ভারতের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বিহারের ঐতিহাসিক খানকাহ রহমানি মসজিদ পরিদর্শন করেছেন। সেখানে তিনি মসজিদ কমপ্লেক্সের প্রধানের সঙ্গে আলাপ করেন। ঠিক ৪০ বছর আগে একই স্থানে বসেছিলেন তার বাবা ও ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। ভিন্ন রাজনৈতিক সময়ে তোলা এই দুটি ছবি যেন একই বার্তা বহন করছে।
এনডিটিভি জানায়, ১৯০১ সালে মাওলানা মোহাম্মদ আলী মুঙ্গেরি প্রতিষ্ঠিত এই মসজিদ শুধু সামাজিক সংস্কারেই নয়, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
প্রতিবেদন অনুসারে, শুক্রবার সকালে রাহুল গান্ধী ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’র অংশ হিসেবে জামালপুরে পৌঁছান। গত রোববার সাসারাম থেকে শুরু হওয়া এ দেশব্যাপী প্রচারণা যাত্রার ষষ্ঠ দিনে তিনি এখানে আসেন। এসময় আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবসহ তিনি মসজিদের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। মুসলিম সম্প্রদায়ের বিপুল জনতা ও স্থানীয় বিশিষ্টজনরা উপস্থিত থেকে বিরোধী দলীয় নেতাকে স্বাগত জানান।
খানকাহ রহমানি মসজিদের সঙ্গে গান্ধী পরিবারের সম্পর্ক কয়েক দশক পুরোনো। ১৯৮৫ সালে রাজীব গান্ধী এই মসজিদ পরিদর্শন করেছিলেন। আজ রাহুল গান্ধীকেও ঠিক সেই স্থানে বসে থাকতে দেখা গেছে যেখানে ৪০ বছর আগে তার বাবা বসেছিলেন।
ভারতের মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে এই মসজিদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতীতে মহাত্মা গান্ধী ও জওহরলাল নেহেরুসহ বহু প্রভাবশালী নেতা এখানে এসেছেন। স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়ও এই মসজিদ বিপ্লবীদের সহায়তা করেছিল বলে ঐতিহাসিক দলিলে উল্লেখ আছে।
এছাড়া, এনডিটিভি আরও জানায়, বর্তমানে মসজিদ কমপ্লেক্সটি ভারতের দুটি বড় জাতীয় স্তরের প্রবেশিকা পরীক্ষা JEE ও NEET-এর জন্য শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। উন্নত শিক্ষা প্রদানের জন্য এখানে স্মার্ট ক্লাসের ব্যবস্থাও চালু রয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?