দিল্লির লাল কেল্লার পাশে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও নেপাল সীমান্তে উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে ভারত। সোমবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানী দিল্লিতে এই বিস্ফোরণে নয়জন নিহত ও বহু মানুষ আহত হওয়ার পর কেন্দ্রীয় সরকার রাতেই সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দেয়।
ইন্ডিয়া টুডে’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী (বিএসএফ) পাঞ্জাবের ভারত–পাকিস্তান সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি করেছে। পাশাপাশি উত্তর প্রদেশ–নেপাল সীমান্ত এবং অন্যান্য সেনা চৌকিতেও কঠোর নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) ও দিল্লি পুলিশ যৌথভাবে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
এনডিটিভির খবরে জানানো হয়, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিটে লাল কেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি হুন্দাই আই২০ গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশপাশের কয়েকটি গাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় এবং রাস্তাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে ছিন্নভিন্ন মরদেহ।
দিল্লির উপপ্রধান অগ্নিনির্বাপক কর্মকর্তা একে মালিক জানান, “আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করি এবং সন্ধ্যা ৭টা ২৯ মিনিটের মধ্যে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।”
ঘটনার পর লাল কেল্লা ও আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ভারতের অন্যতম ঐতিহাসিক ও পর্যটননির্ভর এই এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সারা বছর পর্যটকে ভরপুর এই স্থানে এমন বিস্ফোরণ দেশজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
একই দিনে দিল্লি থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে হরিয়ানার ফরিদাবাদে ২ হাজার ৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। ঘটনাটি ঘটেছে বিহার রাজ্যের দ্বিতীয় দফা ভোটের আগের দিন, যা নিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
তবে এখনো পর্যন্ত বিস্ফোরণের কারণ বা এর পেছনে কারা জড়িত সে বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করেনি দিল্লি পুলিশ। তদন্তে সহায়তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি) ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?