পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফের ইসলামাবাদে দেয়া বক্তব্য—
“ইন্ডিয়া পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে সৌদি আরব প্রতিরক্ষায় এগিয়ে আসবে”
আর সেই প্রেক্ষিতে রিয়াদে স্বাক্ষরিত পাকিস্তান–সৌদি আরব প্রতিরক্ষা চুক্তি কালচকে কৌশলগত ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে; খাজা আসিফ নিজেই ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-৫-এর তুলনা টেনে বলেছেন, এটি কেবল “পারস্পরিক কৌশলগত সহায়তা” ভিত্তিক প্রতিরক্ষা চুক্তি, আক্রমণাত্মক নয়, প্রতিরক্ষামূলক বলে দাবি করলেও তার বক্তব্য ও চুক্তির বিবরণে এমন এক বাস্তবতা ফুটে উঠছে যা দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতাকে একরাশ অনিশ্চয়তার সামনে দেবে।
তিনি রেয়টার্সকে জানিয়েছিলেন যে পাকিস্তানের পারমাণবিক সক্ষমতাও এই চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের জন্য ব্যবহার যোগ্য থাকবে—এখানে যে রাজনৈতিক ও সামরিক মিশ্রণ তৈরি হচ্ছে, তা কেবল কূটনৈতিক পরিভাষায় আটকে থাকবে না; এটি অর্থনৈতিক ও পারমাণবিক শক্তির সংমিশ্রণে আঞ্চলিক ভারসাম্য বদলে দিচ্ছে।
পাকিস্তানের আনুমানিক ১০০–১২০ ওয়ারহেডের পরিসংখ্যান সামনে রেখে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই চুক্তি সৌদি আরবকে একটি ‘পারমাণবিক ঢাল’ দেয়ার সঙ্গে সাথে পাকিস্তানকে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহায়তায় শক্তভাবে বাঁধবে — এবং এর ফলাফল হিসেবে নয়া জোটবদ্ধতা, প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক সশস্ত্র প্রতিসাম্য ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তাপ গড়াতে পারে; ইসরায়েল, ইরান ও নয়াদিল্লি সবাই সতর্ক।
ভারতের কড়া প্রতিক্রিয়া ও বিবেচনায় থাকা বিষয়টি স্পষ্ট করে দেয়—এ চুক্তি শুধু দুদেশের মধ্যে নয়, পুরো অঞ্চলে ফলপ্রসূ প্রভাব ফেলবে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা উল্লেখ করছেন, পারমাণবিক সক্ষমতা আর বিত্তশক্তির মেলবন্ধন যখন প্রতিবেশী দেশগুলোর নিরাপত্তা-দুশ্চিন্তার সঙ্গে জড়ায়, তখন কূটনৈতিক ব্যবস্থার নরমালাইज़েশন কঠিন হয়ে পড়ে; আর বিশ্বমঞ্চে এই খবরটি ইতিমধ্যেই উদ্বেগ ও প্রশ্নের ভাঙার সৃষ্টি করেছে।
খাজা আসিফের ঘোষণার শেষাংশ মনে রাখার মতো—‘দরজা বন্ধ নয়’—এ কথাটা কেবল বাক্য নয়, এ অভিব্যক্তি নির্দেশ করে যে ভবিষ্যতে এই অঞ্চলের জোট বিন্যাস আরও উসকে তোলা হতে পারে, আর তা হলে শান্তি-নিরাপত্তা চেগে উঠবে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?