ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি লেবানন সফরে এককে বলে এসেছেন, এই অঞ্চলের সরকারগুলোকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করে তুলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। শনিবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, লেবাননকে তারা বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে দেখে এবং বিভিন্ন ইস্যুতে গভীর পরামর্শে লিপ্ত থাকছে তেহরান।
আলোচনায় আলী লারিজানি জোর দিয়ে বলেন, আজকের বাস্তবে
“ইহুদিবাদী ইসরাইল” যে ষড়যন্ত্র কুটছেন, তার বিরুদ্ধে প্রতিবেশী দেশগুলোকে যৌথ ও কৌশলগতভাবে কর্মকুশল হতে হবে। লারিজানি আরও মন্তব্য করেন, লেবাননকে তিনি একটি শক্তিশালী দেশ হিসেবে যাচাই করেন; তিনি মনে করেন, এই শক্তি তাদের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে জন্ম নেওয়া দৃঢ়তার প্রতিফলন।
সরকারি সংবাদ সংস্থা IRNA-এর বরাতে পার্সটুডে প্রকাশিত প্রতিবেদনে লারিজানি পরিষ্কার করে বলেন, লেবাননের জনগণ পরিণত ও সক্ষম—তাদের কোনো বহিরাগত অভিভাবকের দরকার নেই। বিশেষত তিনি আমেরিকাকে এখানে অভিভাবক হিসেবে দেখা মোটেও গ্রহণযোগ্য নন বলে কটাক্ষ করেন এবং একই যুক্তি তিনি অন্যান্য অঞ্চলেও প্রযোজ্য হবে বলে জানান।
ইরানের সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা কৌশল নিয়েও প্রশ্ন তোলায় আলী লারিজানি সতর্ক জানান, ইরান সব পরিস্থিতির জন্য প্রস্তত আছে। তিনি বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন না যে ইসরায়েল এত আত্মঘাতী বোকামি করবে; একই সঙ্গে সতর্কতামূলক বার্তা দিয়ে জানান, যদি তারা হানা দেয় তখন ইরান শক্তভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে।
এই মন্তব্যগুলো তেহরান-লেবানন সম্পর্ক থেকে শুরু করে আঞ্চলিক শক্তি সমীকরণ ও নিরাপত্তা কৌশলকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে; বিশেষ করে “ইহুদিবাদী ইসরাইল” নিয়ে আলী লারিজানির সরাসরি অভিযোগ ও শক্ত প্রতিক্রিয়ার হুমকি মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক বাতাবরণকে আরও উত্তপ্ত করার যোগ্যতা রাখে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?