ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা ইসরায়েলের তেল আবিবের বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দিকে ‘প্যালেস্টাইন-২’ নামে একটি হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কথা স্বীকার করেছে। সংগঠনটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহইয়া সারে টেলিভিশন ভাষণে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, এই অভিযানে তারা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। হামলার পর লাখ লাখ ইসরায়েলি আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটে যায় এবং বিমানবন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হয়। সারে আরও অভিযোগ করেন, গাজায় নজিরবিহীন গণহত্যা অব্যাহত রয়েছে এবং বিশ্বের চোখের সামনে অবরোধ ও ক্ষুধার নীতি চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
তার ভাষায়, “গাজার ওপর আক্রমণ বন্ধ না হওয়া এবং অবরোধ না উঠা পর্যন্ত আমরা আমাদের ধর্মীয়, নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখব।”
অন্যদিকে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে এবং এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাতজ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইয়েমেনকে আবারও বোমা হামলার মুখে পড়তে হবে। এর আগে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান সানার নিকটস্থ একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে বোমা হামলা চালায়।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করছে। হুথিদের এমন ঘোষণা ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধের ভৌগোলিক পরিসর বাড়ানোর আশঙ্কা তৈরি করেছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?