মুসলিম বিশ্বের ঐক্য ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে ইরান ও পাকিস্তান। শুক্রবার ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার ড. মোহাম্মদ বাগের গালিবাফের মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর এক যৌথ বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। খবর দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের।
বিবৃতিতে জানানো হয়, দুই দেশ সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়েছে। বৈঠকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইসলামাবাদ ও তেহরান উভয়েই রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতামূলক সন্ত্রাসবাদের নিন্দা জানায়।
তিনি বলেন, “দুর্ভাগ্যবশত ইরান ও পাকিস্তান—দুই দেশই সন্ত্রাসবাদের শিকার হয়েছে। এখন সময় এসেছে যৌথভাবে এর বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার।”
শেহবাজ শরিফ আরও বলেন, ইরান ও পাকিস্তান শান্তি, স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে বদ্ধপরিকর। তিনি ইরানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, জ্বালানি বিনিময় ও সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
অন্যদিকে ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার গালিবাফ বলেন, ইসলামি ঐক্য রক্ষায় পাকিস্তানের ভূমিকা প্রশংসনীয়। তিনি সাম্প্রতিক ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে তেহরানের প্রতি ইসলামাবাদের অবস্থানকে “ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সমর্থন” বলে উল্লেখ করেন এবং পাকিস্তান সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বৈঠকে দুই দেশ বিশ্বজুড়ে অমীমাংসিত বিরোধগুলোর শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য কূটনীতি ও সংলাপের ওপর জোর দেয়। পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ও প্রেসিডেন্ট মাসুদ পাজেশকিয়ানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং বলেন, “ইরান ও পাকিস্তানের সম্পর্ক মুসলিম ঐক্যের প্রতীক হয়ে থাকবে।”
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?