বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

গাজা গণহত্যায় ইসরায়েলের প্রতি ভারতের প্রশ্নাতীত সমর্থন

জনমতের প্রবল চাপে সবচেয়ে প্রতারক ও ভণ্ড পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীও অন্তত ইরায়েলের সমালোচনা করতে বাধ্য হলেও, ভারতের চরম ডানপন্থী সরকার গর্বের সাথে তেল আবিবের প্রতি সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের উপর ইহুদিবাদী ইসরায়েলের আধিপত্য সত্ত্বেও, ইসরায়েলের শয়তানি এবং অমানবিক চেহারা বিশ্বের কাছে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে এবং এমনকি সবচেয়ে প্রতারক ও ভণ্ড পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীও জনমতের চাপে […]

গাজা গণহত্যায় ইসরায়েলের প্রতি ভারতের প্রশ্নাতীত সমর্থন

গাজা গণহত্যায় ইসরায়েলের প্রতি ভারতের প্রশ্নাতীত সমর্থন

নিউজ ডেস্ক

১৯ আগস্ট ২০২৫, ১১:১৫

জনমতের প্রবল চাপে সবচেয়ে প্রতারক ও ভণ্ড পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীও অন্তত ইরায়েলের সমালোচনা করতে বাধ্য হলেও, ভারতের চরম ডানপন্থী সরকার গর্বের সাথে তেল আবিবের প্রতি সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের উপর ইহুদিবাদী ইসরায়েলের আধিপত্য সত্ত্বেও, ইসরায়েলের শয়তানি এবং অমানবিক চেহারা বিশ্বের কাছে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে এবং এমনকি সবচেয়ে প্রতারক ও ভণ্ড পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীও জনমতের চাপে অন্তত ইসরায়েলের সমালোচনা করতে বাধ্য হচ্ছে, তখন ভারতের চরম ডানপন্থী সরকার গর্বের সাথে তেল আবিবের প্রতি সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।

মাশরেক নিউজের উদ্ধৃতি দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকারের মুসলিম-বিরোধী মনোভাবের পেছনে দখলদার ইসরায়েলের সাথে ভারতের গভীর সখ্যতা দায়ী। ভারতীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং ফিলিস্তিনি অধিকারের সমর্থক রঞ্জন সুলেমান মিডল ইস্ট মনিটর ওয়েবসাইটে এক নিবন্ধে তার দেশের সরকারের এই নীতি সমালোচনা করেছেন।

প্রতারণার অস্ত্র

গত দশকে ইসরায়েলের সাথে ভারতের সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৫ সালে ভারত ও ইসরায়েলের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বাণিজ্য ৫৬০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। আর বর্তমানে এই সংখ্যাটি বছরে ১৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারেরও বেশি বেড়েছে। ভারত এখন ইসরায়েলের বৃহত্তম অস্ত্র ক্রেতা এবং ড্রোন ও নজরদারি ব্যবস্থা থেকে শুরু করে নির্ভুল আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র পর্যন্ত সবকিছু আমদানি করে। ভারতে রপ্তানি করা অনেক অস্ত্র প্রযুক্তি যুদ্ধের ময়দানে বিশেষ করে ফিলিস্তিনের গাজা ও পশ্চিম তীরে পরীক্ষা করা হয়েছে।

এসব অস্ত্র কিনে ভারত কার্যত ইসরায়েলের দখলদারিত্ব, বর্ণবাদী প্রাচীর, ঘরবাড়ি ধ্বংস এবং এখন গাজায় সংঘটিত গণহত্যাকে সমর্থন করছে।

সরাসরি গণহত্যার দৃশ্য সম্প্রচার

গাজা উপত্যকায় যা ঘটছে তা গোপন কিছু নয়। ২০২৩ সাল ৭ অক্টোবর, থেকে এ পর্যন্ত ৬১,০০০ এরও বেশি ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছে, যাদের মধ্যে অনেকেই নারী ও শিশু। গাজার হাসপাতালগুলোকে পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ত্রাণ সাহায্যের কনভয়গুলোতে বোমা হামলা করা হচ্ছে। যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে অনাহার ও দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের মানবাধিকার দফতরের সাবেক পরিচালক ক্রেগ মোখিবারসহ বিশিষ্ট আইনজীবীরা এই গণহত্যাকে “ইচ্ছাকৃত ও পরিকল্পিত” বলে অভিহিত করেছেন।

