জনপ্রিয় ইসলামিক বক্তা ও গবেষক জাকির নায়েকের সম্ভাব্য বাংলাদেশ সফর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেশটি আশা করেছে, যদি নায়েক ঢাকায় যান, তাহলে বাংলাদেশ সরকার তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং ভারতের নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ মেটাবে। গত বৃহস্পতিবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, “নায়ক আগামী মাসে বাংলাদেশে যাবেন—আপনারা কি ভারত সরকারের কাছে তাঁর হস্তান্তর সম্পর্কে অনুরোধ করবেন?” জবাবে জয়সওয়াল বলেন, “তিনি একজন পলাতক আসামি। ভারতে তাঁর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে।
আমরা আশা করি, যেখানেই থাকুন—সেখানকার কর্তৃপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে এবং আমাদের নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ মোকাবিলা করবে।”
অন্যদিকে, বাংলাদেশ থেকে একাধিকবার জানানো হয়েছে যে, জাকির নায়েকের আগামী ২৮ নভেম্বর ঢাকায় আসার কোনো মানবিক বা সরকারি আমন্ত্রণ দেওয়া হয়নি। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, “আমার জানা নেই তিনি ঢাকায় আসবেন। আমন্ত্রণ দেওয়া হয়েছে-ই এমন তথ্য আমি পাইনি।” বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমেও উঠে এসেছে।
এই পরিস্থিতিতে, দুই দেশ-ই ক্রমশ পরস্পরের নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। ভারত বিশেষভাবে দাবি করেছে, বহুজাতিক সন্ত্রাস-প্রবণতা ও প্রচারণাগত বিরোধিতার ক্ষেত্রে বন্ধুত্ব ও তথ্য ভাগাভাগি অপরিহার্য।
বাংলাদেশের পক্ষে এই দাবির প্রতি তাৎক্ষণিক সাড়া দেওয়া সামাজিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন আলোচনার সূত্রপাত করেছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?