রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ফ্লোটিলাকর্মীদের প্রতি আচরণই প্রমাণ করে, ইসরায়েল শাস্তির ঊর্ধ্বে: মার্কিন সাংবাদিক

“গাজার জন্য মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে যাত্রা করা ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’-এর কর্মীদের সঙ্গে ইসরায়েলের যে আচরণ, তা প্রমাণ করে যে তেল আবিব সম্পূর্ণভাবে শাস্তির ঊর্ধ্বে অবস্থান করছে।” এই এক বাক্যই কেবল ইসরায়েলের কৌশল ও আন্তর্জাতিক নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেনি, বিশ্ব ব্যাপী মানবাধিকার ক্ষেত্রেও এক বিতর্ককেন্দ্র সৃষ্টি করেছে।

নিউজ ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৫, ০০:৫৭

যুক্তরাষ্ট্রের সাংবাদিক ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা অ্যাবি মার্টিনের কঠোর সমালোচনার পর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা ও গাজা সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন করে বিতর্ক তীব্র হলো। পার্স টুডে সংবাদে এবং তুর্কি সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি সরাসরি বলেছেন,

“গাজার জন্য মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে যাত্রা করা ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’-এর কর্মীদের সঙ্গে ইসরায়েলের যে আচরণ, তা প্রমাণ করে যে তেল আবিব সম্পূর্ণভাবে শাস্তির ঊর্ধ্বে অবস্থান করছে।” এই এক বাক্যই কেবল ইসরায়েলের কৌশল ও আন্তর্জাতিক নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেনি, বিশ্ব ব্যাপী মানবাধিকার ক্ষেত্রেও এক বিতর্ককেন্দ্র সৃষ্টি করেছে।

অ্যাবি মার্টিন বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলোর নীরবতা ও তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থকে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক ভাষায় বলেন, “পরিচিত ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে অপমানজনক আচরণ, তাঁদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিয়ে উপহাস করা এবং মৌলিক মানবাধিকার অস্বীকার করা—এসবই এমন এক সমাজের প্রতিচ্ছবি, যা ক্ষমতা ও গণহত্যার নেশায় অসুস্থ হয়ে পড়েছে।” তারنانী অভিযোগগুলো কেবল জোরালো ব্যক্তিগত বক্তব্য নয়; মার্টিন এখানে আন্তর্জাতিক প্রচলিত কূটনীতি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি এক ঘোর প্রতিধ্বনি তুলে ধরেছেন।

আরও বিস্ফোরক বক্তব্যে তিনি গাজার ওপর নৃশংসতার ছবি চিত্রিত করে বলেন,

“সেখানে যে বর্বরতা চলছে, তা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যার বর্ণনা দিতে ভাষা যথেষ্ট নয়। গত দুই বছরে গাজায় যা ঘটেছে, তা ইতিহাসের বইয়ে পড়া বা ছবিতে দেখা যে কোনো ঘটনার সীমা ছাড়িয়ে গেছে।”

এই সমালোচনার সঙ্গে মার্টিনের আপত্তি যে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো প্রায়ই সাম্রাজ্যবাদের হাতিয়ারে পরিণত হচ্ছে, তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো ও তাদের নীতিনির্ধারকদের জন্য এক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, “যেসব আন্তর্জাতিক সংস্থা দাবি করে যে, তারা গণহত্যার মতো বিপর্যয় ঠেকাতে চায়—বাস্তবে তারা সাম্রাজ্যবাদের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে এবং নিজেদের মানবতা হারিয়ে ফেলেছে।”

অ্যাবি মার্টিন আরও বলেন, গাজায় যে গণহত্যা ও গণহত্যার চিহ্ন রয়েছে তার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্তদের বিচারের দাবি তুলে তিনি বলেন,

“২০০ জনেরও বেশি সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী, তাদের অনেকেই পরিবার-পরিজনসহ, সুপরিকল্পনা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। নিউ ইয়র্ক টাইমসের সম্পাদকীয় বোর্ডকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বাইডেনের সঙ্গে হেগ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের মুখোমুখি করা উচিত, কারণ তারাও এই গণহত্যার সহযোগী।”

এই তীব্র বিবৃতি আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও সাংবাদিক স্বাধীনতার ওপর যে আলোচনাকে ঝাঁকুনি দিয়েছে, তা নিম্নতলার নয়।

