গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা ঠেকাতে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যের ডাক দিয়েছে ইরান ও সৌদি আরব। জেদ্দায় মুসলিম দেশগুলোর সহযোগিতা সংস্থা ওআইসি আলোচনার আগে পার্শ্ববৈঠকে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বললেন, মুসলিম বিশ্বকে একসঙ্গে এগোতে হবে।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদসংস্থা তাসনিমের প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়।
সৌদি আরবের জেদ্দায় ওআইসির জরুরি বৈঠকের আলোচনার ফাঁকে সাক্ষাৎ করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ও সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান।
এ সময় তারা বলেন, গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা বন্ধে মুসলিম দেশগুলোকে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। গাজায় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।
তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সম্প্রসারণের জন্য ইসরায়েলের ‘বিপজ্জনক প্রকল্প’ রুখতে মুসলিম বিশ্বের ঐক্য অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া ইরান-সৌদি সম্পর্কের উন্নয়ন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার নিয়েও আলোচনা হয়।
কূটনৈতিক মহল বলছে, দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি একসঙ্গে এগিয়ে গেলে পশ্চিম এশিয়ায় নতুন স্থিতি তৈরি হতে পারে। এটি দাঁড়িয়ে থাকবে সংলাপ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অনধিকার হস্তক্ষেপ না করার নীতির ওপর।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৬২ হাজার ফিলিস্তিনি। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। নতুন করে গাজা সিটিতে দখল অভিযান শুরুর পর মানবিক বিপর্যয় আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?