জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছানোর সময় আন্তসীমান্ত সন্ত্রাস নিয়ে এক ভারতীয় সাংবাদিকের তীক্ষ্ণ প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত জবাব দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কড়া প্রতিক্রিয়া জাগিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।
জাতিসংঘ সদর দপ্তরের প্রবেশপথে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর সাংবাদিকের মুখে ধরা প্রশ্ন—‘প্রধানমন্ত্রী শরিফ, আপনারা কবে সীমান্ত সন্ত্রাস বন্ধ করবেন? পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, আপনারা কবে সীমান্ত সন্ত্রাস বন্ধ করবেন?’—প্রাথমিকভাবে তিনি এড়িয়ে গেলেও একটু পরেই পেছন ফিরে স্ট্যাণ্ডার্ড কোনো কূটনৈতিক জবাব না দিয়ে সরাসরি বার্তা দেন,
“আমরা সীমান্ত সন্ত্রাসকে পরাজিত করছি। আমরা তাদের পরাস্ত করছি।” ওই সংক্ষিপ্ত কথোপকথনের একটি ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে এবং নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র আলোচনার সূত্রপাত করে।
চলতি বছরের শুরুর দিকে পেহেলগামে সংঘটিত হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে একটি সফল বলে দাবি করা অভিযানের ঘোষণা দেয়; সেই ঘটনার পর ২৬ জন নাগরিক প্রাণ হারানো ছাড়াও উভয়পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনা তৈরি হয়। দুই পরস্পরপ্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির ক্ষয়ক্ষতির পরই যুদ্ধ পূর্ণাঙ্গ আকার না নেয়ার আগেই আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ত্রবিরতি কার্যকর করা হয়েছিল, তবু সীমান্ত সন্ত্রাসের ধারণা এবং অভিযানের ধারাবাহিকতা এখনও দ্বিপাক্ষিক উত্তাপের অন্যতম সূচক হিসেবে রয়ে গেছে।
এ ঘটনার প্রসঙ্গে কূটনৈতিক মঞ্চে বক্তব্য, মাঠে সামরিক কার্যক্রম ও সামাজিক মাধ্যমের প্রতিক্রিয়া—সবকিছু মিলিয়ে আবারও প্রমাণিত হচ্ছে, সীমান্ত ও সন্ত্রাস মোকাবিলায় রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতি শুধু মুখে নয় বাস্তবে প্রমাণ করতে হবে; নাহলে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের বদলে তা নতুন সংঘাতের ইন্ধনেই পরিণত হবে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?