মার্টিনের অভিযোগের যে প্রেক্ষিতটা সবচেয়ে উদ্বেগজনক তা হলো তাঁর বক্তব্য যে পশ্চিমা গণমাধ্যম একাধারে কর্পোরেট ফান্ডিং ও রাজনৈতিক চাপের ফলশ্রুতিতে নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। তিনি বলেন, “পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো ব্যাংক, তেল কোম্পানি ও অস্ত্র শিল্পের টাকায় পরিচালিত হয়। যে সাংবাদিকরা ইহুদিবাদের পক্ষে কথা বলেন না কিংবা ফিলিস্তিন নিয়ে নিজেদের মতামত গোপন করেন না—তাদের চাকরি হারাতে হয়।” এই অভিযোগটি মিডিয়া স্বচ্ছতা ও স্বাধীনতার বিবেচনায় গর্জে ওঠা প্রশ্ন তোলে।

দূরপ্রসারী সতর্কতাও দিয়েছেন মার্টিন:

“যদি কেউ মনে করে এই পরিস্থিতি শুধু গাজা পর্যন্ত সীমিত থাকবে, তবে তারা ভুল করছে। গাজা এখন এমন এক পরীক্ষাগার, যার মাধ্যমে বিশ্বের বাকি অংশের উপরও নতুন ‘নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা’ চাপিয়ে দেওয়া হবে।”

এই কথা কেবল স্থানীয় সংকট নয়—এটি একটি বিশ্বব্যাপী কৌশলগত ও নৈতিক সংকট হিসেবে উপস্থাপন করেছেন তিনি।

শেষাংশে মার্টিন পশ্চিমা সমাজ তথা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদের বিরুদ্ধে নেওয়া কঠোর নিষেধাজ্ঞার উদাহরণ স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলছেন, স্বীকৃত ইতিহাস যেমন দেখায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর এক আন্দোলন, ঠিক তেমনি এখনই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অস্ত্র, বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও একাডেমিক বয়কট আরোপের মাধ্যমে চাপ গঠন করা উচিত। তাঁর ভাষায়,

“যেভাবে বিশ্ব একসময় দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শাসনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, ঠিক সেভাবেই এখন ইসরাইলি দমননীতির বিরুদ্ধেও চাপ তৈরি করতে হবে।”

অ্যাবি মার্টিনের এই বক্তব্যগুলো কেবল তীব্র ব্যাখ্যা নয়; তারা আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারক, মানবাধিকার সংস্থা, মিডিয়া এবং সাধারণ জনমতের কাছে এক জোরালো আহ্বান। গাজা ও ফ্লোটিলা ইস্যুতে তার বক্তব্য যে তেল আবিবকে ‘শাস্তির ঊর্ধ্বে’ অবস্থানকারী হিসেবে চিত্রিত করছে, তা আন্তর্জাতিক ন্যায়-নীতি ও সামরিক নীতির ওপর এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অনেকে বলছে, এসব দাবি তদন্ত ও বিচার দাবি করে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যথার্থ ও তৎপর প্রতিক্রিয়ার ওপরই ভবিষ্যৎ মানবাধিকার রক্ষার নির্ণয় নির্ভর করবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪২৯৪

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪২৯৪

আন্তর্জাতিক

‘আমরা কাতার নই, ওদের নরক দেখিয়ে ছাড়ব’: ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল পাকিস্তান

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’ শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৬, ২১:০০

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’

শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তেহরানের আশেপাশের অনেক এলাকা। এতে কেঁপে ওঠে পাকিস্তানের দূতাবাসের পাশাপাশি রাষ্ট্রদূতের বাসভবনও। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইসরায়েলকে এমন হুঁশিয়ারি দিল ইসলামাবাদ ।

জানা গেছে, দূতাবাস বা পাকিস্তানি কূটনীতিকদের কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু বিস্ফোরণে আশপাশের ভবনগুলো কেঁপে ওঠে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ ২৮ দিনে গড়িয়েছে। বিভিন্ন স্থানে হামলা-পাল্টা হামলা চলছে।

এই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদ একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় ভূমিকা রাখতে চাচ্ছে। পাকিস্তান জানিয়েছে, দুই পক্ষ চাইলে তারা আলোচনার আয়োজন করতেও প্রস্তুত।

এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দেশটির বিদ্যুৎ গ্রিডে হামলার পরিকল্পনা আবারও স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নতুন করে নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী, এই হামলার সম্ভাব্য সময়সীমা ১০ দিনের জন্য স্থগিত করে আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪২৯৪

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪২৯৪