেন, “শেখ হাসিনা প্রগতিশীল ছিলেন, তিনি উগ্রবাদীদের পাশে দাঁড়াননি।” […]

নিউজ ডেস্ক

১৭ নভেম্বর ২০২৫, ২১:২৫

মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত পলাতক ও সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার (১৭ নভেম্বর) রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের তিনি দাবি করেন, “এই রায় পাকিস্তানের নির্দেশে দেওয়া হয়েছে। এটি কার্যকর হবে না।”

হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির জন্য পরিচিত শুভেন্দু আরও বলেন, “শেখ হাসিনা প্রগতিশীল ছিলেন, তিনি উগ্রবাদীদের পাশে দাঁড়াননি।” তার এমন বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন—একজন মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত আসামিকে কেন ভারতীয় বিজেপি নেতা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক প্রশ্রয় দিচ্ছেন।

এদিকে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ ঘোষণার পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, “বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নির্বাসনে থাকা হাসিনার রায় নজরে নিয়েছে ভারত।” তবে ভারত তাকে বাংলাদেশে ফেরত দেবে কি না—সে বিষয়ে কিছুই স্পষ্ট করেননি তিনি।

রণধীর বলেন, “ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশের সর্বোত্তম স্বার্থে আমরা সব অংশীদারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করব।” তার এই মন্তব্যকে পর্যবেক্ষকরা ‘কৌশলী নীরবতা’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন।

এর আগে সোমবার দুপুরে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের দায়ে শেখ হাসিনাকে দুই অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড এবং একটি অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন। এ সময় আদালত ভবনে নিহতদের কয়েকটি পরিবারের সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

রায় ঘোষণার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতের কাছ থেকে শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দ্রুত ফেরত চেয়ে বিবৃতি দেয়। বিবৃতিতে বলা হয়—মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত দুই আসামিকে আশ্রয় দেওয়া “ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞা এবং বন্ধুসুলভ সম্পর্কের পরিপন্থী আচরণ।”

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৪