গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জুদ্দিন আল-কাসসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবাইদা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। তবে হামাস এখনো এ তথ্য নিশ্চিত করেনি।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিবিসির এক প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে আসে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) জানায়, গাজার রাজধানী গাজা সিটির আল-রিমাল এলাকায় নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে এ অভিযান চালানো হয়। এ ঘটনায় অন্তত সাতজন নিহত ও ২০ জন আহত হন। নিহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল ক্যাটজ এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে সেনাবাহিনী ও দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেটকে “ত্রুটিহীন অভিযানের” জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আবু উবাইদার মতো হামাসের আরও নেতাকে টার্গেট করা হবে।
আইডিএফ ও শিন বেট এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই আবু উবাইদার অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়। পরে ছয়তলা একটি ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় একসঙ্গে পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলার পর ভবন থেকে বিপুল অঙ্কের ডলার ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা এর কিছু অংশ নিয়ে গেলেও পরে হামাসের সদস্যরা তা উদ্ধার করে।
আবু উবাইদা দীর্ঘদিন ধরে হামাসের সামরিক শাখার অন্যতম শীর্ষ মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সবসময় মুখ কাপড়ে ঢাকা অবস্থায় তিনি টেলিভিশন ও অনলাইন মাধ্যমে বক্তব্য দিতেন। তার বার্তা হামাসের সমর্থকদের কাছে প্রতীকী গুরুত্ব বহন করত।
গত শুক্রবার দেওয়া এক ভাষণে তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামাসের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন এবং ইসরায়েলি বন্দিদের পরিণতি নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।
তবে এখন পর্যন্ত হামাস আনুষ্ঠানিকভাবে আবু উবাইদার মৃত্যুর খবর স্বীকার করেনি। সংগঠনটির দাবি, ইসরায়েলি হামলায় আবাসিক এলাকায় বহু সাধারণ নাগরিক নিহত ও আহত হচ্ছেন, যা যুদ্ধাপরাধের শামিল।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?