গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলাকে পথ পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছে ইসরাইলি নৌবাহিনী। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, ইসরাইলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজকদের সতর্ক করে বলেছে, তারা একটি সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্রের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং এর মাধ্যমে ‘বৈধ’ নৌ-অবরোধ ভঙ্গ করছে।
ইসরাইলি মন্ত্রণালয়ের দাবি, তারা আবারও শান্তিপূর্ণভাবে নির্দিষ্ট চ্যানেলের মাধ্যমে নিরাপদে সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু এদিকে আল জাজিরার সাংবাদিক নিদা ইব্রাহিম জানিয়েছেন, ইসরাইলি যুদ্ধজাহাজ ইতোমধ্যেই ফ্লোটিলার চারপাশ ঘিরে ফেলেছে। ফ্লোটিলায় অন্তত ৪৫টিরও বেশি জাহাজ রয়েছে।
ফ্লোটিলার আয়োজকদের পরিকল্পনা ছিল, জাহাজগুলোকে আলাদা করে পাঠানো হলে অন্তত কিছু ত্রাণ গাজায় পৌঁছানো যাবে। কিন্তু ইসরাইলি বাহিনী স্পষ্ট জানিয়েছে, যেকোনো সহায়তা কেবল নির্দিষ্ট চ্যানেল, অর্থাৎ তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন পথে পাঠাতে হবে। এতে মানবাধিকারকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, কারণ সরাসরি গাজায় সহায়তা পৌঁছানোর উদ্যোগ কার্যত আটকে দেওয়া হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ৫০০ নাগরিক রয়েছেন। এর মধ্যে সংসদ সদস্য, আইনজীবী, মানবাধিকারকর্মী ছাড়াও সুইডেনের বিখ্যাত জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও অংশ নিয়েছেন। মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে যাত্রা শুরু করা এই বহরকে ঘিরে এখন আন্তর্জাতিক মহলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?