ভারতের অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম) প্রধান ও লোকসভার সদস্য আসাদউদ্দিন ওয়েইসি বলেছেন, যদি ভারত সরকার সত্যিই অবৈধ বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠাতে আগ্রহী হয়, তাহলে প্রথমেই শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানো উচিত। বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস আয়োজিত আইডিয়া এক্সচেঞ্জ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
হায়দরাবাদ থেকে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য বলেন, “শেখ হাসিনা কেন ভারতে আছেন? তিনি তো বাংলাদেশি। তাকে দিয়েই শুরু করা হোক এ অভিযান।” ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। ওয়েইসি বলেন, “দেশকে অনুপ্রবেশকারীমুক্ত করতে হলে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানো উচিত। আমরা কেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীকে আশ্রয় দিচ্ছি?”
ওয়েইসি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভ্যুত্থানকে ভারতের স্বীকার করা উচিত এবং নতুন সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা দরকার। তার মতে, ভারতের উচিত প্রতিবেশী দেশের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনকে সম্মান জানিয়ে নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানো।
নিজের বক্তব্যে তিনি বর্তমান সরকারের নীতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। ওয়েইসি বলেন, “একদিকে শেখ হাসিনার মতো একজন বাংলাদেশিকে আমরা থাকতে দিচ্ছি, তিনি নানা ধরনের বক্তব্য দিচ্ছেন। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের মালদহ, মুর্শিদাবাদসহ বিভিন্ন জেলার বাংলাভাষী দরিদ্র মানুষদের যাচাই ছাড়াই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বলা হচ্ছে। তাদেরকে আটক করে সীমান্তে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। এটি দ্বিমুখী আচরণ ছাড়া কিছু নয়।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, দেশে এখন এক ধরনের বিদেশাতঙ্ক তৈরি হয়েছে। “যে কেউ বাংলা ভাষায় কথা বললেই তাকে বাংলাদেশি বলা হচ্ছে। মানুষকে বন্দিশালায় আটকে রাখা হচ্ছে, পুলিশের হাতে এমন ক্ষমতা কে দিল? দেশটা যেন পাহারাদারের দেশে পরিণত হয়েছে।”
ওয়েইসির এ মন্তব্যে ভারতের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার ঝড় উঠেছে। বিশেষ করে বিজেপি সরকারের অভিবাসন নীতি এবং শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?