ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎপাদনের গতি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় ইসরায়েল এখন গুরুতর কৌশলগত উদ্বেগের মুখে পড়েছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে—ইসরায়েলি সামরিক প্রতিনিধিরা সংসদের আইনপ্রণেতাদের সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের অগ্রসর মিসাইল কর্মসূচি দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুনভাবে রূপ দিচ্ছে।
ইসরায়েলের সামরিক ও নীতিনির্ধারক মহলের মতে, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল সক্ষমতা এখন এমন একটি প্রতিরোধক শক্তিতে পরিণত হয়েছে, যা তেহরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আক্রমণ বা সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের দাবি—ইরানের মিসাইল পরিসর, নির্ভুলতা, এবং প্রস্তুতিমূলক সক্ষমতা যে গতিতে বাড়ছে, তা ভবিষ্যতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা কৌশলকে আরও জটিল করে তুলবে।
আঞ্চলিক গণমাধ্যমগুলো জানায়, সাম্প্রতিক ১২ দিনের সংঘর্ষের পর ইসরায়েলে ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র হয়েছে। আল-জাজিরাকে উদ্ধৃত করে ইসরায়েলের স্থানীয় পত্রিকা ম্যারিভ জানায়, কনেসেটের একটি বন্ধ-দ্বার বৈঠকে সামরিক গোয়ন্দা কর্মকর্তারা স্পষ্টভাবে বলেন—ইরান অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরি করছে, যেগুলোর ক্ষমতা ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে।
প্রতিবেদনটি আরও জানায়, ইরানের এই অগ্রগতি ইসরায়েলের রাজনৈতিক ও সামরিক মহলে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছে। কর্মকর্তারা মনে করছেন, তেহরান এখন এমন এক সামরিক প্রতিরোধ শক্তি অর্জন করেছে যা ইসরায়েল বা অন্যান্য আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সরাসরি আক্রমণাত্মক উদ্যোগ গ্রহণের সম্ভাবনা আরও কমিয়ে দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের মিসাইল উন্নয়ন কর্মসূচি অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে শক্তির ভারসাম্য নতুনভাবে বিন্যস্ত হবে এবং ভবিষ্যতের যেকোনো সংঘর্ষে এর প্রভাব সুস্পষ্ট দেখা যাবে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?