ভারতের নীরবতা এবং তার চেয়েও যেটা খারাপ

৭ অক্টোবরের পর ইসরায়েলের সাথে সংহতি প্রকাশকারী প্রথম বিশ্ব নেতাদের মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছিলেন, এমনকি কোনও নিশ্চিত তথ্য প্রকাশের আগেই। ভারত সরকার গাজার বেসামরিক নাগরিকদের উপর নির্বিচারে বোমা হামলার নিন্দা করতে অস্বীকৃতি জানায় এমনকি ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে বিক্ষোভকারীদের উপর কঠোর দমনমূলক ব্যবস্থা নেয়, ছাত্র ও অধিকার কর্মীদের বহিস্কার করে এবং যেসব শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিক সাহসিকতার সাথে কথা বলছে এবং ইসরায়েলের সমালোচনা করছে তাদেরকেও নজরদারিতে রেখেছে ভারত সরকার।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের অনুমতি না দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। ফিলিস্তিনের সাথে সংহতি প্রকাশের জন্য ছাত্র ইউনিয়নগুলোকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এমনকি দিল্লি, মুম্বাই এবং ব্যাঙ্গালোরের মতো প্রধান শহরগুলোতে মানবিক সমাবেশগুলোও পুলিশের অনুমতি পেতে ব্যর্থ হয়েছে। ভারত সরকারের এই দমন-পীড়নের সাথে ইসরায়েলি আচরণের অদ্ভুত মিল রয়েছে। যেমন: ভিন্নমতকে দমন করা এবং সমবেদনা জানানোকে অপরাধ হিসাবে গণ্য করা। ভারত একসময় ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বে ফিলিস্তিনিদের আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছিল এবং জাতিসংঘে ফিলিস্তিন মুক্তির পক্ষে কথা বলতো কিন্তু, এখন ইসরায়েলের প্রতি সর্বাত্মক সমর্থন দেয়ার পাশাপাশি বিশ্বের চোখের সামনে ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান গণহত্যা চেয়ে চেয়ে দেখছে।

জনগণের কণ্ঠস্বর দমন

তবে, ভারতের নাগরিক সমাজ চুপ করে থাকেনি। দিল্লি থেকে কেরালা পর্যন্ত, স্বাধীন ও মানবাধিকার রক্ষাকারী গোষ্ঠীগুলো এবং ছাত্র সমাজ সাহসিকতার সাথে কথা বলেছে। শিল্পীরা গাজার পক্ষে ছবি আঁকছেন, আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্টে চিঠি লিখেছেন, শিক্ষকরা ফিলিস্তিনের পক্ষে সেমিনারে বক্তব্য দিচ্ছেন এবং মুসলিমরা সারা দেশজুড়ে নামাজের মাধ্যমে দোয়া করছেন। যদিও তারা সরকারি দমন, ডিজিটাল নজরদারি এবং মিডিয়া আক্রমণের সম্মুখীন হচ্ছেন। সংবাদ চ্যানেলগুলো প্রতিবাদকারীদেরকে ভারতীয় “জাতীয়তাবাদবিরোধী” বলে অভিহিত করেছে। পুলিশ শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের হয়রানি বা আটক করার জন্য বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিশেষ আইন (UAPA) ব্যবহার করছে। সোশ্যাল মিডিয়া পর্যবেক্ষণ এবং সেন্সর করা হচ্ছে, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে।

ভারতের কেন তার অবস্থান পুনর্বিবেচনা করা উচিত

ভারত নিজেই ঔপনিবেশিক শাসনের শিকার হয়েছিল। তাই তারা দখলদারিত্বের কুপ্রভাব, বিভাজনের ক্ষত এবং সহিংসতার বোঝা এখনো বহন করে বেড়াচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, ভারতের বিশ্বব্যাপী উপনিবেশ বিরোধী অবস্থান ধরে রাখা উচিত এবং উপনিবেশকামী দেশগুলোর পক্ষে কথা বলা উচিত নয়। ভারত যখন গাজায় ইসরায়েলের বর্ণবাদী আচরণকে সমর্থন জানাচ্ছে তখন তাদের কারো মুখে গান্ধী এবং নেহেরুকে উদ্ধৃত করে কথা বলা মানায় না। ভারত নিরীহ ফিলিস্তিনিদের হত্যায় জড়িত ইসরায়েলি গণহত্যাকারীকে সহায়তা করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতৃত্বের দাবি করতে পারে না।

সূত্র : পার্সটুডে

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৩১

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৩১

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৩১

আন্তর্জাতিক

যদি ইরান চায়, আমরা সাহায্য করবো, ইসরায়েল কে মুছে ফেলার জন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট : কিম জং উন

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ মার্চ ২০২৬, ২০:৫১

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন মন্তব্য কেবল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। ইরান ও ইসরায়েল-এর মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতার মধ্যে উত্তর কোরিয়ার এই অবস্থান নতুন কূটনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়া প্রায়ই কঠোর ভাষায় বক্তব্য দিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান জোরালো করার চেষ্টা করে। তবে বাস্তবে সামরিক সহায়তা বা সরাসরি জড়িত হওয়ার প্রশ্নে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতোমধ্যে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা, যাতে উত্তেজনা আরও না বাড়ে এবং বৃহত্তর সংঘাতে রূপ না নেয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৩১