গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার অন্তত দুটি ত্রাণবাহী জাহাজ ইতোমধ্যে আটক করেছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী। ফ্লোটিলায় থাকা ইতালিয়ান সাংবাদিক লরেঞ্জো ডি’আগোস্টিনোর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
ডি’আগোস্টিনো জানিয়েছেন, আলমার নামের জাহাজ থেকে তারা আর কোনো সিগন্যাল পাচ্ছেন না। তিনি নিজ চোখে সিরিয়াস জাহাজ আটক হতে দেখেছেন। এছাড়া ক্যাপ্টেন নিকোসকে আটক করা হয়েছে বলেও চ্যাটে নিশ্চিত হয়েছেন। তবে ফ্লোটিলার বাকি জাহাজগুলো এখনো গন্তব্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
এর আগে ইসরাইলি নৌবাহিনীর আগ্রাসী অবস্থানের মুখে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা তাদের বহরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে। আয়োজকরা জানান, গাজার উদ্দেশে যাত্রা করার সময় ইসরাইলি বাহিনী জাহাজগুলো ঘিরে ফেললে অধিকাংশ নৌযান থেকে সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যায়। এতে বাইরের বিশ্বের সঙ্গে তাদের যোগাযোগও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
মানবিক সহায়তা বহনকারী এই নৌবহরে রয়েছে ৪৫টি বেসামরিক জাহাজ ও নৌকা। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ৫০০ জন নাগরিক অংশ নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে আছেন সংসদ সদস্য, আইনজীবী, মানবাধিকারকর্মীসহ সুইডিশ জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচিত এ অভিযানে ইসরাইলি বাধার মুখে গাজায় সহায়তা পৌঁছানো অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?