সামাজিক মাধ্যম এক্সে ব্যবহারকারীরা “সুমুদ” নৌবহরকে মানবিক মর্যাদার প্রতীক হিসেবে বিশেষভাবে দেখাচ্ছেন।
ফ্লোটিলা গ্লোবাল সুমুদ জানিয়েছে, ৪০টিরও বেশি জাহাজে করে মানবিক সহায়তা গাজার উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে; তাদের লক্ষ্য ইসরায়েলের অবরোধ ভাঙা এবং ২৪ ফিলিস্তিনির কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যম বলছে, ভূমধ্যসাগরে সুমুদ নৌবহরের ওপর ড্রোন হামলার খবরও পাওয়া গেছে।
ঘটনার পর আন্তর্জাতিক ও অনলাইন মহলে তীব্র নিন্দা ও সমর্থন দেখা গেছে; এক্সে প্রকাশিত পোস্টগুলোতে নৌবহরটিকে মানবতার আহ্বান এবং সহানুভূতির প্রতীক হিসেবে অভিহিত করা হয়।
পলিটিক্যাল অ্যাক্টিভিস্ট আলি বাহাদুরি জাহরোমি লিখেছেন, ফ্লোটিলা গ্লোবাল সুমুদ প্রমাণ করেছে মানুষ চাইলে যেকোনো পরিস্থিতিতে কিছু একটা করতে পারে। ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনী (রহ.)-কে উদ্ধৃত করে তিনি লিখেছেন,
প্রত্যেক মুসলমান এক বালতি করে পানি ঢাললেও ইসরায়েল ভেসে যাবে। আমরা যতটুকু পারি নিপীড়িতদের সমর্থন করব এবং জালিম শত্রুর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেব।
আরেক “এক্স” ব্যবহারকারী ইউসুফ আল খাজা সুমুদ নৌবহরকে “স্ট্যামিনা নৌবহর” বলে বর্ণনা করে বলেছেন:
“সুমুদ নৌবহরের ওপর ড্রোন হামলা মেনে নেওয়া যায় না। তারা এর মাধ্যমে আমাদের সন্তানদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এখন আর নীরব থাকা চলবে না।”
সারা রদাইওয়ী বলেন:
“সুমুদ জাহাজ বহরের যাত্রীরা আমাদের মানব জাতির মর্যাদা রক্ষা করছেন, এই পৃথিবী নামক গ্রহে তারা মানবতার পরিচয় দিচ্ছেন।”
তাবিশ রহমান নামের এক অ্যাকটিভিস্ট সুমুদ কনভয়ের সদস্যদের উদ্দেশ্যে লেখেন:
“ড্রোন, বোমা ও ঝড়কে বুকে নিয়ে সাহসের সাথে এগিয়ে যাও গাজার দিকে—তোমরা আশার জন্য, জীবনের জন্য কাজ করে যাচ্ছ, তোমরা থেমো না। প্রতিটি জাহাজ ফিলিস্তিনের জন্য স্বাধীনতার প্রতীক। আপনাদের সাহসের প্রশংসা করে শেষ করা যাবে না।”
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?