কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে ফের উত্তাল হয়ে উঠেছে পাকিস্তান। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) লাহোর, করাচি, ইসলামাবাদসহ বিভিন্ন শহরে দলটির নেতাকর্মীরা বিক্ষোভে অংশ নেন।
সড়কে মোটরযান, রিকশা ও অন্যান্য যানবাহনে মিছিল ও র্যালি করে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান পিটিআই সমর্থকরা। এতে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটে।
পাকিস্তান পুলিশ জানিয়েছে, রাতভর অভিযান চালিয়ে ১২০ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া বিক্ষোভ চলাকালে আরও অন্তত ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দেড় শতাধিক নেতাকর্মীকে আটকের দাবি তাদের।
অন্যদিকে পিটিআইয়ের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, শুধুমাত্র লাহোর থেকেই প্রায় ২০০ নেতাকর্মীকে বেআইনিভাবে আটক করা হয়েছে। দলটির অভিযোগ, সরকার ভয়ভীতি ও দমন-পীড়নের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক আন্দোলন স্তব্ধ করে দিতে চায়।
এর আগে, সোমবার নিজের আইনজীবীদের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বার্তা পাঠান ইমরান খান। সেখানে তিনি তার সমর্থকদের প্রতি গণতন্ত্র রক্ষায় শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
বিশ্লেষকরা বলছেন, পাকিস্তানে রাজনৈতিক অস্থিরতা দিন দিন বাড়ছে এবং ইমরান খানের আটকাদেশকে কেন্দ্র করে বিরোধী রাজনীতি আরও সংঘাতমুখী হয়ে উঠছে।
এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন শহরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন রয়েছে, আর বিক্ষোভ দমনে ব্যবহার করা হচ্ছে জলকামান ও কাঁদানে গ্যাস।
ইমরান খানের মুক্তি দাবিতে পাকিস্তানের রাজপথে আবারও শুরু হয়েছে উত্তপ্ত লড়াই।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?